০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

তেলের লাইনে চালকদের দিনভর দুর্ভোগ

রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি তেলের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেল পাচ্ছেন না অনেক চালক। কেউ সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও খালি হাতে ফিরছেন, কেউ আবার গাড়ি বা মোটরসাইকেল ফেলে নড়তেও পারছেন না।

তেজগাঁওয়ের একটি ফিলিং স্টেশনে কথা হয় কয়েকজন ভুক্তভোগীর সঙ্গে। তাদের অভিযোগ, তেলবাহী লরি না আসায় সরবরাহ বন্ধ থাকলেও লাইনে গাড়ি ও মোটরসাইকেলের সংখ্যা বাড়তেই থাকে। অনেকেই না জেনেই দীর্ঘ লাইনের শেষে দাঁড়িয়ে পড়ছেন।

দেশে ফেরার অপেক্ষায় স্থলবন্দরে শত শত মানুষ

ব্যক্তিগত গাড়ির চালকরা বলছেন, মালিকের গাড়ি রেখে খাবার খেতে বা অন্য কাজে যাওয়া ঝুঁকির। অন্যদিকে মোটরসাইকেল আরোহীদের দুর্ভোগ আরও বেশি, কারণ খোলা আকাশের নিচে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেকেই অফিস বা পড়াশোনা থেকে ছুটি নিয়েও শেষ পর্যন্ত তেল পাননি।

চালকদের ভাষায়, এই সংকট শুধু জ্বালানির নয়, সময়, কাজ আর স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকেও অচল করে দিচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

তেলের লাইনে চালকদের দিনভর দুর্ভোগ

০৮:৫৬:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি তেলের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেল পাচ্ছেন না অনেক চালক। কেউ সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও খালি হাতে ফিরছেন, কেউ আবার গাড়ি বা মোটরসাইকেল ফেলে নড়তেও পারছেন না।

তেজগাঁওয়ের একটি ফিলিং স্টেশনে কথা হয় কয়েকজন ভুক্তভোগীর সঙ্গে। তাদের অভিযোগ, তেলবাহী লরি না আসায় সরবরাহ বন্ধ থাকলেও লাইনে গাড়ি ও মোটরসাইকেলের সংখ্যা বাড়তেই থাকে। অনেকেই না জেনেই দীর্ঘ লাইনের শেষে দাঁড়িয়ে পড়ছেন।

দেশে ফেরার অপেক্ষায় স্থলবন্দরে শত শত মানুষ

ব্যক্তিগত গাড়ির চালকরা বলছেন, মালিকের গাড়ি রেখে খাবার খেতে বা অন্য কাজে যাওয়া ঝুঁকির। অন্যদিকে মোটরসাইকেল আরোহীদের দুর্ভোগ আরও বেশি, কারণ খোলা আকাশের নিচে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেকেই অফিস বা পড়াশোনা থেকে ছুটি নিয়েও শেষ পর্যন্ত তেল পাননি।

চালকদের ভাষায়, এই সংকট শুধু জ্বালানির নয়, সময়, কাজ আর স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকেও অচল করে দিচ্ছে।