০১:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

তেল পাম্পে নোটিশ ঝুলছে, তবু থামছে না ভিড়—রাজধানীজুড়ে জ্বালানি নিতে দীর্ঘ লাইন

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় তেল পাম্পগুলোতে অস্বাভাবিক ভিড় দেখা যাচ্ছে। পাম্পে নোটিশ টানিয়ে দেওয়া হলেও নির্ধারিত সীমার বাইরে তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। তবু সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে অসংখ্য মোটরসাইকেল ও গাড়ির চালককে। অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেল না পেয়ে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন।

পাম্পে উপচে পড়া ভিড়

শনিবার সকাল থেকেই ঢাকার বিভিন্ন তেল পাম্পে দেখা যায় দীর্ঘ সারি। সবচেয়ে বেশি ভিড় মোটরসাইকেলের। পাম্পের ভেতরের লাইন সড়ক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে অনেক জায়গায় যান চলাচলেও ধীরগতি দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার পরও অনেক চালক নির্ধারিত সীমার কারণে প্রয়োজনীয় তেল পাচ্ছেন না। অনেক পাম্পে তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় ক্রেতাদের ফিরে যেতে হচ্ছে। এ কারণে কিছু জায়গায় তর্ক-বিতর্কের ঘটনাও ঘটেছে।

তেল ক্রয়ে হুড়াহুড়ি, লাগাম টানল বিপিসি

নির্ধারিত সীমায় তেল বিক্রি

দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় তেল বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাম্পগুলোতে এ বিষয়ে স্পষ্ট নোটিশও ঝুলছে।

নিয়ম অনুযায়ী একটি মোটরসাইকেল দিনে সর্বোচ্চ দুই লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারবে। ব্যক্তিগত গাড়ি নিতে পারবে দশ লিটার। এসইউভি ও মাইক্রোবাসের জন্য নির্ধারিত হয়েছে বিশ থেকে পঁচিশ লিটার। পিকআপ বা স্থানীয় বাস দিনে সত্তর থেকে আশি লিটার ডিজেল নিতে পারবে।

এ ছাড়া দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান বা কনটেইনার ট্রাকের জন্য দৈনিক দুইশ থেকে দুইশ বিশ লিটার তেল নেওয়ার অনুমতি রাখা হয়েছে।

চালকদের অভিযোগ ও উদ্বেগ

তেল না পেয়ে অনেক চালক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও তেল না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে। কেউ কেউ মনে করছেন, পাম্পগুলোতে কঠোর নজরদারি না থাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

পেট্রোল পাম্পে হুড়োহুড়ি, তিনশ টাকার বেশি তেল পাচ্ছেন না গ্রাহকরা

এ সময় অনেক গ্রাহক সরকারের কাছে পেট্রল পাম্পগুলোর ওপর আরও কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

সরকারের আশ্বাস

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক আছে। অতিরিক্ত তেল কেনা বা মজুদ না করার জন্য চালকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি অযথা আতঙ্ক না ছড়ানোর কথাও বলা হয়েছে।

সরকার বলছে, পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে এবং কোথাও কৃত্রিম সংকট তৈরি হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

তেল পাম্পে নোটিশ ঝুলছে, তবু থামছে না ভিড়—রাজধানীজুড়ে জ্বালানি নিতে দীর্ঘ লাইন

০৪:২৮:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় তেল পাম্পগুলোতে অস্বাভাবিক ভিড় দেখা যাচ্ছে। পাম্পে নোটিশ টানিয়ে দেওয়া হলেও নির্ধারিত সীমার বাইরে তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। তবু সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে অসংখ্য মোটরসাইকেল ও গাড়ির চালককে। অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেল না পেয়ে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন।

পাম্পে উপচে পড়া ভিড়

শনিবার সকাল থেকেই ঢাকার বিভিন্ন তেল পাম্পে দেখা যায় দীর্ঘ সারি। সবচেয়ে বেশি ভিড় মোটরসাইকেলের। পাম্পের ভেতরের লাইন সড়ক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে অনেক জায়গায় যান চলাচলেও ধীরগতি দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার পরও অনেক চালক নির্ধারিত সীমার কারণে প্রয়োজনীয় তেল পাচ্ছেন না। অনেক পাম্পে তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় ক্রেতাদের ফিরে যেতে হচ্ছে। এ কারণে কিছু জায়গায় তর্ক-বিতর্কের ঘটনাও ঘটেছে।

তেল ক্রয়ে হুড়াহুড়ি, লাগাম টানল বিপিসি

নির্ধারিত সীমায় তেল বিক্রি

দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় তেল বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাম্পগুলোতে এ বিষয়ে স্পষ্ট নোটিশও ঝুলছে।

নিয়ম অনুযায়ী একটি মোটরসাইকেল দিনে সর্বোচ্চ দুই লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারবে। ব্যক্তিগত গাড়ি নিতে পারবে দশ লিটার। এসইউভি ও মাইক্রোবাসের জন্য নির্ধারিত হয়েছে বিশ থেকে পঁচিশ লিটার। পিকআপ বা স্থানীয় বাস দিনে সত্তর থেকে আশি লিটার ডিজেল নিতে পারবে।

এ ছাড়া দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান বা কনটেইনার ট্রাকের জন্য দৈনিক দুইশ থেকে দুইশ বিশ লিটার তেল নেওয়ার অনুমতি রাখা হয়েছে।

চালকদের অভিযোগ ও উদ্বেগ

তেল না পেয়ে অনেক চালক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও তেল না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে। কেউ কেউ মনে করছেন, পাম্পগুলোতে কঠোর নজরদারি না থাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

পেট্রোল পাম্পে হুড়োহুড়ি, তিনশ টাকার বেশি তেল পাচ্ছেন না গ্রাহকরা

এ সময় অনেক গ্রাহক সরকারের কাছে পেট্রল পাম্পগুলোর ওপর আরও কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

সরকারের আশ্বাস

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক আছে। অতিরিক্ত তেল কেনা বা মজুদ না করার জন্য চালকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি অযথা আতঙ্ক না ছড়ানোর কথাও বলা হয়েছে।

সরকার বলছে, পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে এবং কোথাও কৃত্রিম সংকট তৈরি হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।