০৩:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

ত্রিপলি থেকে দ্বিতীয় চার্টার ফ্লাইটে দেশে ফিরলো ৩০৯ বাংলাদেশি

লিবিয়ার তত্ত্বাবধানে ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তায় ত্রিপলি থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে আগ্রহী ৩০৯ জন বাংলাদেশিকে বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রত্যাবাসিত নাগরিকরা বিশেষ ফ্লাইটে শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।


প্রত্যাবাসন ও ফ্লাইটের বিস্তারিত

বাংলাদেশ দূতাবাস ত্রিপলিতে অবস্থানরত নিবন্ধিত অভিবাসীদের মধ্যে যারা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে ইচ্ছুক ছিলেন, তাদের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় ৩০৯ জনকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এটি লিবিয়া সরকারের সহযোগিতায় পরিচালিত দ্বিতীয় চার্টার ফ্লাইট—প্রথম দফায় ৯ অক্টোবরও একই সংখ্যক (৩০৯) নাগরিককে দেশে ফেরানো হয়েছিল।


দূতাবাসের ভূমিকা ও বিদায়সূচি

ত্রিপলিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মুহাম্মদ খায়রুল বাশার দূতাবাস প্রাঙ্গণে প্রত্যাবাসিতদের বিদায় জানান। এ সময় দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) মো. রাসেল মিয়া ও অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। প্রত্যাবাসিতরা পূর্বে দূতাবাসে স্বেচ্ছায় ফেরার জন্য আবেদন করেছিলেন; পরবর্তীতে দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ও বহির্গমন ছাড়পত্র সংগ্রহসহ সব প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে।


রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য

রাষ্ট্রদূত বলেন, দূতাবাস লিবিয়ায় অবস্থানরত নাগরিকদের নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি অনিয়মিত পথে বিদেশ যাত্রার ঝুঁকি ও ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানান এবং দালালচক্রের বিরুদ্ধে দেশে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সবাইকে উৎসাহিত করেন। দূতাবাস এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলে তিনি জানান।


ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও অনুরোধ

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, প্রত্যেক নাগরিক দেশের সম্পদ—অতএব ভবিষ্যতে কেউ অবৈধ পথে বিদেশে যাবে না; বরং বৈধ উপায়ে প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা অর্জন করে দেশের সম্মান ও উন্নয়নে অবদান রাখতে হবে। দূতাবাস লিবিয়ার জাতীয় ঐক্যমত্যের সরকার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আন্তরিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছে।


পরবর্তী প্রত্যাবাসন

দূতাবাস জানায়, একই পদ্ধতিতে মিসরাতা ও ত্রিপলি থেকে নিবন্ধিতদের মধ্যে অবশিষ্ট আরও তিন শতাধিক বাংলাদেশিকে আগামী ৩০ অক্টোবর দেশে প্রত্যাবাসনের জন্য লিবিয়া সরকারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সমন্বয় করা হচ্ছে।


প্রত্যাবাসন, লিবিয়া, বাংলাদেশ দূতাবাস, চার্টার ফ্লাইট, মানবপাচার প্রতিরোধ

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

ত্রিপলি থেকে দ্বিতীয় চার্টার ফ্লাইটে দেশে ফিরলো ৩০৯ বাংলাদেশি

০৫:২১:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫

লিবিয়ার তত্ত্বাবধানে ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তায় ত্রিপলি থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে আগ্রহী ৩০৯ জন বাংলাদেশিকে বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রত্যাবাসিত নাগরিকরা বিশেষ ফ্লাইটে শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।


প্রত্যাবাসন ও ফ্লাইটের বিস্তারিত

বাংলাদেশ দূতাবাস ত্রিপলিতে অবস্থানরত নিবন্ধিত অভিবাসীদের মধ্যে যারা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে ইচ্ছুক ছিলেন, তাদের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় ৩০৯ জনকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এটি লিবিয়া সরকারের সহযোগিতায় পরিচালিত দ্বিতীয় চার্টার ফ্লাইট—প্রথম দফায় ৯ অক্টোবরও একই সংখ্যক (৩০৯) নাগরিককে দেশে ফেরানো হয়েছিল।


দূতাবাসের ভূমিকা ও বিদায়সূচি

ত্রিপলিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মুহাম্মদ খায়রুল বাশার দূতাবাস প্রাঙ্গণে প্রত্যাবাসিতদের বিদায় জানান। এ সময় দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) মো. রাসেল মিয়া ও অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। প্রত্যাবাসিতরা পূর্বে দূতাবাসে স্বেচ্ছায় ফেরার জন্য আবেদন করেছিলেন; পরবর্তীতে দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ও বহির্গমন ছাড়পত্র সংগ্রহসহ সব প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে।


রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য

রাষ্ট্রদূত বলেন, দূতাবাস লিবিয়ায় অবস্থানরত নাগরিকদের নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি অনিয়মিত পথে বিদেশ যাত্রার ঝুঁকি ও ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানান এবং দালালচক্রের বিরুদ্ধে দেশে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সবাইকে উৎসাহিত করেন। দূতাবাস এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলে তিনি জানান।


ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও অনুরোধ

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, প্রত্যেক নাগরিক দেশের সম্পদ—অতএব ভবিষ্যতে কেউ অবৈধ পথে বিদেশে যাবে না; বরং বৈধ উপায়ে প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা অর্জন করে দেশের সম্মান ও উন্নয়নে অবদান রাখতে হবে। দূতাবাস লিবিয়ার জাতীয় ঐক্যমত্যের সরকার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আন্তরিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছে।


পরবর্তী প্রত্যাবাসন

দূতাবাস জানায়, একই পদ্ধতিতে মিসরাতা ও ত্রিপলি থেকে নিবন্ধিতদের মধ্যে অবশিষ্ট আরও তিন শতাধিক বাংলাদেশিকে আগামী ৩০ অক্টোবর দেশে প্রত্যাবাসনের জন্য লিবিয়া সরকারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সমন্বয় করা হচ্ছে।


প্রত্যাবাসন, লিবিয়া, বাংলাদেশ দূতাবাস, চার্টার ফ্লাইট, মানবপাচার প্রতিরোধ