০৬:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কম খরচে হাজার হাজার দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির উদ্যোগ, নতুন চ্যালেঞ্জ মার্কিন অস্ত্রশিল্পে ছোট নৌকার বিক্ষোভ নয়, আসল সংকট ব্রিটেনের ভেঙে পড়া অভিবাসন ব্যবস্থা ইউরোপে আবাসন সংকট, এয়ারবিএনবির ওপর আরও কড়াকড়ির প্রস্তাব অর্থের বিনিময়ে প্রচার, অথচ বিজ্ঞাপনের পরিচয় গোপন রাখতে বলছে ব্র্যান্ড ৯/১১-এর পর যে পথে বদলে গেল বিশ্বব্যবস্থা এআইকে নিজের গোপন ভাবনা দিলে সেটাই কি একদিন আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারে? নাটোরে দিনে ১৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ নেই, কমেছে আয়: বিপাকে শ্রমজীবী মানুষ গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশ যাচ্ছে না, আমন্ত্রণ পাননি প্রধানমন্ত্রী: হুমায়ুন কবির ভিভিয়ান টুর নতুন এআই অ্যাপ, এবার হাতের মুঠোয় ব্যক্তিগত আর্থিক পরামর্শ

দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে চীন-ফিলিপাইন উত্তেজনা, ম্যানিলাকে ‘মিথ্যাচার বন্ধের’ আহ্বান বেইজিংয়ের

দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে চীন ও ফিলিপাইনের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ফিলিপাইনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী গিলবার্তো তেওদোরো জুনিয়র প্রকাশ্যে চীনা এক কূটনীতিকের দেওয়া একটি নোট পড়ে শোনানোর পর ম্যানিলার বিরুদ্ধে ‘নাটক করা’ ও ‘মিথ্যাচারের’ অভিযোগ তুলেছে বেইজিং।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং ফিলিপাইনের কিছু কর্মকর্তাকে এমন কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি চীন-ফিলিপাইন সম্পর্ক এবং দক্ষিণ চীন সাগরের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার ওপর গুরুত্ব দেন।

কী নিয়ে বিরোধ

দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে অনুষ্ঠিত প্রতিরক্ষা সংলাপের এক অধিবেশনে মঙ্গলবার বক্তব্য দেওয়ার সময় তেওদোরোর কাছে চীনা পক্ষের একটি নোট পৌঁছায়। ওই নোটে দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে আন্তর্জাতিক সালিশি রায়ের বিষয়ে চীনের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করা হয়।China accuses Philippine officials of lying over South China Sea note |  UA.NEWS

ফিলিপাইনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নোটটির বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে তুলে ধরে চীনের অবস্থানকে ‘চাপ সৃষ্টি, ভয় দেখানো ও আগ্রাসন’ হিসেবে বর্ণনা করেন।

বেইজিংয়ের পাল্টা বক্তব্য

এর প্রতিক্রিয়ায় মাও নিং বলেন, ফিলিপাইনের কিছু ব্যক্তি যেন এ ধরনের ‘নাটক করা ও মিথ্যাচার’ বন্ধ করেন। তাঁর ভাষ্য, দুই দেশের সম্পর্ক এবং দক্ষিণ চীন সাগরের শান্তি ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে দায়িত্বশীল আচরণ প্রয়োজন।

দক্ষিণ চীন সাগর দীর্ঘদিন ধরেই চীন ও ফিলিপাইনসহ কয়েকটি দেশের মধ্যে বিরোধপূর্ণ সামুদ্রিক অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। সামুদ্রিক অধিকার ও বিভিন্ন জলসীমার মালিকানা নিয়ে দেশগুলোর মধ্যে টানাপোড়েন মাঝে মধ্যেই তীব্র আকার ধারণ করে।

নতুন এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক সালিশি রায় এবং দক্ষিণ চীন সাগরে সামুদ্রিক অধিকার নিয়ে দুই পক্ষের অবস্থান যে এখনও অনেক দূরে, তা আবারও স্পষ্ট হলো।

জনপ্রিয় সংবাদ

কম খরচে হাজার হাজার দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির উদ্যোগ, নতুন চ্যালেঞ্জ মার্কিন অস্ত্রশিল্পে

দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে চীন-ফিলিপাইন উত্তেজনা, ম্যানিলাকে ‘মিথ্যাচার বন্ধের’ আহ্বান বেইজিংয়ের

০৫:৩০:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে চীন ও ফিলিপাইনের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ফিলিপাইনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী গিলবার্তো তেওদোরো জুনিয়র প্রকাশ্যে চীনা এক কূটনীতিকের দেওয়া একটি নোট পড়ে শোনানোর পর ম্যানিলার বিরুদ্ধে ‘নাটক করা’ ও ‘মিথ্যাচারের’ অভিযোগ তুলেছে বেইজিং।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং ফিলিপাইনের কিছু কর্মকর্তাকে এমন কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি চীন-ফিলিপাইন সম্পর্ক এবং দক্ষিণ চীন সাগরের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার ওপর গুরুত্ব দেন।

কী নিয়ে বিরোধ

দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে অনুষ্ঠিত প্রতিরক্ষা সংলাপের এক অধিবেশনে মঙ্গলবার বক্তব্য দেওয়ার সময় তেওদোরোর কাছে চীনা পক্ষের একটি নোট পৌঁছায়। ওই নোটে দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে আন্তর্জাতিক সালিশি রায়ের বিষয়ে চীনের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করা হয়।China accuses Philippine officials of lying over South China Sea note |  UA.NEWS

ফিলিপাইনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নোটটির বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে তুলে ধরে চীনের অবস্থানকে ‘চাপ সৃষ্টি, ভয় দেখানো ও আগ্রাসন’ হিসেবে বর্ণনা করেন।

বেইজিংয়ের পাল্টা বক্তব্য

এর প্রতিক্রিয়ায় মাও নিং বলেন, ফিলিপাইনের কিছু ব্যক্তি যেন এ ধরনের ‘নাটক করা ও মিথ্যাচার’ বন্ধ করেন। তাঁর ভাষ্য, দুই দেশের সম্পর্ক এবং দক্ষিণ চীন সাগরের শান্তি ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে দায়িত্বশীল আচরণ প্রয়োজন।

দক্ষিণ চীন সাগর দীর্ঘদিন ধরেই চীন ও ফিলিপাইনসহ কয়েকটি দেশের মধ্যে বিরোধপূর্ণ সামুদ্রিক অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। সামুদ্রিক অধিকার ও বিভিন্ন জলসীমার মালিকানা নিয়ে দেশগুলোর মধ্যে টানাপোড়েন মাঝে মধ্যেই তীব্র আকার ধারণ করে।

নতুন এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক সালিশি রায় এবং দক্ষিণ চীন সাগরে সামুদ্রিক অধিকার নিয়ে দুই পক্ষের অবস্থান যে এখনও অনেক দূরে, তা আবারও স্পষ্ট হলো।