০৩:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

দুর্নীতি মাদক চাঁদাবাজিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান

দুর্নীতি মাদক ও চাঁদাবাজিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। রোববার জামালপুরে এক জনসভায় তিনি বলেন, ন্যায়বিচারের প্রতীক হলো দাঁড়িপাল্লা, আর এই প্রতীকেই ভোট দিলে দেশ ন্যায়ের পথে এগোবে।

ন্যায়বিচারের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা

জামালপুর জেলার সিংহাজানি বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তাঁর দল রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবে এবং দুর্নীতি মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেবে। তিনি জানান, ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে হলে সঠিক প্রতীকে ভোট দেওয়াই সবচেয়ে জরুরি।

নারীর মর্যাদা ও নিরাপত্তার অঙ্গীকার

বক্তব্যে তিনি নারীর মর্যাদা ও নিরাপত্তার বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরেন। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন স্থানে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা চালানো নারী কর্মীদের অপমান ও হামলার শিকার হতে হচ্ছে। তিনি বলেন, যে জাতি নারীর সম্মান রক্ষা করতে জানে না, সেই জাতি কখনো এগোতে পারে না। জামায়াতে ইসলামী এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চায়, যেখানে প্রতিটি মানুষের মর্যাদা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে।

গণভোট প্রসঙ্গ ও রাজনৈতিক বার্তা

গণভোট প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, হ্যাঁ মানেই বাংলাদেশের জয়, আর না মানে পরাজয়। তাঁর ভাষায়, হ্যাঁ মানে মুক্তি আর না মানে পরাধীনতা। তাই তিনি ভোটারদের হ্যাঁর পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

জনসভায় নেতাদের উপস্থিতি

জামালপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জামালপুর সদর আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ আবদুস সাত্তার সভায় সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা। জনসভায় দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

দুর্নীতি মাদক চাঁদাবাজিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান

০৮:৫৬:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দুর্নীতি মাদক ও চাঁদাবাজিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। রোববার জামালপুরে এক জনসভায় তিনি বলেন, ন্যায়বিচারের প্রতীক হলো দাঁড়িপাল্লা, আর এই প্রতীকেই ভোট দিলে দেশ ন্যায়ের পথে এগোবে।

ন্যায়বিচারের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা

জামালপুর জেলার সিংহাজানি বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তাঁর দল রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবে এবং দুর্নীতি মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেবে। তিনি জানান, ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে হলে সঠিক প্রতীকে ভোট দেওয়াই সবচেয়ে জরুরি।

নারীর মর্যাদা ও নিরাপত্তার অঙ্গীকার

বক্তব্যে তিনি নারীর মর্যাদা ও নিরাপত্তার বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরেন। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন স্থানে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা চালানো নারী কর্মীদের অপমান ও হামলার শিকার হতে হচ্ছে। তিনি বলেন, যে জাতি নারীর সম্মান রক্ষা করতে জানে না, সেই জাতি কখনো এগোতে পারে না। জামায়াতে ইসলামী এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চায়, যেখানে প্রতিটি মানুষের মর্যাদা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে।

গণভোট প্রসঙ্গ ও রাজনৈতিক বার্তা

গণভোট প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, হ্যাঁ মানেই বাংলাদেশের জয়, আর না মানে পরাজয়। তাঁর ভাষায়, হ্যাঁ মানে মুক্তি আর না মানে পরাধীনতা। তাই তিনি ভোটারদের হ্যাঁর পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

জনসভায় নেতাদের উপস্থিতি

জামালপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জামালপুর সদর আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ আবদুস সাত্তার সভায় সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা। জনসভায় দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।