০১:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

নতুন গাড়ি ও কম্পিউটার সরঞ্জাম কেনা বন্ধ

সরকারি তহবিলের ব্যয় নতুন বাজেটে সীমিত রাখা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী জানান, এই সময়কালে নতুন কোনো যানবাহন, জাহাজ, বিমান বা কম্পিউটার সরঞ্জাম কেনা হবে না। এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য হলো সরকারি ব্যয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা এবং বাজেটের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, এই পদক্ষেপ সরকারি দফতরগুলোর কার্যক্রমে অপ্রয়োজনীয় খরচ কমাতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি, সরকারের মূল লক্ষ্য হলো বরাদ্দ করা তহবিলকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করে দেশের অর্থনীতিকে সহায়তা করা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে পরিবর্তন, যা বললেন অর্থমন্ত্রী

সরকারি দফতরগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, সীমিত তহবিলের মধ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে এবং শুধুমাত্র জরুরি ও অপরিহার্য ক্রয়কর্মই অনুমোদিত হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই নিয়ন্ত্রণ কৌশল দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এর ফলে, সরকারি প্রকল্পগুলোর কার্যক্রমে কিছুটা সময়সূচি পরিবর্তন আসতে পারে, তবে সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে নাগরিক সেবায় কোনো ধরনের ব্যাঘাত হবে না।

এই বাজেট নীতির মূল লক্ষ্য হলো দেশীয় অর্থনৈতিক সংস্থানকে সংরক্ষণ করা এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বরাদ্দকৃত তহবিলকে সঠিকভাবে ব্যবহার করা।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

নতুন গাড়ি ও কম্পিউটার সরঞ্জাম কেনা বন্ধ

১১:২৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

সরকারি তহবিলের ব্যয় নতুন বাজেটে সীমিত রাখা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী জানান, এই সময়কালে নতুন কোনো যানবাহন, জাহাজ, বিমান বা কম্পিউটার সরঞ্জাম কেনা হবে না। এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য হলো সরকারি ব্যয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা এবং বাজেটের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, এই পদক্ষেপ সরকারি দফতরগুলোর কার্যক্রমে অপ্রয়োজনীয় খরচ কমাতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি, সরকারের মূল লক্ষ্য হলো বরাদ্দ করা তহবিলকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করে দেশের অর্থনীতিকে সহায়তা করা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে পরিবর্তন, যা বললেন অর্থমন্ত্রী

সরকারি দফতরগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, সীমিত তহবিলের মধ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে এবং শুধুমাত্র জরুরি ও অপরিহার্য ক্রয়কর্মই অনুমোদিত হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই নিয়ন্ত্রণ কৌশল দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এর ফলে, সরকারি প্রকল্পগুলোর কার্যক্রমে কিছুটা সময়সূচি পরিবর্তন আসতে পারে, তবে সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে নাগরিক সেবায় কোনো ধরনের ব্যাঘাত হবে না।

এই বাজেট নীতির মূল লক্ষ্য হলো দেশীয় অর্থনৈতিক সংস্থানকে সংরক্ষণ করা এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বরাদ্দকৃত তহবিলকে সঠিকভাবে ব্যবহার করা।