০৩:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

নির্বাচন সুষ্ঠু, তবে ফলাফলে কারচুপি হয়েছে: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হলেও ফলাফলে কারচুপি হয়েছে। ফলে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। তবে গণতন্ত্র ও দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে তারা তা মেনে নিয়েছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব ও সদস্যসচিব মনিরা শারমিনসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা।

সংবিধান সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘গণতন্ত্র ও দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে আমরা নির্বাচন ফলাফল মেনে নিয়েছি। কারণ আমাদের লক্ষ্য জাতীয় সংসদ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ কার্যকর করা। সংবিধান সংস্কার ছাড়া বাংলাদেশ আগের অবস্থায়ই থাকবে। শেখ হাসিনার কাঠামো থাকবে, তবে দেশ পরিচালনা করবে অন্য নেতৃত্ব।’

বিএনপির সমালোচনা

তিনি বলেন, বিএনপি সংবিধানের দোহাই দিয়ে ভুল ব্যাখ্যা তুলে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ থেকে বিরত রয়েছে। এটি গণরায়ের প্রতি এক ধরনের প্রতারণা।

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘বর্তমান মন্ত্রিসভার মাধ্যমে কোনো বাস্তব পরিবর্তন সম্ভব নয়। এটি পুরোনো বন্দোবস্তের ধারাবাহিকতা। আঞ্চলিক, ধর্মীয় ও জাতিগত ভারসাম্য হয়নি। নারী প্রতিনিধিত্ব সীমিত, অনেক জেলা থেকে কোনো প্রতিনিধিত্ব নেই।’

সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদে স্পষ্ট উল্লেখ আছে, সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য একই দিনে শপথ নেবেন। কিন্তু বিএনপি সংবিধানের দোহাই দিয়ে ভুল ব্যাখ্যা তুলে শপথ গ্রহণ থেকে বিরত রয়েছে। এটি নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা ও গণরায়ের প্রতি প্রতারণা হিসেবে ধরা হবে। আমরা আশা করি, তারা দ্রুত শপথ নেবেন।’

নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে মন্তব্য

নাহিদ ইসলাম জানান, ‘মন্ত্রিসভার অনেকেই ঋণখেলাপি ও দুর্নীতিগ্রস্ত। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের বিএনপি সরকারের সাবেক অনেক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী রয়েছে। একজন রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী ও খুনের মামলায় অভিযুক্তকে মন্ত্রী করা হয়েছে। তাই এই মন্ত্রিসভার থেকে দেশের জন্য ভালো কিছু আশা করা ঠিক নয়।’

দুর্নীতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে আগে নিজের মন্ত্রিসভা থেকেই কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। ঘর থেকেই শুরু করতে হবে।’

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

নির্বাচন সুষ্ঠু, তবে ফলাফলে কারচুপি হয়েছে: নাহিদ ইসলাম

০৪:১৩:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হলেও ফলাফলে কারচুপি হয়েছে। ফলে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। তবে গণতন্ত্র ও দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে তারা তা মেনে নিয়েছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব ও সদস্যসচিব মনিরা শারমিনসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা।

সংবিধান সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘গণতন্ত্র ও দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে আমরা নির্বাচন ফলাফল মেনে নিয়েছি। কারণ আমাদের লক্ষ্য জাতীয় সংসদ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ কার্যকর করা। সংবিধান সংস্কার ছাড়া বাংলাদেশ আগের অবস্থায়ই থাকবে। শেখ হাসিনার কাঠামো থাকবে, তবে দেশ পরিচালনা করবে অন্য নেতৃত্ব।’

বিএনপির সমালোচনা

তিনি বলেন, বিএনপি সংবিধানের দোহাই দিয়ে ভুল ব্যাখ্যা তুলে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ থেকে বিরত রয়েছে। এটি গণরায়ের প্রতি এক ধরনের প্রতারণা।

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘বর্তমান মন্ত্রিসভার মাধ্যমে কোনো বাস্তব পরিবর্তন সম্ভব নয়। এটি পুরোনো বন্দোবস্তের ধারাবাহিকতা। আঞ্চলিক, ধর্মীয় ও জাতিগত ভারসাম্য হয়নি। নারী প্রতিনিধিত্ব সীমিত, অনেক জেলা থেকে কোনো প্রতিনিধিত্ব নেই।’

সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদে স্পষ্ট উল্লেখ আছে, সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য একই দিনে শপথ নেবেন। কিন্তু বিএনপি সংবিধানের দোহাই দিয়ে ভুল ব্যাখ্যা তুলে শপথ গ্রহণ থেকে বিরত রয়েছে। এটি নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা ও গণরায়ের প্রতি প্রতারণা হিসেবে ধরা হবে। আমরা আশা করি, তারা দ্রুত শপথ নেবেন।’

নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে মন্তব্য

নাহিদ ইসলাম জানান, ‘মন্ত্রিসভার অনেকেই ঋণখেলাপি ও দুর্নীতিগ্রস্ত। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের বিএনপি সরকারের সাবেক অনেক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী রয়েছে। একজন রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী ও খুনের মামলায় অভিযুক্তকে মন্ত্রী করা হয়েছে। তাই এই মন্ত্রিসভার থেকে দেশের জন্য ভালো কিছু আশা করা ঠিক নয়।’

দুর্নীতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে আগে নিজের মন্ত্রিসভা থেকেই কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। ঘর থেকেই শুরু করতে হবে।’