০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

ন্যানোপ্রযুক্তির পেটেন্টে শীর্ষে চীন

ন্যানোপ্রযুক্তি পেটেন্ট সংখ্যায় বিশ্বে শীর্ষে উঠে এসেছে চীন। রোববার প্রকাশিত একটি শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, গত ২৫ বছরে বিশ্বজুড়ে অনুমোদিত ন্যানোপ্রযুক্তি পেটেন্টের মধ্যে চীনের অংশ ৪৩ শতাংশ, যা যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সম্মিলিত সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে।

 

২০০০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বিশ্বে মোট ১০ লাখ ৭০ হাজার পেটেন্ট অনুমোদন হয়, যার মধ্যে ৪ লাখ ৬৪ হাজার পেটেন্ট চীনের। এসব পেটেন্ট প্রধানত সেমিকন্ডাক্টর, ক্যাটালাইটিক কেমিস্ট্রি, বায়োমেডিসিন ও নতুন উপাদান সংক্রান্ত। সেমিকন্ডাক্টরে এগিয়ে আছে বেইজিং, শাংহাই, শেনচেন ও সুচৌ। বায়োমেডিসিনে অগ্রগামী বেইজিং, শাংহাই ও কুয়াংচৌ।

 

চাইনিজ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস এককভাবে বিশ্বে সর্বাধিক ২৩ হাজার ৪০০ পেটেন্টের মালিক। মে ২০২৫ পর্যন্ত চীনে ন্যানোপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৫০০-এর বেশি, কর্মসংস্থান ৯৯ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি।

বিশ্ব ন্যানোপ্রযুক্তি বাজার ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

ন্যানোপ্রযুক্তির পেটেন্টে শীর্ষে চীন

১২:০৯:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ন্যানোপ্রযুক্তি পেটেন্ট সংখ্যায় বিশ্বে শীর্ষে উঠে এসেছে চীন। রোববার প্রকাশিত একটি শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, গত ২৫ বছরে বিশ্বজুড়ে অনুমোদিত ন্যানোপ্রযুক্তি পেটেন্টের মধ্যে চীনের অংশ ৪৩ শতাংশ, যা যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সম্মিলিত সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে।

 

২০০০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বিশ্বে মোট ১০ লাখ ৭০ হাজার পেটেন্ট অনুমোদন হয়, যার মধ্যে ৪ লাখ ৬৪ হাজার পেটেন্ট চীনের। এসব পেটেন্ট প্রধানত সেমিকন্ডাক্টর, ক্যাটালাইটিক কেমিস্ট্রি, বায়োমেডিসিন ও নতুন উপাদান সংক্রান্ত। সেমিকন্ডাক্টরে এগিয়ে আছে বেইজিং, শাংহাই, শেনচেন ও সুচৌ। বায়োমেডিসিনে অগ্রগামী বেইজিং, শাংহাই ও কুয়াংচৌ।

 

চাইনিজ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস এককভাবে বিশ্বে সর্বাধিক ২৩ হাজার ৪০০ পেটেন্টের মালিক। মে ২০২৫ পর্যন্ত চীনে ন্যানোপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৫০০-এর বেশি, কর্মসংস্থান ৯৯ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি।

বিশ্ব ন্যানোপ্রযুক্তি বাজার ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।