০৪:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পটুয়াখালীর বাউফলে ভোটের ঘটনায় প্রতিশোধ এবং ভাঙচুরের মাত্রা বেড়ে গেল

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া পোর্ট এলাকায় শুক্রবার ভোটের প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিশোধ ও ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এই ঘটনা এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করে।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গাজী গিয়াসের অনুসারী যুবদল কর্মী সুজন, আলমিন ও লাঙা মিজান সকাল ৯:১৫ মিনিটের দিকে ভোটের অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে সজ্জাকার ব্যবসায়ী মো. শাহ আলম বিপ্লবের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালান। পরে তারা কাঠ ব্যবসায়ী মো. সেলিমকে মারধর করেন। এই হামলার পর ওই গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে গাজী গিয়াসের বাসায় অবস্থান নেয়।

বাউফলে অফিস ও বসতবাড়িতে হামলা-লুটপাট, আহত ৫

প্রতিক্রিয়ায় জামাত সমর্থিত কর্মী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা গাজী গিয়াসের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও পার্টি কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। অন্তত ১০টি মোটরসাইকেল এবং গিয়াসের বাসার সামনে রাখা একটি ফ্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এর পাশাপাশি পশ্চিম বীরপাশা এলাকার খৈরবাজারে কানকদিয়া ইউনিয়নের ৮টার দিকে জামাত সমর্থিতরা বিএনপি কর্মী আলমগীর গাজী ও সাহাবউদ্দিন সারদাকে পেটাতে আহত করে। তাদের বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

দুপুর ১টার দিকে কেশবপুর ইউনিয়নের মোমিনপুর গ্রামে বিএনপি কর্মী ও সমর্থকেরা জামাত সমর্থক মো. ফিরোজকে মারধর করে আহত করে। ফিরোজকে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

বাউফলে পৃথকস্থান থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার

বাউফল থানার ইনস্পেক্টর (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম জানান, হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তিনি জানান, লিখিত অভিযোগ দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জামাতের বিজয়ী প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, “আমি প্রতিশোধ রাজনীতিকে সমর্থন করি না। অন্যায় সহ্য করা হবে না। কোনো কর্মী বা সমর্থক হামলার সঙ্গে যুক্ত থাকলে দলের ও আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

জনপ্রিয় সংবাদ

পটুয়াখালীর বাউফলে ভোটের ঘটনায় প্রতিশোধ এবং ভাঙচুরের মাত্রা বেড়ে গেল

১২:১৫:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া পোর্ট এলাকায় শুক্রবার ভোটের প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিশোধ ও ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এই ঘটনা এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করে।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গাজী গিয়াসের অনুসারী যুবদল কর্মী সুজন, আলমিন ও লাঙা মিজান সকাল ৯:১৫ মিনিটের দিকে ভোটের অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে সজ্জাকার ব্যবসায়ী মো. শাহ আলম বিপ্লবের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালান। পরে তারা কাঠ ব্যবসায়ী মো. সেলিমকে মারধর করেন। এই হামলার পর ওই গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে গাজী গিয়াসের বাসায় অবস্থান নেয়।

বাউফলে অফিস ও বসতবাড়িতে হামলা-লুটপাট, আহত ৫

প্রতিক্রিয়ায় জামাত সমর্থিত কর্মী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা গাজী গিয়াসের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও পার্টি কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। অন্তত ১০টি মোটরসাইকেল এবং গিয়াসের বাসার সামনে রাখা একটি ফ্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এর পাশাপাশি পশ্চিম বীরপাশা এলাকার খৈরবাজারে কানকদিয়া ইউনিয়নের ৮টার দিকে জামাত সমর্থিতরা বিএনপি কর্মী আলমগীর গাজী ও সাহাবউদ্দিন সারদাকে পেটাতে আহত করে। তাদের বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

দুপুর ১টার দিকে কেশবপুর ইউনিয়নের মোমিনপুর গ্রামে বিএনপি কর্মী ও সমর্থকেরা জামাত সমর্থক মো. ফিরোজকে মারধর করে আহত করে। ফিরোজকে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

বাউফলে পৃথকস্থান থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার

বাউফল থানার ইনস্পেক্টর (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম জানান, হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তিনি জানান, লিখিত অভিযোগ দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জামাতের বিজয়ী প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, “আমি প্রতিশোধ রাজনীতিকে সমর্থন করি না। অন্যায় সহ্য করা হবে না। কোনো কর্মী বা সমর্থক হামলার সঙ্গে যুক্ত থাকলে দলের ও আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”