০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রকে ঘিরে ইডির তল্লাশি

পশ্চিমবঙ্গের বহুল আলোচিত মিউনিসিপ্যাল নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এই মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক ও সাবেক মন্ত্রী মদন মিত্রকে ঘিরে সাতটি স্থানে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাটি।

ইডির অভিযান

শনিবার পরিচালিত এই অভিযানে মদন মিত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ঠিকানায় একযোগে তল্লাশি চালানো হয়। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, মিউনিসিপ্যাল নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন পৌরসভায় চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, এসব ঘুষ নগদ অর্থ ও স্বর্ণের আকারে দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগের কেন্দ্রে নিয়োগ প্রক্রিয়া

ইডির তদন্তে উঠে এসেছে যে, কামারহাটি পৌরসভাসহ বিভিন্ন পৌর প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তদন্তকারীদের মতে, যোগ্যতার ভিত্তিতে নয়, বরং আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার একটি ব্যবস্থা সেখানে কার্যকর ছিল।

তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মদন মিত্রের নাম এই নিয়োগ অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। সংস্থাটির দাবি, তাঁর সঙ্গে ১২৫টিরও বেশি কথিত অবৈধ নিয়োগের যোগসূত্র পাওয়া গেছে।

তদন্ত চলমান

এখনও পর্যন্ত এই মামলায় বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ইডির তল্লাশি অভিযান থেকে কী ধরনের নথি বা প্রমাণ উদ্ধার হয়েছে, সে বিষয়েও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

তবে তদন্তকারীরা বলছেন, অভিযানে সংগ্রহ করা তথ্য ও নথিপত্র বিশ্লেষণের পর মামলার পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে। ফলে পশ্চিমবঙ্গের এই আলোচিত নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিধানসভায় প্রতিনিধিত্বকারী একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনেও নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে এখন নজর সংশ্লিষ্ট মহলগুলোর।

পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রকে ঘিরে ইডির তল্লাশি, তদন্তে ১২৫টিরও বেশি কথিত অবৈধ নিয়োগের অভিযোগ উঠে এসেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রকে ঘিরে ইডির তল্লাশি

০৮:৪৭:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের বহুল আলোচিত মিউনিসিপ্যাল নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এই মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক ও সাবেক মন্ত্রী মদন মিত্রকে ঘিরে সাতটি স্থানে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাটি।

ইডির অভিযান

শনিবার পরিচালিত এই অভিযানে মদন মিত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ঠিকানায় একযোগে তল্লাশি চালানো হয়। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, মিউনিসিপ্যাল নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন পৌরসভায় চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, এসব ঘুষ নগদ অর্থ ও স্বর্ণের আকারে দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগের কেন্দ্রে নিয়োগ প্রক্রিয়া

ইডির তদন্তে উঠে এসেছে যে, কামারহাটি পৌরসভাসহ বিভিন্ন পৌর প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তদন্তকারীদের মতে, যোগ্যতার ভিত্তিতে নয়, বরং আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার একটি ব্যবস্থা সেখানে কার্যকর ছিল।

তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মদন মিত্রের নাম এই নিয়োগ অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। সংস্থাটির দাবি, তাঁর সঙ্গে ১২৫টিরও বেশি কথিত অবৈধ নিয়োগের যোগসূত্র পাওয়া গেছে।

তদন্ত চলমান

এখনও পর্যন্ত এই মামলায় বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ইডির তল্লাশি অভিযান থেকে কী ধরনের নথি বা প্রমাণ উদ্ধার হয়েছে, সে বিষয়েও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

তবে তদন্তকারীরা বলছেন, অভিযানে সংগ্রহ করা তথ্য ও নথিপত্র বিশ্লেষণের পর মামলার পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে। ফলে পশ্চিমবঙ্গের এই আলোচিত নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিধানসভায় প্রতিনিধিত্বকারী একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনেও নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে এখন নজর সংশ্লিষ্ট মহলগুলোর।

পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রকে ঘিরে ইডির তল্লাশি, তদন্তে ১২৫টিরও বেশি কথিত অবৈধ নিয়োগের অভিযোগ উঠে এসেছে।