১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

পাকিস্তানকে বিদায় করে যুব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারত

সুপার সিক্সের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পাকিস্তানকে ৫৮ রানে হারিয়ে যুব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের টিকিট কেটে নিয়েছে ভারত অনূর্ধ্ব–১৯ দল। বুলাওয়ের উইকেটে আগে ব্যাট করে ভারত তোলে ২৫২ রান। জবাবে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৯৪ রানেই গুটিয়ে যায় পাকিস্তান অনূর্ধ্ব–১৯। এই জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ চারে জায়গা নিশ্চিত করে ভারত।
সারাক্ষণ রিপোর্ট

ভারতের ইনিংসে শেষ দিকের দৃঢ়তা

ম্যাচের শুরুতে পাকিস্তানের বোলারদের চাপে পড়ে ভারত দ্রুত উইকেট হারায়। একসময় স্কোর দাঁড়ায় ৪৭ রানে তিন উইকেট। পরে আবার দুইশ রানের ঘর পেরোনোর আগেই পড়ে যায় সাত উইকেট। তবে চাপের মুহূর্তে ভেদান্ত ত্রিবেদীর দায়িত্বশীল ব্যাটিং ভারতকে বড় সংগ্রহের পথে রাখে। তার সঙ্গে নিচের সারির ব্যাটারদের কার্যকর অবদান পাকিস্তানের জন্য ম্যাচ কঠিন করে তোলে। শেষ চার ওভারে ফিল্ডিং সীমাবদ্ধতার সুযোগ নিয়ে ভারত তোলে মূল্যবান রান, যা ম্যাচের ব্যবধান গড়ে দেয়।

লক্ষ্য তাড়ায় পাকিস্তানের ধস

২৫৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা মন্দ ছিল না পাকিস্তানের। উসমান খান ও অধিনায়ক ফারহান ইউসাফের জুটিতে একসময় ম্যাচ তাদের দিকেই ঝুঁকছিল। তবে স্পিন সহায়ক উইকেটে ভারতের নিয়ন্ত্রিত বোলিং ধীরে ধীরে চাপ বাড়াতে থাকে। ফারহান ইউসাফের বিদায়ের পরই ছন্দ হারায় পাকিস্তান। অল্প সময়ের মধ্যেই একের পর এক উইকেট পড়ে যায়, থেমে যায় রান তোলার গতি।

স্পিনারদের দাপটে ভারতের জয়

ভারতের অধিনায়ক আয়ুষ মাথ্রে নিখুঁত লাইন ও লেংথে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন। তার সঙ্গে স্পিন আক্রমণে কার্যকর ভূমিকা রাখেন খিলান প্যাটেল ও কণিষ্ক চৌহান। কঠিন ও অসম বাউন্সের উইকেটে ধৈর্য ধরে বল করে পাকিস্তান ব্যাটিংকে পুরোপুরি ভেঙে দেয় ভারতীয় বোলাররা। শেষ পর্যন্ত ১৯৪ রানেই থামে পাকিস্তানের ইনিংস।

সেমিফাইনালের মঞ্চে ভারত

এই জয়ের ফলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে ভারত অনূর্ধ্ব–১৯। হারারে অনুষ্ঠিতব্য সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব–১৯। অন্যদিকে বোলিং ও ফিল্ডিংয়ে শৃঙ্খলার অভাব এবং ব্যাটিংয়ে সিদ্ধান্তহীনতার খেসারত দিয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হলো পাকিস্তান অনূর্ধ্ব–১৯কে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

পাকিস্তানকে বিদায় করে যুব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারত

১১:৪৫:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সুপার সিক্সের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পাকিস্তানকে ৫৮ রানে হারিয়ে যুব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের টিকিট কেটে নিয়েছে ভারত অনূর্ধ্ব–১৯ দল। বুলাওয়ের উইকেটে আগে ব্যাট করে ভারত তোলে ২৫২ রান। জবাবে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৯৪ রানেই গুটিয়ে যায় পাকিস্তান অনূর্ধ্ব–১৯। এই জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ চারে জায়গা নিশ্চিত করে ভারত।
সারাক্ষণ রিপোর্ট

ভারতের ইনিংসে শেষ দিকের দৃঢ়তা

ম্যাচের শুরুতে পাকিস্তানের বোলারদের চাপে পড়ে ভারত দ্রুত উইকেট হারায়। একসময় স্কোর দাঁড়ায় ৪৭ রানে তিন উইকেট। পরে আবার দুইশ রানের ঘর পেরোনোর আগেই পড়ে যায় সাত উইকেট। তবে চাপের মুহূর্তে ভেদান্ত ত্রিবেদীর দায়িত্বশীল ব্যাটিং ভারতকে বড় সংগ্রহের পথে রাখে। তার সঙ্গে নিচের সারির ব্যাটারদের কার্যকর অবদান পাকিস্তানের জন্য ম্যাচ কঠিন করে তোলে। শেষ চার ওভারে ফিল্ডিং সীমাবদ্ধতার সুযোগ নিয়ে ভারত তোলে মূল্যবান রান, যা ম্যাচের ব্যবধান গড়ে দেয়।

লক্ষ্য তাড়ায় পাকিস্তানের ধস

২৫৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা মন্দ ছিল না পাকিস্তানের। উসমান খান ও অধিনায়ক ফারহান ইউসাফের জুটিতে একসময় ম্যাচ তাদের দিকেই ঝুঁকছিল। তবে স্পিন সহায়ক উইকেটে ভারতের নিয়ন্ত্রিত বোলিং ধীরে ধীরে চাপ বাড়াতে থাকে। ফারহান ইউসাফের বিদায়ের পরই ছন্দ হারায় পাকিস্তান। অল্প সময়ের মধ্যেই একের পর এক উইকেট পড়ে যায়, থেমে যায় রান তোলার গতি।

স্পিনারদের দাপটে ভারতের জয়

ভারতের অধিনায়ক আয়ুষ মাথ্রে নিখুঁত লাইন ও লেংথে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন। তার সঙ্গে স্পিন আক্রমণে কার্যকর ভূমিকা রাখেন খিলান প্যাটেল ও কণিষ্ক চৌহান। কঠিন ও অসম বাউন্সের উইকেটে ধৈর্য ধরে বল করে পাকিস্তান ব্যাটিংকে পুরোপুরি ভেঙে দেয় ভারতীয় বোলাররা। শেষ পর্যন্ত ১৯৪ রানেই থামে পাকিস্তানের ইনিংস।

সেমিফাইনালের মঞ্চে ভারত

এই জয়ের ফলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে ভারত অনূর্ধ্ব–১৯। হারারে অনুষ্ঠিতব্য সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব–১৯। অন্যদিকে বোলিং ও ফিল্ডিংয়ে শৃঙ্খলার অভাব এবং ব্যাটিংয়ে সিদ্ধান্তহীনতার খেসারত দিয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হলো পাকিস্তান অনূর্ধ্ব–১৯কে।