০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

পাকিস্তানের রুদ্ধশ্বাস জয়েও শেষ রক্ষা হলো না, বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ড

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটের শেষ ম্যাচে নাটকীয় লড়াই উপহার দিল পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। পাঁচ রানের রুদ্ধশ্বাস জয় তুলে নিলেও পাকিস্তানের ভাগ্য বদলায়নি। একই সঙ্গে নিশ্চিত হয়ে গেছে নিউজিল্যান্ডের সেমিফাইনাল যাত্রা।

এই জয়ে স্বস্তি মিললেও টুর্নামেন্ট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিতে হয়েছে পাকিস্তানকে। আগেই সেমিফাইনালের দৌড় থেকে ছিটকে পড়েছিল স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। ফলে ম্যাচটি পরিণত হয়েছিল সম্মান রক্ষার লড়াই ও শেষ আশার সমীকরণে।

কঠিন সমীকরণে নেমেছিল পাকিস্তান

ম্যাচের আগে পাকিস্তানের সামনে ছিল অসম্ভব প্রায় এক সমীকরণ। নিউজিল্যান্ডের চেয়ে নেট রানরেটে এগোতে হলে শ্রীলঙ্কাকে অন্তত ৬৪ রানের বিশাল ব্যবধানে হারাতে হতো তাদের। সেই লক্ষ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নেয় দলটি। নিয়মিত দুই তারকা ব্যাটারকে বাইরে রেখে আক্রমণাত্মক কৌশল গ্রহণ করে পাকিস্তান।

টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ২১২ রান তোলে পাকিস্তান। ইনিংসের কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন ম্যাচসেরা সাহিবজাদা ফারহান। ৬০ বলে ঝড়ো ১০০ রান করে তিনি গড়েন রেকর্ড। ওপেনিং জুটিতে ফখর জামানের সঙ্গে তার ১৭৬ রানের জুটি শ্রীলঙ্কার বোলিংকে কার্যত ভেঙে দেয়।

মাঝপথেই ভেঙে যায় স্বপ্ন

সেমিফাইনালের আশা টিকিয়ে রাখতে পাকিস্তানের বোলারদের শ্রীলঙ্কাকে ১৪৭ রানের মধ্যে আটকে রাখতে হতো। শুরুটা আশাব্যঞ্জকই ছিল। আবরার আহমেদ ও নাসিম শাহ দ্রুত উইকেট তুলে চাপ তৈরি করেন।

কিন্তু ১৫তম ওভারেই সব হিসাব বদলে যায়। পবন রত্নায়েকে ও দাসুন শানাকা পাল্টা আক্রমণে নামেন। রত্নায়েকে করেন ৫৮ রান। দলকে ১৪৮ রানের গণ্ডি পার করিয়ে দেন তারা। সেখানেই কার্যত শেষ হয়ে যায় পাকিস্তানের সেমিফাইনাল স্বপ্ন।

শেষ ওভারে রুদ্ধশ্বাস নাটক

তবু ম্যাচের উত্তেজনা থামেনি। জয়ের লক্ষ্যে এগোতে থাকে শ্রীলঙ্কা। শেষ ওভারে দরকার ছিল ২৮ রান। বল হাতে ছিলেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। শানাকা টানা তিনটি ছক্কা হাঁকিয়ে সমীকরণ নামিয়ে আনেন ২ বলে ৬ রানে।

গ্যালারি তখন উত্তেজনায় টগবগ করছে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে স্নায়ুচাপ সামলে টানা দুটি ডট বল করেন আফ্রিদি। শ্রীলঙ্কা থামে ৬ উইকেটে ২০৭ রানে। পাঁচ রানের জয়ে ম্যাচ জিতে নেয় পাকিস্তান।

নিউজিল্যান্ডের সেমিফাইনাল নিশ্চিত

এই ফলাফলে গ্রুপ থেকে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয় নিউজিল্যান্ড। পাকিস্তানের শেষ মুহূর্তের ঝলকানি ও রেকর্ড গড়া ব্যাটিংও তাদের আগের ব্যর্থতা ঢাকতে পারেনি। একইভাবে শ্রীলঙ্কাও বিদায় নেয় সুপার এইট থেকেই।

দুই দলের বিদায়ে শেষ চারের লড়াইয়ে এগিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড, আর পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কাকে এবার দর্শক হয়েই দেখতে হবে বাকি টুর্নামেন্ট।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

পাকিস্তানের রুদ্ধশ্বাস জয়েও শেষ রক্ষা হলো না, বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ড

০৪:৩৯:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটের শেষ ম্যাচে নাটকীয় লড়াই উপহার দিল পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। পাঁচ রানের রুদ্ধশ্বাস জয় তুলে নিলেও পাকিস্তানের ভাগ্য বদলায়নি। একই সঙ্গে নিশ্চিত হয়ে গেছে নিউজিল্যান্ডের সেমিফাইনাল যাত্রা।

এই জয়ে স্বস্তি মিললেও টুর্নামেন্ট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিতে হয়েছে পাকিস্তানকে। আগেই সেমিফাইনালের দৌড় থেকে ছিটকে পড়েছিল স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। ফলে ম্যাচটি পরিণত হয়েছিল সম্মান রক্ষার লড়াই ও শেষ আশার সমীকরণে।

কঠিন সমীকরণে নেমেছিল পাকিস্তান

ম্যাচের আগে পাকিস্তানের সামনে ছিল অসম্ভব প্রায় এক সমীকরণ। নিউজিল্যান্ডের চেয়ে নেট রানরেটে এগোতে হলে শ্রীলঙ্কাকে অন্তত ৬৪ রানের বিশাল ব্যবধানে হারাতে হতো তাদের। সেই লক্ষ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নেয় দলটি। নিয়মিত দুই তারকা ব্যাটারকে বাইরে রেখে আক্রমণাত্মক কৌশল গ্রহণ করে পাকিস্তান।

টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ২১২ রান তোলে পাকিস্তান। ইনিংসের কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন ম্যাচসেরা সাহিবজাদা ফারহান। ৬০ বলে ঝড়ো ১০০ রান করে তিনি গড়েন রেকর্ড। ওপেনিং জুটিতে ফখর জামানের সঙ্গে তার ১৭৬ রানের জুটি শ্রীলঙ্কার বোলিংকে কার্যত ভেঙে দেয়।

মাঝপথেই ভেঙে যায় স্বপ্ন

সেমিফাইনালের আশা টিকিয়ে রাখতে পাকিস্তানের বোলারদের শ্রীলঙ্কাকে ১৪৭ রানের মধ্যে আটকে রাখতে হতো। শুরুটা আশাব্যঞ্জকই ছিল। আবরার আহমেদ ও নাসিম শাহ দ্রুত উইকেট তুলে চাপ তৈরি করেন।

কিন্তু ১৫তম ওভারেই সব হিসাব বদলে যায়। পবন রত্নায়েকে ও দাসুন শানাকা পাল্টা আক্রমণে নামেন। রত্নায়েকে করেন ৫৮ রান। দলকে ১৪৮ রানের গণ্ডি পার করিয়ে দেন তারা। সেখানেই কার্যত শেষ হয়ে যায় পাকিস্তানের সেমিফাইনাল স্বপ্ন।

শেষ ওভারে রুদ্ধশ্বাস নাটক

তবু ম্যাচের উত্তেজনা থামেনি। জয়ের লক্ষ্যে এগোতে থাকে শ্রীলঙ্কা। শেষ ওভারে দরকার ছিল ২৮ রান। বল হাতে ছিলেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। শানাকা টানা তিনটি ছক্কা হাঁকিয়ে সমীকরণ নামিয়ে আনেন ২ বলে ৬ রানে।

গ্যালারি তখন উত্তেজনায় টগবগ করছে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে স্নায়ুচাপ সামলে টানা দুটি ডট বল করেন আফ্রিদি। শ্রীলঙ্কা থামে ৬ উইকেটে ২০৭ রানে। পাঁচ রানের জয়ে ম্যাচ জিতে নেয় পাকিস্তান।

নিউজিল্যান্ডের সেমিফাইনাল নিশ্চিত

এই ফলাফলে গ্রুপ থেকে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয় নিউজিল্যান্ড। পাকিস্তানের শেষ মুহূর্তের ঝলকানি ও রেকর্ড গড়া ব্যাটিংও তাদের আগের ব্যর্থতা ঢাকতে পারেনি। একইভাবে শ্রীলঙ্কাও বিদায় নেয় সুপার এইট থেকেই।

দুই দলের বিদায়ে শেষ চারের লড়াইয়ে এগিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড, আর পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কাকে এবার দর্শক হয়েই দেখতে হবে বাকি টুর্নামেন্ট।