০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

পাকিস্তানে ভারী বৃষ্টিতে ঘরের ছাদ ধসে নিহত ১১, অধিকাংশই নারী ও শিশু

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে টানা ভারী বৃষ্টিতে একটি কাঁচা ইটের বাড়ির ছাদ ধসে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। মঙ্গলবার দেশটির পুলিশ ও উদ্ধার কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কোহাট জেলায় রাতের বেলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রাদেশিক জরুরি সেবা বিভাগের মুখপাত্র বিলাল ফয়েজি জানান, প্রবল বর্ষণের কারণে কাঁচা ইটের তৈরি বাড়িটির ছাদ ধসে পড়ে। খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে, যাতে তাদের দাফনের ব্যবস্থা করা যায়।

উত্তরাঞ্চলেও বৃষ্টির তাণ্ডব

এদিকে, সোমবার পাকিস্তানের গিলগিট-বালতিস্তান অঞ্চলেও মৌসুমি ভারী বৃষ্টিতে একাধিক ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। আঞ্চলিক জরুরি সেবা বিভাগ জানিয়েছে, ভূমিধসে বেশ কয়েকটি সড়ক বন্ধ হয়ে গেছে এবং অনেক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশটির কর্তৃপক্ষ পর্যটকদের উত্তর পাকিস্তানে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে। কারণ, সেখানে ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

প্রতি বছরই বাড়ে দুর্যোগের ঝুঁকি

পাকিস্তানে প্রতিবছর মৌসুমি বৃষ্টিপাতের সময় ভারী বর্ষণ দেখা যায়। এসব বৃষ্টির কারণে প্রায়ই বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটে, যাতে প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে দেশটি।

২০২২ সালে রেকর্ড পরিমাণ মৌসুমি বৃষ্টিপাত ও ভয়াবহ বন্যায় পাকিস্তানের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। সেই দুর্যোগে ১ হাজার ৭৩৯ জনের মৃত্যু হয় এবং প্রায় ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়, যা দেশটির ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় হিসেবে বিবেচিত।

পাকিস্তানে ভারী বৃষ্টিতে কোহাটে বাড়ির ছাদ ধসে ১১ জন নিহত। একই সময়ে উত্তরাঞ্চলে ভূমিধসে সড়ক বন্ধ ও বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

পাকিস্তানে ভারী বৃষ্টিতে ঘরের ছাদ ধসে নিহত ১১, অধিকাংশই নারী ও শিশু

০৫:২৬:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে টানা ভারী বৃষ্টিতে একটি কাঁচা ইটের বাড়ির ছাদ ধসে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। মঙ্গলবার দেশটির পুলিশ ও উদ্ধার কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কোহাট জেলায় রাতের বেলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রাদেশিক জরুরি সেবা বিভাগের মুখপাত্র বিলাল ফয়েজি জানান, প্রবল বর্ষণের কারণে কাঁচা ইটের তৈরি বাড়িটির ছাদ ধসে পড়ে। খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে, যাতে তাদের দাফনের ব্যবস্থা করা যায়।

উত্তরাঞ্চলেও বৃষ্টির তাণ্ডব

এদিকে, সোমবার পাকিস্তানের গিলগিট-বালতিস্তান অঞ্চলেও মৌসুমি ভারী বৃষ্টিতে একাধিক ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। আঞ্চলিক জরুরি সেবা বিভাগ জানিয়েছে, ভূমিধসে বেশ কয়েকটি সড়ক বন্ধ হয়ে গেছে এবং অনেক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশটির কর্তৃপক্ষ পর্যটকদের উত্তর পাকিস্তানে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে। কারণ, সেখানে ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

প্রতি বছরই বাড়ে দুর্যোগের ঝুঁকি

পাকিস্তানে প্রতিবছর মৌসুমি বৃষ্টিপাতের সময় ভারী বর্ষণ দেখা যায়। এসব বৃষ্টির কারণে প্রায়ই বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটে, যাতে প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে দেশটি।

২০২২ সালে রেকর্ড পরিমাণ মৌসুমি বৃষ্টিপাত ও ভয়াবহ বন্যায় পাকিস্তানের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। সেই দুর্যোগে ১ হাজার ৭৩৯ জনের মৃত্যু হয় এবং প্রায় ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়, যা দেশটির ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় হিসেবে বিবেচিত।

পাকিস্তানে ভারী বৃষ্টিতে কোহাটে বাড়ির ছাদ ধসে ১১ জন নিহত। একই সময়ে উত্তরাঞ্চলে ভূমিধসে সড়ক বন্ধ ও বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।