০৫:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

পালা ও লোক গানে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন মুক্তা সরকার

  • Sarakhon Report
  • ০১:০০:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুন ২০২৪
  • 191

সারাক্ষণ প্রতিবেদক

বাংলাদেশের আনাচে কানাচে পালা ও লোক গানে বিগত দেড় দশক ধরে যে শিল্পী গান শুনিয়ে মুগ্ধতা ছড়িয়ে আসছেন তিনি মুক্তা সরকার। পালা ও লোকগানে অর্থাৎ শরীয়তী-মারফতি গানে মুক্তা সাহা’র এতোটাই চাহিদা যে গত বছর স্টেজ মৌসুমের মুহুর্তে অক্টোবরের শেষ দিন মুক্তা সাহা তার ফেসবুকে নভেম্বর মাসজুড়ে তার গান করার সিডিউলটা প্রকাশ করেছিলেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নাম সেই লিস্ট-এ তারিখ’সহ উল্লেখ ছিলো।

মুক্তা সরকারের মিষ্টি দরদী কন্ঠ একবার যে এলাকার গান পাগল শ্রোতা দর্শক উপভোগ করেছেন, বারবার তারা তাকে নিমন্ত্রণ জানাতে চান তাদের এলাকায়। মুক্তা সরকারের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার মতলবের ষাটনলে। তার বাবা হযরত আলী সরকার গান করতেন। তার মা আরিফ বেগমও টুকটাক গান করতেন। তবে মুক্তার নানান সিদ্দিক ও মুক্তার বাবার আগ্রহেই মূলত মুক্তা সরকারের গানে প্রবল আগ্রহ তৈরী হয়। মতলবে গানের যে উৎসব হতো সেখানে গিয়েই মূলত গানের প্রতি মুক্তার প্রবল আগ্রহ জন্মায়। মুক্তার শিক্ষা গুরু হলেন আকলিাম বেগম ও আলেয়া বেগম।

তরঙ্গ ব্যানার থেকে মনির হোসেনের সঙ্গীতে মুক্তার প্রথম অ্যালবাম ‘জ্বালায় জ্বালায অঙ্গ জ্বলে’ অ্যালবামটি প্রকাশিত হয়। এরপর দুই শতাধিক গানের অ্যালবাম তার প্রকাশিত হয়েছে। এদিকে গত  রোববার সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হলো ‘লোক কাব্যের সুরধারা’ অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানে মূলত একটি গান গাইবার কথা ছিলো মুক্তা সরকারের। তিনি উপস্থিত সকল দর্শকের জন্য প্রথম সাধক রশিকের ‘সুরের মায়ায় হৃদ মোহনায় জাগাইও ঊষার আলো’ গানটি পরিবেশন করার পর উচ্ছ্বসিত শ্রোতা দর্শক আরো একটি গান করার অনুরোধ করেন।

এরপর মুক্তা সাধক চাঁন মিয়া বয়াতীর ‘তুমি ডাক দিলে অবলার পানে চাইও’ গানটি পরিবেশন করেন। গানটি পরিবেশনের সময় সকল উপস্থিত শ্রোতা দর্শক ভীষণ মুগ্ধতা নিয়ে মুক্তার গান উপভোগ করেন। বাংলাদেশে মুক্তার অনেক প্রিয় শিল্পী রয়েছে। তবে মায়ের আদর স্নেহে তাকে যিনি আগলে রাখেন তিনি হলেন বাউল সম্রাজ্ঞী মমতাজ।

মমতাজ তাকে অনেক স্টেজ শো’তে সঙ্গে নিয়েছেন। মুক্তা সরকার বলেন, ‘আমি মহান আল্লাহর কাছে জীবনে যা চেয়েছি তার চেয়ে বেশি পেয়েছি। আমি তাতেই সন্তুষ্ট। বাংলাদেশের আনাচে কানাচে শ্রোতা দর্শকেরা আমার গান প্রবল আগ্রহ নিয়ে শোনেন, এটাইতো জীবনের অনেক বড় প্রাপ্তি। শ্রোতাদের ভালোবাসাকে সঙ্গী করেই আগামী দিনগুলোতে গান করে যেতে চাই। ’

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

পালা ও লোক গানে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন মুক্তা সরকার

০১:০০:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুন ২০২৪

সারাক্ষণ প্রতিবেদক

বাংলাদেশের আনাচে কানাচে পালা ও লোক গানে বিগত দেড় দশক ধরে যে শিল্পী গান শুনিয়ে মুগ্ধতা ছড়িয়ে আসছেন তিনি মুক্তা সরকার। পালা ও লোকগানে অর্থাৎ শরীয়তী-মারফতি গানে মুক্তা সাহা’র এতোটাই চাহিদা যে গত বছর স্টেজ মৌসুমের মুহুর্তে অক্টোবরের শেষ দিন মুক্তা সাহা তার ফেসবুকে নভেম্বর মাসজুড়ে তার গান করার সিডিউলটা প্রকাশ করেছিলেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নাম সেই লিস্ট-এ তারিখ’সহ উল্লেখ ছিলো।

মুক্তা সরকারের মিষ্টি দরদী কন্ঠ একবার যে এলাকার গান পাগল শ্রোতা দর্শক উপভোগ করেছেন, বারবার তারা তাকে নিমন্ত্রণ জানাতে চান তাদের এলাকায়। মুক্তা সরকারের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার মতলবের ষাটনলে। তার বাবা হযরত আলী সরকার গান করতেন। তার মা আরিফ বেগমও টুকটাক গান করতেন। তবে মুক্তার নানান সিদ্দিক ও মুক্তার বাবার আগ্রহেই মূলত মুক্তা সরকারের গানে প্রবল আগ্রহ তৈরী হয়। মতলবে গানের যে উৎসব হতো সেখানে গিয়েই মূলত গানের প্রতি মুক্তার প্রবল আগ্রহ জন্মায়। মুক্তার শিক্ষা গুরু হলেন আকলিাম বেগম ও আলেয়া বেগম।

তরঙ্গ ব্যানার থেকে মনির হোসেনের সঙ্গীতে মুক্তার প্রথম অ্যালবাম ‘জ্বালায় জ্বালায অঙ্গ জ্বলে’ অ্যালবামটি প্রকাশিত হয়। এরপর দুই শতাধিক গানের অ্যালবাম তার প্রকাশিত হয়েছে। এদিকে গত  রোববার সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হলো ‘লোক কাব্যের সুরধারা’ অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানে মূলত একটি গান গাইবার কথা ছিলো মুক্তা সরকারের। তিনি উপস্থিত সকল দর্শকের জন্য প্রথম সাধক রশিকের ‘সুরের মায়ায় হৃদ মোহনায় জাগাইও ঊষার আলো’ গানটি পরিবেশন করার পর উচ্ছ্বসিত শ্রোতা দর্শক আরো একটি গান করার অনুরোধ করেন।

এরপর মুক্তা সাধক চাঁন মিয়া বয়াতীর ‘তুমি ডাক দিলে অবলার পানে চাইও’ গানটি পরিবেশন করেন। গানটি পরিবেশনের সময় সকল উপস্থিত শ্রোতা দর্শক ভীষণ মুগ্ধতা নিয়ে মুক্তার গান উপভোগ করেন। বাংলাদেশে মুক্তার অনেক প্রিয় শিল্পী রয়েছে। তবে মায়ের আদর স্নেহে তাকে যিনি আগলে রাখেন তিনি হলেন বাউল সম্রাজ্ঞী মমতাজ।

মমতাজ তাকে অনেক স্টেজ শো’তে সঙ্গে নিয়েছেন। মুক্তা সরকার বলেন, ‘আমি মহান আল্লাহর কাছে জীবনে যা চেয়েছি তার চেয়ে বেশি পেয়েছি। আমি তাতেই সন্তুষ্ট। বাংলাদেশের আনাচে কানাচে শ্রোতা দর্শকেরা আমার গান প্রবল আগ্রহ নিয়ে শোনেন, এটাইতো জীবনের অনেক বড় প্রাপ্তি। শ্রোতাদের ভালোবাসাকে সঙ্গী করেই আগামী দিনগুলোতে গান করে যেতে চাই। ’