০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-২)

অজিত নাথ ভট্টাচার্য

১৯৩০ সালে আইন অমান্য আন্দোলন শুরু হলো। ঢাকায়ও তা ছড়িয়ে পড়ে। সভা সমাবেশ পিকেটিং চলতে থকে। ২১ জুলাই কার্জন হলের সামনে এরকম পিকেটিং চলাকালে ঢাকার পুলিশ কর্তা হাডসনের নেতৃত্বে পুলিশ পিকেটারদের ঘিরে ফেলে। কার্জন হল থেকে বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু তা দেখছিলেন।

একসময় এক সার্জেন্ট এসে তাঁর কাছে ভিসি কোথায় জানতে চায়। বসু জানান তাঁর কার্যালয়ে। ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনিতে চারদিক মুখরিত হয়ে ওঠে। সত্যেন্দ্রনাথ কার্জন হলের ফটক খুলে দিতে বলেন। ফটক খুলে দিলে ছাত্ররা সেখানে প্রবেশকালীন হাডসনের পুলিশ বাহিনী লাঠিচার্জ শুরু করে।

এইদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে এসেছিলেন অজিত নাথ ভট্টাচার্য। পুলিশ তাঁকে বেধড়ক পেটায়। তাঁকে হাসপাতালে নেয়া হলে তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর পোস্টমর্টেম ও দাহের ভার দেওয়া হয়েছিল আরেক ছাত্র বিনয় কৃষ্ণ রায়ের ওপর। এর একমাস পর বিপ্লবী দলের সদস্য বিনয় মিটফোর্ড হাসপাতালে হাডসনকে গুলি করেন, হাডসন বেঁচে যান। অজিত নাথকে বলা যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শহীদ।

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-২)

০৭:০০:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ জুন ২০২৫

অজিত নাথ ভট্টাচার্য

১৯৩০ সালে আইন অমান্য আন্দোলন শুরু হলো। ঢাকায়ও তা ছড়িয়ে পড়ে। সভা সমাবেশ পিকেটিং চলতে থকে। ২১ জুলাই কার্জন হলের সামনে এরকম পিকেটিং চলাকালে ঢাকার পুলিশ কর্তা হাডসনের নেতৃত্বে পুলিশ পিকেটারদের ঘিরে ফেলে। কার্জন হল থেকে বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু তা দেখছিলেন।

একসময় এক সার্জেন্ট এসে তাঁর কাছে ভিসি কোথায় জানতে চায়। বসু জানান তাঁর কার্যালয়ে। ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনিতে চারদিক মুখরিত হয়ে ওঠে। সত্যেন্দ্রনাথ কার্জন হলের ফটক খুলে দিতে বলেন। ফটক খুলে দিলে ছাত্ররা সেখানে প্রবেশকালীন হাডসনের পুলিশ বাহিনী লাঠিচার্জ শুরু করে।

এইদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে এসেছিলেন অজিত নাথ ভট্টাচার্য। পুলিশ তাঁকে বেধড়ক পেটায়। তাঁকে হাসপাতালে নেয়া হলে তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর পোস্টমর্টেম ও দাহের ভার দেওয়া হয়েছিল আরেক ছাত্র বিনয় কৃষ্ণ রায়ের ওপর। এর একমাস পর বিপ্লবী দলের সদস্য বিনয় মিটফোর্ড হাসপাতালে হাডসনকে গুলি করেন, হাডসন বেঁচে যান। অজিত নাথকে বলা যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শহীদ।

(চলবে)