১০:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আমেরিকা আসলে কতটা সমাজতন্ত্র গ্রহণ করতে প্রস্তুত? নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প

প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বেঁচে থাকবে: হাইক‌মিশনার

  • Sarakhon Report
  • ০২:৪১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মার্চ ২০২৪
  • 244

সারাক্ষণ ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম আল্লামা সিদ্দিকী বলেছেন, বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থের বিষয়ে বঙ্গবন্ধু কখনও আপস করেননি। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বেঁচে থাকবে।

রোববার (১৭ মার্চ) অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ হাইক‌মিশনে জাতীয় শিশু দিবস পালন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন হাইক‌মিশনার।

হাইকমিশনার বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও সংগ্রামের পরিণতি স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু তার সাহস ও দূরদর্শিতার মাধ্যমে সমগ্র জাতিকে সংগঠিত ও স্বাধীনতার জন্য প্রস্তুত করেন।

তি‌নি বলেন, দেশে-বিদেশে শিশু-কিশোরদের মাঝে দেশের সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে হবে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশন রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। এতে দেশ‌টির রাজধানী ক্যানবেরাসহ বিভিন্ন রাজ্যের শিশু-কিশোররা অংশগ্রহণ করে।

শিশু দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনে শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ সময় শিশু-কিশোরদের নিয়ে কেক কাটেন এবং তাদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন হাইকমিশনার এম আল্লামা সিদ্দিকী।

এছাড়া বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং বঙ্গবন্ধুর জীবন ও দর্শনের ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

দিবসটি উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর আত্মার মাগফিরাত ও বাংলাদেশের উত্তরোত্তর উন্নতি কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত এবং নিজ নিজ ধর্মমতে মৌন প্রার্থনা করা হয়। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।

এর আগে, হাইকমিশনার জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এসব অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশি, বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

আমেরিকা আসলে কতটা সমাজতন্ত্র গ্রহণ করতে প্রস্তুত?

প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বেঁচে থাকবে: হাইক‌মিশনার

০২:৪১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মার্চ ২০২৪

সারাক্ষণ ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম আল্লামা সিদ্দিকী বলেছেন, বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থের বিষয়ে বঙ্গবন্ধু কখনও আপস করেননি। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বেঁচে থাকবে।

রোববার (১৭ মার্চ) অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ হাইক‌মিশনে জাতীয় শিশু দিবস পালন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন হাইক‌মিশনার।

হাইকমিশনার বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও সংগ্রামের পরিণতি স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু তার সাহস ও দূরদর্শিতার মাধ্যমে সমগ্র জাতিকে সংগঠিত ও স্বাধীনতার জন্য প্রস্তুত করেন।

তি‌নি বলেন, দেশে-বিদেশে শিশু-কিশোরদের মাঝে দেশের সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে হবে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশন রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। এতে দেশ‌টির রাজধানী ক্যানবেরাসহ বিভিন্ন রাজ্যের শিশু-কিশোররা অংশগ্রহণ করে।

শিশু দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনে শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ সময় শিশু-কিশোরদের নিয়ে কেক কাটেন এবং তাদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন হাইকমিশনার এম আল্লামা সিদ্দিকী।

এছাড়া বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং বঙ্গবন্ধুর জীবন ও দর্শনের ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

দিবসটি উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর আত্মার মাগফিরাত ও বাংলাদেশের উত্তরোত্তর উন্নতি কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত এবং নিজ নিজ ধর্মমতে মৌন প্রার্থনা করা হয়। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।

এর আগে, হাইকমিশনার জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এসব অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশি, বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।