০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৪৬)

অচল সিকি

তোমার মতো মুরোদের মানুষ গাঁ-গেরামের কুমড়ো ক্ষেতে কতো কাত হয়ে পড়ে আছে, দেখোগে-‘

‘আমার মতো মাসে দেড়শো টাকার সিগ্রেটখানেওলা একটাও দেখাতে পারবে?’

‘ইশ। ভারি গর্বের কথা আর কি! যার নেই উত্তরপূর্ব, তার মনে সদাই সুখ। তোমার চেয়ে যেকোনো সাধারণ পানবিড়িওলা বেশি রোজগার করে তা মনে রেখো। নেশাখুরির কথা শুনলে পিত্তি জ্বলে যায়।’

‘আহা আমি তো আর অস্বীকার করছি না। তোমার জন্যে আমার পানবিড়িওলা হয়ে জন্মানোই উচিত ছিলো।’

‘জন্মোছো কসাই হয়ে-‘

‘গরু-ছাগলের সঙ্গে সম্পর্ক।’

‘দ্যাখো, মুখ সামলে কথা বোলো!’

‘কেন, মারবে নাকি?’

‘শুধু বাজে কথা, শুধু বাজে কথা! আমাকে তো এখনো চেনোনি, আমি সব পারি-‘

‘তা পারো।’

‘তা পারো, মানে?’

‘জঘন্য কথা আমার ঠোঁটে আসে না রানী?’

‘মাগো!’

‘আমি ভদ্রঘরের সন্তান, অর্থাৎ এনামুল সৈয়দ, অর্থাৎ-‘

‘অর্থাৎ- ফর্থাৎ বুঝি না, সন্দেহ আছে তোমার সৈয়দে! সন্দেহ আছে বলেই শেষে লেখো। এরকম লোকের ঘর করা শক্ত, অতিষ্ঠ করে তুলেছে, বাবারে বাবা, ঢাকায় ফিরেই আমি ডাইভোর্স নেবো।’

‘তবু ভালো, নেবে-‘

‘দেবো!’

‘চেষ্টা করে দেখলে খুশি হবো!’

‘বেশ, খুশি হয়ো!’

এনামুল এবার ওর একটা হাত ধরলো, বুঝলো বেশি হয়ে যাচ্ছে; স্ত্রীলোকের মেজাজ, এর চেয়ে কাচের পিরিচ নিয়ে খেলা অনেক সুবিধের, অনেক কম ভয়ের। বললে, ‘সত্যি বলছি, রাগলে অদ্ভুত লাগে তোমাকে। মুখের চেহারা ভোজবাজির মতো পাল্টে গেছে! আহা এই রঙ যদি সবসময় থাকতো।’

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৪৬)

১২:০০:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫

অচল সিকি

তোমার মতো মুরোদের মানুষ গাঁ-গেরামের কুমড়ো ক্ষেতে কতো কাত হয়ে পড়ে আছে, দেখোগে-‘

‘আমার মতো মাসে দেড়শো টাকার সিগ্রেটখানেওলা একটাও দেখাতে পারবে?’

‘ইশ। ভারি গর্বের কথা আর কি! যার নেই উত্তরপূর্ব, তার মনে সদাই সুখ। তোমার চেয়ে যেকোনো সাধারণ পানবিড়িওলা বেশি রোজগার করে তা মনে রেখো। নেশাখুরির কথা শুনলে পিত্তি জ্বলে যায়।’

‘আহা আমি তো আর অস্বীকার করছি না। তোমার জন্যে আমার পানবিড়িওলা হয়ে জন্মানোই উচিত ছিলো।’

‘জন্মোছো কসাই হয়ে-‘

‘গরু-ছাগলের সঙ্গে সম্পর্ক।’

‘দ্যাখো, মুখ সামলে কথা বোলো!’

‘কেন, মারবে নাকি?’

‘শুধু বাজে কথা, শুধু বাজে কথা! আমাকে তো এখনো চেনোনি, আমি সব পারি-‘

‘তা পারো।’

‘তা পারো, মানে?’

‘জঘন্য কথা আমার ঠোঁটে আসে না রানী?’

‘মাগো!’

‘আমি ভদ্রঘরের সন্তান, অর্থাৎ এনামুল সৈয়দ, অর্থাৎ-‘

‘অর্থাৎ- ফর্থাৎ বুঝি না, সন্দেহ আছে তোমার সৈয়দে! সন্দেহ আছে বলেই শেষে লেখো। এরকম লোকের ঘর করা শক্ত, অতিষ্ঠ করে তুলেছে, বাবারে বাবা, ঢাকায় ফিরেই আমি ডাইভোর্স নেবো।’

‘তবু ভালো, নেবে-‘

‘দেবো!’

‘চেষ্টা করে দেখলে খুশি হবো!’

‘বেশ, খুশি হয়ো!’

এনামুল এবার ওর একটা হাত ধরলো, বুঝলো বেশি হয়ে যাচ্ছে; স্ত্রীলোকের মেজাজ, এর চেয়ে কাচের পিরিচ নিয়ে খেলা অনেক সুবিধের, অনেক কম ভয়ের। বললে, ‘সত্যি বলছি, রাগলে অদ্ভুত লাগে তোমাকে। মুখের চেহারা ভোজবাজির মতো পাল্টে গেছে! আহা এই রঙ যদি সবসময় থাকতো।’