০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেকোনো সময় ভারত সফরে যেতে পারেন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেকোনো সময় ভারত সফরে যেতে পারেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

ভারতের আমন্ত্রণ, যেকোনো সময় সফর

জাহেদ উর রহমান বলেন, বিমসটেকের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এর পাশাপাশি ভারত সরকার আলাদাভাবেও প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। ফলে প্রধানমন্ত্রী যেকোনো সময় ভারত সফরে যেতে পারেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, বন্ধু পরিবর্তন করা সম্ভব হলেও প্রতিবেশী পরিবর্তন করা যায় না। দুই দেশের সম্পর্ককে সামনে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এই বাস্তবতাকে বিবেচনায় রাখা হবে বলেও জানান তিনি।

গোয়েন্দা পর্যায়ে যোগাযোগ

দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে যোগাযোগ ও আলোচনা হতে পারে বলেও প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান তথ্য উপদেষ্টা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইংয়ের একজন প্রতিনিধি ইতোমধ্যে ঢাকায় এসেছেন।

দুই দেশের গোয়েন্দা প্রধানদের মধ্যে বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানান তিনি। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানের বাংলাদেশ সফরকে গোপন কোনো বিষয় নয় বলেও মন্তব্য করেন জাহেদ উর রহমান।

সমতার ভিত্তিতে নতুন সম্পর্কের বার্তা

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক নতুন করে গড়ে তোলা হবে বলে জানান তথ্য উপদেষ্টা। তিনি বলেন, গত ১৭ বছর যেভাবে দুই দেশের সম্পর্ক পরিচালিত হয়েছে, ভবিষ্যতে তার বাইরে গিয়ে সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শেখ হাসিনা সরকারের সময়ের মতো ভারতের কোনো সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি। তার মতে, এখন থেকে দুই দেশের বিষয়গুলো স্বাধীন, সার্বভৌম ও আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।

এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর দুই দেশের সম্পর্কের নতুন কাঠামো নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ হতে পারে বলে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেকোনো সময় ভারত সফরে যেতে পারেন

০৬:০৭:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেকোনো সময় ভারত সফরে যেতে পারেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

ভারতের আমন্ত্রণ, যেকোনো সময় সফর

জাহেদ উর রহমান বলেন, বিমসটেকের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এর পাশাপাশি ভারত সরকার আলাদাভাবেও প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। ফলে প্রধানমন্ত্রী যেকোনো সময় ভারত সফরে যেতে পারেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, বন্ধু পরিবর্তন করা সম্ভব হলেও প্রতিবেশী পরিবর্তন করা যায় না। দুই দেশের সম্পর্ককে সামনে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এই বাস্তবতাকে বিবেচনায় রাখা হবে বলেও জানান তিনি।

গোয়েন্দা পর্যায়ে যোগাযোগ

দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে যোগাযোগ ও আলোচনা হতে পারে বলেও প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান তথ্য উপদেষ্টা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইংয়ের একজন প্রতিনিধি ইতোমধ্যে ঢাকায় এসেছেন।

দুই দেশের গোয়েন্দা প্রধানদের মধ্যে বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানান তিনি। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানের বাংলাদেশ সফরকে গোপন কোনো বিষয় নয় বলেও মন্তব্য করেন জাহেদ উর রহমান।

সমতার ভিত্তিতে নতুন সম্পর্কের বার্তা

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক নতুন করে গড়ে তোলা হবে বলে জানান তথ্য উপদেষ্টা। তিনি বলেন, গত ১৭ বছর যেভাবে দুই দেশের সম্পর্ক পরিচালিত হয়েছে, ভবিষ্যতে তার বাইরে গিয়ে সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শেখ হাসিনা সরকারের সময়ের মতো ভারতের কোনো সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি। তার মতে, এখন থেকে দুই দেশের বিষয়গুলো স্বাধীন, সার্বভৌম ও আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।

এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর দুই দেশের সম্পর্কের নতুন কাঠামো নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ হতে পারে বলে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।