১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

প্রশান্ত মহাসাগরে চীনের সামরিক উপস্থিতি নিয়ে জল্পনা, ‘কোনো দেশের বিরুদ্ধে নয়’ বেইজিং

প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হলেও বেইজিং স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তাদের সামরিক উন্নয়ন কোনো নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করে নয়। বরং জাতীয় সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন স্বার্থ রক্ষাই এর মূল উদ্দেশ্য।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটি শান্তিপূর্ণ উন্নয়নের পথেই অটল রয়েছে এবং সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি আন্তর্জাতিক শান্তি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।

প্রশান্ত মহাসাগর নিয়ে নতুন বিতর্ক

সম্প্রতি একটি তথাকথিত অভ্যন্তরীণ নথির উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়। ওই নথিতে দাবি করা হয়, বেইজিং নিরাপত্তা উপস্থিতি বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে চীনের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ও নৌবাহিনীর তৎপরতা প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিয়মিত বৈশিষ্ট্যে পরিণত হতে পারে।

এ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, আলোচিত ওই তথাকথিত নথি সম্পর্কে তার কোনো তথ্য জানা নেই। একই সঙ্গে তিনি এ ধরনের দাবি নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন।

শান্তি ও স্থিতিশীলতার বার্তা

চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশটির সামরিক শক্তির বিকাশকে বৈশ্বিক শান্তির জন্য ইতিবাচক শক্তি হিসেবে দেখা উচিত। বেইজিংয়ের মতে, শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শুধু দেশের নিরাপত্তাই নিশ্চিত করে না, বরং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলসহ বিশ্বব্যাপী শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায়ও সহায়তা করে।

চীনা কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছেন, তাদের প্রতিরক্ষা নীতি মূলত আত্মরক্ষামূলক এবং অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসী উদ্দেশ্যে পরিচালিত নয়। সামরিক আধুনিকায়নের মাধ্যমে তারা নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলা এবং জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছে।

File:Flag-map of the People's Republic of China.svg - Wikimedia Commons

আঞ্চলিক পর্যবেক্ষণ বাড়ছে

বিশ্ব রাজনীতিতে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্ব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চীনের সামরিক কার্যক্রমও বিভিন্ন দেশের নজরে এসেছে। তবে বেইজিং বারবার দাবি করছে, তাদের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন ও নিজস্ব নিরাপত্তা চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

বিশ্লেষকদের মতে, এই অঞ্চলে প্রতিযোগিতা ও কৌশলগত ভারসাম্য নিয়ে আলোচনা আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে। এমন পরিস্থিতিতে চীনের পক্ষ থেকে শান্তিপূর্ণ উন্নয়ন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বার্তা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

প্রশান্ত মহাসাগরে চীনের সামরিক উপস্থিতি নিয়ে বিতর্কের মধ্যে বেইজিং বলছে, তাদের সামরিক উন্নয়ন কোনো দেশের বিরুদ্ধে নয়, বরং শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার অংশ।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

প্রশান্ত মহাসাগরে চীনের সামরিক উপস্থিতি নিয়ে জল্পনা, ‘কোনো দেশের বিরুদ্ধে নয়’ বেইজিং

০৭:৪৪:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হলেও বেইজিং স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তাদের সামরিক উন্নয়ন কোনো নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করে নয়। বরং জাতীয় সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন স্বার্থ রক্ষাই এর মূল উদ্দেশ্য।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটি শান্তিপূর্ণ উন্নয়নের পথেই অটল রয়েছে এবং সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি আন্তর্জাতিক শান্তি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।

প্রশান্ত মহাসাগর নিয়ে নতুন বিতর্ক

সম্প্রতি একটি তথাকথিত অভ্যন্তরীণ নথির উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়। ওই নথিতে দাবি করা হয়, বেইজিং নিরাপত্তা উপস্থিতি বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে চীনের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ও নৌবাহিনীর তৎপরতা প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিয়মিত বৈশিষ্ট্যে পরিণত হতে পারে।

এ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, আলোচিত ওই তথাকথিত নথি সম্পর্কে তার কোনো তথ্য জানা নেই। একই সঙ্গে তিনি এ ধরনের দাবি নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন।

শান্তি ও স্থিতিশীলতার বার্তা

চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশটির সামরিক শক্তির বিকাশকে বৈশ্বিক শান্তির জন্য ইতিবাচক শক্তি হিসেবে দেখা উচিত। বেইজিংয়ের মতে, শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শুধু দেশের নিরাপত্তাই নিশ্চিত করে না, বরং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলসহ বিশ্বব্যাপী শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায়ও সহায়তা করে।

চীনা কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছেন, তাদের প্রতিরক্ষা নীতি মূলত আত্মরক্ষামূলক এবং অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসী উদ্দেশ্যে পরিচালিত নয়। সামরিক আধুনিকায়নের মাধ্যমে তারা নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলা এবং জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছে।

File:Flag-map of the People's Republic of China.svg - Wikimedia Commons

আঞ্চলিক পর্যবেক্ষণ বাড়ছে

বিশ্ব রাজনীতিতে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্ব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চীনের সামরিক কার্যক্রমও বিভিন্ন দেশের নজরে এসেছে। তবে বেইজিং বারবার দাবি করছে, তাদের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন ও নিজস্ব নিরাপত্তা চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

বিশ্লেষকদের মতে, এই অঞ্চলে প্রতিযোগিতা ও কৌশলগত ভারসাম্য নিয়ে আলোচনা আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে। এমন পরিস্থিতিতে চীনের পক্ষ থেকে শান্তিপূর্ণ উন্নয়ন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বার্তা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

প্রশান্ত মহাসাগরে চীনের সামরিক উপস্থিতি নিয়ে বিতর্কের মধ্যে বেইজিং বলছে, তাদের সামরিক উন্নয়ন কোনো দেশের বিরুদ্ধে নয়, বরং শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার অংশ।