১২:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৬৫)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:৪০:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫
  • 244

প্রদীপ কুমার মজুমদার

আলবিরূণী কথিত দ্বিতীয় আর্যভটকে অস্বীকার করতে গেলে বিরোধীযুক্তিগুলি এইরকম হবে। (১) Al-ntf এর উল্লেখ, কুহুমপুরের আর্যভটের গ্রন্থ। (২) আলবিরূণীর দ্বিতীয় আর্যভটে দৃঢ় বিশ্বাস।

আলবিরূণী ভারতে আসার পূর্বে ভারতীয় গণিতের আরবী অনুবাদ থেকে জ্ঞান আহরণ করে থাকবেন। এই অনুবাদের বিশ্বস্ততায় তিনি নিজেই সন্দেহপরায়ণ ছিলেন। আমরা লক্ষ্য করেছি এতে ভুল ছিল। Al-ntf সম্বন্ধে মনে হয় এটি ৪৭৬ খ্রীষ্টাব্দে কুহুমপুরবাসী আর্যভটের রচনার একটি ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ।

এ থেকেই হয়তো আলবিরূণী দুজন আর্যভটের অভিন্নত্ব ধরতে পারেন নি বরং পৃথক ব্যক্তি মনে করার যুক্তি পেয়েছিলেন এবং সেটা আরব দেশ থেকেই পেয়েছিলেন। ভারতে আসার পর তিনি আর্যভট্টের কোন পুঁথি না পাওয়ায় এ ধারণা শুদ্ধ হতে পারে নি।

তাছাড়া তিনি অভিযোগ করেন তিনি পড়তে গিয়ে ভাল ভারতীয় শিক্ষকের সান্নিধ্যে আসতে পারেন নি। তাছাড়া ভারতীয়দের গোঁড়ামীর জন্য আলবিরূণী অনেক কিছু শিখতেও পারেন নি। ফলে এই অসম্পূর্ণ জ্ঞানের জন্ম নানা বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। আর এই সব বিভ্রান্তির ফলেই ক্যে প্রমুখেরা ভারতীয় ঐতিহ্যকে খাটো করে দেখানোর জন্ম তৎপর।

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৬৫)

০৩:৪০:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

আলবিরূণী কথিত দ্বিতীয় আর্যভটকে অস্বীকার করতে গেলে বিরোধীযুক্তিগুলি এইরকম হবে। (১) Al-ntf এর উল্লেখ, কুহুমপুরের আর্যভটের গ্রন্থ। (২) আলবিরূণীর দ্বিতীয় আর্যভটে দৃঢ় বিশ্বাস।

আলবিরূণী ভারতে আসার পূর্বে ভারতীয় গণিতের আরবী অনুবাদ থেকে জ্ঞান আহরণ করে থাকবেন। এই অনুবাদের বিশ্বস্ততায় তিনি নিজেই সন্দেহপরায়ণ ছিলেন। আমরা লক্ষ্য করেছি এতে ভুল ছিল। Al-ntf সম্বন্ধে মনে হয় এটি ৪৭৬ খ্রীষ্টাব্দে কুহুমপুরবাসী আর্যভটের রচনার একটি ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ।

এ থেকেই হয়তো আলবিরূণী দুজন আর্যভটের অভিন্নত্ব ধরতে পারেন নি বরং পৃথক ব্যক্তি মনে করার যুক্তি পেয়েছিলেন এবং সেটা আরব দেশ থেকেই পেয়েছিলেন। ভারতে আসার পর তিনি আর্যভট্টের কোন পুঁথি না পাওয়ায় এ ধারণা শুদ্ধ হতে পারে নি।

তাছাড়া তিনি অভিযোগ করেন তিনি পড়তে গিয়ে ভাল ভারতীয় শিক্ষকের সান্নিধ্যে আসতে পারেন নি। তাছাড়া ভারতীয়দের গোঁড়ামীর জন্য আলবিরূণী অনেক কিছু শিখতেও পারেন নি। ফলে এই অসম্পূর্ণ জ্ঞানের জন্ম নানা বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। আর এই সব বিভ্রান্তির ফলেই ক্যে প্রমুখেরা ভারতীয় ঐতিহ্যকে খাটো করে দেখানোর জন্ম তৎপর।

(চলবে)