০৯:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৬৭)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:০৩:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫
  • 332

প্রদীপ কুমার মজুমদার

দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য এ সম্পর্কে লীলাবতীর দ্বিতীয় অধ্যায়ের প্রথম পরিচ্ছেদের ১২ তম শ্লোক বলেছেন:

“কাৰ্য্যঃ ক্রমাছক্ত মতোহথবাঙ্গযোগো যথাস্থানক মন্তরংবা।”

অর্থাৎ সংখ্যাগুলির যোগ তাহাদেয় স্থানের অনুসারে গ্রহণ করিতে হইবে এবং বিয়োগ তাহাদের পার্থক্য অনুসারে গ্রহণ করিতে হইবে।?
নিয়মটি বলার পর দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য এ সম্পর্কে একটি সুন্দর উদাহরণ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন-

“অয়ে বালে লীলাবতি মতিমতি ক্রহি সহিতান্ দ্বিপঞ্চ দ্বাত্রিংশৎ ত্রিনবতি শতাষ্টাদশ দশ। শতো পেতানেতানযুত বিযুতাংশ্চাপি বদমে যদি বঙ্গে যুক্তি ব্যবকলন মার্গেইসি কুশলা।

অর্থাৎ হে বুদ্ধিমতি কন্যে লীলাবতি! যদি তুমি যোগ ও বিয়োগ ব্যাপারে দক্ষা হও, তাহা হইলে বল-দুই, পাচ, বত্রিশ, একশত তিরানব্বই, আঠার দশ ও একশত
সংখ্যার যোগফল কত? এবং অযুত হইতে এই যোগফল বিয়োগ দিলে কত -থাকিবে?

অর্থাৎ ২+৫+৩২+১৯৩+১৮+১০+১০০=৩৬০

১০০০০-৩৬০=৯৬৪।

মহাসিদ্ধান্তে দ্বিতীয় আর্যভট বলেছেন:

‘সংখ্যাবতাং বহু নামেকীকরণং তদেব সঙ্কলিতম্।
যতপান্তং সর্বধনাত, তদ্বব্যবকলিতং তু শেষকং শেষম্ ।’

এটির অর্থ অত্যন্ত সরল, অতএব ব্যাখ্যা নিষ্প্রয়োজন।

(চলবে)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৬৭)

০৩:০৩:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য এ সম্পর্কে লীলাবতীর দ্বিতীয় অধ্যায়ের প্রথম পরিচ্ছেদের ১২ তম শ্লোক বলেছেন:

“কাৰ্য্যঃ ক্রমাছক্ত মতোহথবাঙ্গযোগো যথাস্থানক মন্তরংবা।”

অর্থাৎ সংখ্যাগুলির যোগ তাহাদেয় স্থানের অনুসারে গ্রহণ করিতে হইবে এবং বিয়োগ তাহাদের পার্থক্য অনুসারে গ্রহণ করিতে হইবে।?
নিয়মটি বলার পর দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য এ সম্পর্কে একটি সুন্দর উদাহরণ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন-

“অয়ে বালে লীলাবতি মতিমতি ক্রহি সহিতান্ দ্বিপঞ্চ দ্বাত্রিংশৎ ত্রিনবতি শতাষ্টাদশ দশ। শতো পেতানেতানযুত বিযুতাংশ্চাপি বদমে যদি বঙ্গে যুক্তি ব্যবকলন মার্গেইসি কুশলা।

অর্থাৎ হে বুদ্ধিমতি কন্যে লীলাবতি! যদি তুমি যোগ ও বিয়োগ ব্যাপারে দক্ষা হও, তাহা হইলে বল-দুই, পাচ, বত্রিশ, একশত তিরানব্বই, আঠার দশ ও একশত
সংখ্যার যোগফল কত? এবং অযুত হইতে এই যোগফল বিয়োগ দিলে কত -থাকিবে?

অর্থাৎ ২+৫+৩২+১৯৩+১৮+১০+১০০=৩৬০

১০০০০-৩৬০=৯৬৪।

মহাসিদ্ধান্তে দ্বিতীয় আর্যভট বলেছেন:

‘সংখ্যাবতাং বহু নামেকীকরণং তদেব সঙ্কলিতম্।
যতপান্তং সর্বধনাত, তদ্বব্যবকলিতং তু শেষকং শেষম্ ।’

এটির অর্থ অত্যন্ত সরল, অতএব ব্যাখ্যা নিষ্প্রয়োজন।

(চলবে)