০১:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২৪৮)

গুণচিতিরন্যাদিহৃতা বিপদাধিকহীন সংগুণা ভক্তা ব্যেকগুণেনান্যা ফলরহিতা হীনেহধিকে ফলযুক্তা।

দ্বিতীয় নিয়মটি হচ্ছে-

অবশ্য ব্রাহ্মস্কুট সিদ্ধান্তের বিখ্যাত টীকাকার পৃথুদকস্বামী দ্বিতীয় পদ্ধতিটি অনুসরণ করেছেন। মহাবীর, নেমীচন্দ্র প্রমুখ গণিতবিদেরাও এই পদ্ধতিই অনুসরণ করেছেন।

মহাবীর গণিতসারসংগ্রহে সাধারণ অন্তর, প্রথম পদ ও পদসংখ্যা বের করতে গিয়ে তিনটি সূত্র দিয়েছেন। দ্বিতীয় অধ্যায়ের ১৭ এবং ১০১ শ্লোকে বলেছেন-

 গুণধনমাদিবিভক্তং যত,পদ নিতবধসমং স এব চয়ঃ

গচ্ছপ্রমগুণপ্রহৃতং গুণিতং ভবেত, প্রভবঃ।

যার সংক্ষিপ্ত মমার্থ হচ্ছে-

পদসংখ্যা নির্ণয় করবার সূত্র ১৮ তম শ্লোকে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন-

মুখভক্তে গুণবিত্তে যথা নিরগ্রং তথা গুণনেহৃতে

যাবত যোহত্র শলাকাস্তাবান্ গচ্ছো গুণধনস্থা।

মহাবীরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ হচ্ছে গুণোত্তর শ্রেণীর যোগফল নির্ণয় করা। তিনি দ্বিতীয় অধ্যায়ের ৩১৪-তম শ্লোকে এ সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন:

গুণচিতিরন্যাদিহৃতা বিপদাধিকহীন সংগুণা ভক্তা

ব্যেকগুণেনান্যা ফলরহিতা হীনেহধিকে ফলযুক্তা।

(চলবে)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-২৪৮)

০৩:২৭:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫

গুণচিতিরন্যাদিহৃতা বিপদাধিকহীন সংগুণা ভক্তা ব্যেকগুণেনান্যা ফলরহিতা হীনেহধিকে ফলযুক্তা।

দ্বিতীয় নিয়মটি হচ্ছে-

অবশ্য ব্রাহ্মস্কুট সিদ্ধান্তের বিখ্যাত টীকাকার পৃথুদকস্বামী দ্বিতীয় পদ্ধতিটি অনুসরণ করেছেন। মহাবীর, নেমীচন্দ্র প্রমুখ গণিতবিদেরাও এই পদ্ধতিই অনুসরণ করেছেন।

মহাবীর গণিতসারসংগ্রহে সাধারণ অন্তর, প্রথম পদ ও পদসংখ্যা বের করতে গিয়ে তিনটি সূত্র দিয়েছেন। দ্বিতীয় অধ্যায়ের ১৭ এবং ১০১ শ্লোকে বলেছেন-

 গুণধনমাদিবিভক্তং যত,পদ নিতবধসমং স এব চয়ঃ

গচ্ছপ্রমগুণপ্রহৃতং গুণিতং ভবেত, প্রভবঃ।

যার সংক্ষিপ্ত মমার্থ হচ্ছে-

পদসংখ্যা নির্ণয় করবার সূত্র ১৮ তম শ্লোকে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন-

মুখভক্তে গুণবিত্তে যথা নিরগ্রং তথা গুণনেহৃতে

যাবত যোহত্র শলাকাস্তাবান্ গচ্ছো গুণধনস্থা।

মহাবীরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ হচ্ছে গুণোত্তর শ্রেণীর যোগফল নির্ণয় করা। তিনি দ্বিতীয় অধ্যায়ের ৩১৪-তম শ্লোকে এ সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন:

গুণচিতিরন্যাদিহৃতা বিপদাধিকহীন সংগুণা ভক্তা

ব্যেকগুণেনান্যা ফলরহিতা হীনেহধিকে ফলযুক্তা।

(চলবে)