০৫:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আনাক ক্রাকাতাউয়ের অগ্ন্যুৎপাতে জাকার্তা বিমানবন্দরের বন্ধের সময় বাড়ল নিউ মেক্সিকোর নাম বদলে ‘নিউ আমেরিকা’ করতে চান ট্রাম্প যুদ্ধের মাঝেই কিয়েভে জন্ম নিচ্ছে নতুন প্রাণ তামিলনাড়ু বিধানসভায় বিরোধী এমপিকে উঠে দাঁড়াতে সহায়তা বিজয়ের, প্রশংসায় টেবিল চাপড়ালেন সদস্যরা ‘দেশবাসী তৈরি হও’ স্লোগানে রাজশাহীতে যুবলীগের মিছিল, ভিডিও ভাইরাল বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা: সিফাতের জামিন আবেদন নামঞ্জুর রাসায়নমুক্ত সবজি উৎপাদনে বাড়ছে আগ্রহ, ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না কৃষক আগস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ জনের মৃত্যু, প্রতিদিন গড়ে প্রাণ গেছে ১৫ জনের শাহ আলীতে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, আটক ১ চাঁদেও এবার চালু হচ্ছে ‘আকাশপথ নিয়ন্ত্রণ’ ব্যবস্থা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩০৩)

তারপর বৃহৎ ভাগশেষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভাজক দিয়ে অবশিষ্টকে গুণ কর এবং বৃহৎ ভাগশেষের সঙ্গে যোগ কর।

(গ) এটি আবার দুভাবে প্রকাশ করা যায়

(গ) মতির দ্বারা গুণ কর এবং ভাগশেষগুলির অন্তর দ্বারা ক্ষিপ্ত কর।

Should be multiplied by an optional integer (mati) and then interpolated (kşiptam) by the difference of remainder 1.

(গ) বুদ্ধির সাহায্যে গুণ কর এবং ভাগশেষগুলির অন্তর দ্বারা ক্ষিপ্ত কর

(Should be multiplied intelligently and then interpolated by the difference of the remainder).

প্রসঙ্গত বলা প্রয়োজন যে ক্ষিপ্তম্ এবং মতি শব্দ দুটির অর্থ নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে বিতর্ক রয়েছে।

(ঘ) নীচের যে কোন সংখ্যাকে ঠিক উপরের সংখ্যা দিয়ে গুণ কর তারপর এর ঠিক নীচের সংখ্যা যোগ কর [Any number below (i. e. penultimate) is
multiplied by on just above it and then added by that just below it].

(৫) শেষ সংখ্যাকে ক্ষুদ্র ভাগশেষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভাজক দিয়ে ভাগ দাও, তারপর বৃহৎ ভাগশেষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভাজক দিয়ে অবশিষ্টকে গুণ কর এবং বৃহৎ ভাগশেষের সঙ্গে যোগ কর।

(চ) এটি দুভাবে প্রকাশ করা যায়

(চঃ) (ফল হবে) ভাজকদ্বয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংখ্যা।

(চ২) (ফল হবে) ভাজকদ্বয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অবশেষ।

প্রথম আর্যভটের এই শ্লোকদুটির অর্থ আরও পরিষ্কার করে হৃদয়ঙ্গম করতে গেলে প্রথম ভাস্করাচার্য ও সূর্যদেব যজ্জার টীকা অনুধাবন করা প্রয়োজন। সুতরাং এক্ষেত্রে প্রথমে প্রথম ভাস্করাচার্যের টীকা এবং বঙ্গানুবাদ তুলে ধরা হোল তারপর সূর্যদেব মজ্জার টীকা ও অনুবাদ তুলে ধরা হবে।

প্রথম ভাস্করাচার্যের টীকা: অধিকাগ্রভাগহারং ‘ছিন্দাত। অগ্রং শেষঃ। অধিকাগ্রং যস্ত সোহরমধিকাগ্রঃ। অধিকাগ্রশ্চাসৌ ভাগহারশ অধিকাগ্রভাগহারঃ। তং অধিকাগ্রভাগহারম,, ছিন্দাত, বিভজেদিত্যর্থঃ। কেনেত্যাহ-উনাগ্রভাগহারেণ। শেষপরস্পরভক্তম,। লতেন নাস্তি প্রয়োজনম, সহ কর্ম ক্রিয়তে।

পরস্পরেণ ভক্তৎ পরস্পরভক্তং, ইতরেতর ভক্তমিত্যর্থঃ। শেষেণ সহ পরস্পরভক্তং শেষপরস্পরভক্তম। মতিগুণং স্ববুদ্ধিগুণমিত্যর্থঃ। কথং পুনঃ স্ববুদ্ধিগুণঃ ক্রিয়তে? অয়ং রাশিঃ কেন গুণিতমিদমিগ্রান্তরং প্রক্ষিপ্য বিশোধ্য বা অস্য রাশেঃ শুদ্ধং ভাগং দাস্যতীতি। অগ্রান্তরে ক্ষিপ্তম।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩০২)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩০২)

জনপ্রিয় সংবাদ

আনাক ক্রাকাতাউয়ের অগ্ন্যুৎপাতে জাকার্তা বিমানবন্দরের বন্ধের সময় বাড়ল

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩০৩)

০৩:০০:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

তারপর বৃহৎ ভাগশেষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভাজক দিয়ে অবশিষ্টকে গুণ কর এবং বৃহৎ ভাগশেষের সঙ্গে যোগ কর।

(গ) এটি আবার দুভাবে প্রকাশ করা যায়

(গ) মতির দ্বারা গুণ কর এবং ভাগশেষগুলির অন্তর দ্বারা ক্ষিপ্ত কর।

Should be multiplied by an optional integer (mati) and then interpolated (kşiptam) by the difference of remainder 1.

(গ) বুদ্ধির সাহায্যে গুণ কর এবং ভাগশেষগুলির অন্তর দ্বারা ক্ষিপ্ত কর

(Should be multiplied intelligently and then interpolated by the difference of the remainder).

প্রসঙ্গত বলা প্রয়োজন যে ক্ষিপ্তম্ এবং মতি শব্দ দুটির অর্থ নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে বিতর্ক রয়েছে।

(ঘ) নীচের যে কোন সংখ্যাকে ঠিক উপরের সংখ্যা দিয়ে গুণ কর তারপর এর ঠিক নীচের সংখ্যা যোগ কর [Any number below (i. e. penultimate) is
multiplied by on just above it and then added by that just below it].

(৫) শেষ সংখ্যাকে ক্ষুদ্র ভাগশেষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভাজক দিয়ে ভাগ দাও, তারপর বৃহৎ ভাগশেষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভাজক দিয়ে অবশিষ্টকে গুণ কর এবং বৃহৎ ভাগশেষের সঙ্গে যোগ কর।

(চ) এটি দুভাবে প্রকাশ করা যায়

(চঃ) (ফল হবে) ভাজকদ্বয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংখ্যা।

(চ২) (ফল হবে) ভাজকদ্বয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অবশেষ।

প্রথম আর্যভটের এই শ্লোকদুটির অর্থ আরও পরিষ্কার করে হৃদয়ঙ্গম করতে গেলে প্রথম ভাস্করাচার্য ও সূর্যদেব যজ্জার টীকা অনুধাবন করা প্রয়োজন। সুতরাং এক্ষেত্রে প্রথমে প্রথম ভাস্করাচার্যের টীকা এবং বঙ্গানুবাদ তুলে ধরা হোল তারপর সূর্যদেব মজ্জার টীকা ও অনুবাদ তুলে ধরা হবে।

প্রথম ভাস্করাচার্যের টীকা: অধিকাগ্রভাগহারং ‘ছিন্দাত। অগ্রং শেষঃ। অধিকাগ্রং যস্ত সোহরমধিকাগ্রঃ। অধিকাগ্রশ্চাসৌ ভাগহারশ অধিকাগ্রভাগহারঃ। তং অধিকাগ্রভাগহারম,, ছিন্দাত, বিভজেদিত্যর্থঃ। কেনেত্যাহ-উনাগ্রভাগহারেণ। শেষপরস্পরভক্তম,। লতেন নাস্তি প্রয়োজনম, সহ কর্ম ক্রিয়তে।

পরস্পরেণ ভক্তৎ পরস্পরভক্তং, ইতরেতর ভক্তমিত্যর্থঃ। শেষেণ সহ পরস্পরভক্তং শেষপরস্পরভক্তম। মতিগুণং স্ববুদ্ধিগুণমিত্যর্থঃ। কথং পুনঃ স্ববুদ্ধিগুণঃ ক্রিয়তে? অয়ং রাশিঃ কেন গুণিতমিদমিগ্রান্তরং প্রক্ষিপ্য বিশোধ্য বা অস্য রাশেঃ শুদ্ধং ভাগং দাস্যতীতি। অগ্রান্তরে ক্ষিপ্তম।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩০২)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩০২)