০৯:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৪)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 108

প্রদীপ কুমার মজুমদার

পণ্ডিতেরা অনুমান করেন ব্রাহ্মী লিপি এবং সংখ্যা লিখন পদ্ধতি ভারবর্ষের নিজস্ব সম্পদ। মনে হয় এটিই আমাদের জাতীয় লিপি। আনুমানিক ১০০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে এর অস্তিত্ব পাওয়া যায়। খরোষ্ঠী লিপিতে যেমন লম্বা দাড়ি দিয়ে এক, দুই, তিন, চার সংখ্যাগুলি লেখা হোত।

ব্রাহ্মীলিপিতে কিন্তু সমান্তরাল দাড়ি দিয়ে এগুলি লেখা হোত। শূন্য ও স্থানীয়মান আবিষ্কার করার পূর্বে ও পরে ব্রাহ্মীলিপিতে এক থেকে নয় সংখ্যার লেখার কোন পরিবর্তন হয়নি। ব্রাহ্মীলিপিতে ১, ৪, ৯, ১০, ২০, ৪০, ৫০, ৬০, ৭০, ৮০, ৯০, ১০০, প্রভৃতি সংখ্যাগুলিকে প্রকাশ করতে ভিন্ন ভিন্ন চিহ্ন ব্যবহার করা হোত। কিন্তু প্রাচীন গরোধী, প্রাচীন সুমেরীয়লিপি হাইরোগ্লিফিক এবং ফিনিসীয় সংখ্যা লিখন পদ্ধতিতে ১, ১০, ২০ এবং ১০০ লেখার জন্য ভিন্ন ভিন্ন চিহ্ন ব্যবহার করা হোত।

হাইরেটিক ও ডেমটিক লিপিমালাতে সংখ্যা লিখন পদ্ধতিতে ব্রাহ্মীলিপির ১৯টি চিহ্নের সঙ্গে সাদৃশ আছে কিন্তু বাকী চিহ্নগুলির মধ্যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। অনেকে মনে করেন ভারতীয়রা ব্রাহ্মীলিপি মিশরের কাছ থেকে ধার করে এনেছেন অর্থাৎ হাইরেটিক ও ডেমটিক লিপির নিকট ব্রাহ্মীলিপি ঋণী।

ঐতিহাসিকগণ লক্ষ্য করেন যে-মিশরীয়রা প্রথমে এক, দশ, কুড়ি এবং একশ লেখার জন্য মাত্র চারিটি চিহ্ন ব্যবহার করতেন তাহলে হঠাৎ তাঁরা কি করে উনিশটি চিহ্নের ব্যবহার শিখলেন? নিশ্চয়ই অন্য কোথাও তাঁরা এগুলি পেয়েছিলেন। যাই হোক সংখ্যা লিখন পদ্ধতি কে আবিষ্কার করেছেন এবং কোথায় আবিষ্কৃত হয়েছিল সে বিতর্কে না গিয়ে এটুকু বলা যায় যে বৈদিক যুগে ভারতবর্ষে নিশ্চয়ই সংখ্যা লিখন পদ্ধতি ছিল।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৩৩)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৩৩)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৪)

১০:০০:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৪

প্রদীপ কুমার মজুমদার

পণ্ডিতেরা অনুমান করেন ব্রাহ্মী লিপি এবং সংখ্যা লিখন পদ্ধতি ভারবর্ষের নিজস্ব সম্পদ। মনে হয় এটিই আমাদের জাতীয় লিপি। আনুমানিক ১০০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে এর অস্তিত্ব পাওয়া যায়। খরোষ্ঠী লিপিতে যেমন লম্বা দাড়ি দিয়ে এক, দুই, তিন, চার সংখ্যাগুলি লেখা হোত।

ব্রাহ্মীলিপিতে কিন্তু সমান্তরাল দাড়ি দিয়ে এগুলি লেখা হোত। শূন্য ও স্থানীয়মান আবিষ্কার করার পূর্বে ও পরে ব্রাহ্মীলিপিতে এক থেকে নয় সংখ্যার লেখার কোন পরিবর্তন হয়নি। ব্রাহ্মীলিপিতে ১, ৪, ৯, ১০, ২০, ৪০, ৫০, ৬০, ৭০, ৮০, ৯০, ১০০, প্রভৃতি সংখ্যাগুলিকে প্রকাশ করতে ভিন্ন ভিন্ন চিহ্ন ব্যবহার করা হোত। কিন্তু প্রাচীন গরোধী, প্রাচীন সুমেরীয়লিপি হাইরোগ্লিফিক এবং ফিনিসীয় সংখ্যা লিখন পদ্ধতিতে ১, ১০, ২০ এবং ১০০ লেখার জন্য ভিন্ন ভিন্ন চিহ্ন ব্যবহার করা হোত।

হাইরেটিক ও ডেমটিক লিপিমালাতে সংখ্যা লিখন পদ্ধতিতে ব্রাহ্মীলিপির ১৯টি চিহ্নের সঙ্গে সাদৃশ আছে কিন্তু বাকী চিহ্নগুলির মধ্যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। অনেকে মনে করেন ভারতীয়রা ব্রাহ্মীলিপি মিশরের কাছ থেকে ধার করে এনেছেন অর্থাৎ হাইরেটিক ও ডেমটিক লিপির নিকট ব্রাহ্মীলিপি ঋণী।

ঐতিহাসিকগণ লক্ষ্য করেন যে-মিশরীয়রা প্রথমে এক, দশ, কুড়ি এবং একশ লেখার জন্য মাত্র চারিটি চিহ্ন ব্যবহার করতেন তাহলে হঠাৎ তাঁরা কি করে উনিশটি চিহ্নের ব্যবহার শিখলেন? নিশ্চয়ই অন্য কোথাও তাঁরা এগুলি পেয়েছিলেন। যাই হোক সংখ্যা লিখন পদ্ধতি কে আবিষ্কার করেছেন এবং কোথায় আবিষ্কৃত হয়েছিল সে বিতর্কে না গিয়ে এটুকু বলা যায় যে বৈদিক যুগে ভারতবর্ষে নিশ্চয়ই সংখ্যা লিখন পদ্ধতি ছিল।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৩৩)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৩৩)