০৬:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর ইরান যুদ্ধের ধাক্কাতেও যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার শক্তিশালী, চাকরির শূন্যপদ ৭৪ লাখ

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫৫)

  • Sarakhon Report
  • ১০:১০:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৫
  • 137

প্রদীপ কুমার মজুমদার

দশমিক সংখ্যা লিখন পদ্ধতিতে সংখ্যার মান স্থানগুণের উপর নিণীত হয়, রূপগুণ বা আকৃতিগুণের উপর নির্ভর করে না। দেখা গিয়েছে ১ থেকে ৯ সংখ্যাগুলির রূপগুণ আছে কিন্তু দশ বা ততোধিক সংখ্যাগুলি লিখতে গিয়ে স্থানগুণের উপর নির্ভর করতে হয়।

লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে কি সব্যক্রম লিপিক, কি অসব্যক্রম লিপিক বা কি উর্ধক্রম লিপিক সব জাতিই বড় স্থানের অঙ্কটিকে সর্বাগ্রে উল্লেখ করে এটিকে অপচীয়মান ক্রম বলা হয়। ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে অবশ্য মাঝে মাঝে ছোট সংখ্যা আগে লিখে তারপর বড় সংখ্যা লেখা হয়ে থাকে। এটিকে উপচীয়মান ক্রম বলে। বিখ্যাত ব্যাকরণবিদ পাণিনি এ সম্পর্কে বলেছেন ‘অল্পচ, তরম্’ অর্থাৎ দ্বন্দ সমাস অল্পতর স্বর নিষ্পন্ন শব্দ আগে বসবে।

তার উপর বার্তিকাকার বিশেষ সূত্র করলেন ‘সংখ্যায়া অল্লীয়স্যাঃ। উদাহরণস্বরূপ আমরা বলতে পারি পঞ্চদশ, চতুবিংশ ইত্যাদিংস ঋাসমূহকে। তবে কখনও কখনও দ্বিপদ সংখ্যার নামকরণে ছোট সংখ্যার উল্লেখ প্রথমে করা হয় তারপর বড় সংখ্যার। যেমন অষ্টাশতং শতানি – ১৮০, অষ্টাত্রিংশতং শতম্ – ১৩৮। এ সম্পর্কে পাণিনি বলেছেন-‘তদ্‌ অস্মিন্ন অধিকম্, ইতি দশান্তড়, ডঃ। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় শত সহস্রম্ ১১০০।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫৪)

জনপ্রিয় সংবাদ

সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব?

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫৫)

১০:১০:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

দশমিক সংখ্যা লিখন পদ্ধতিতে সংখ্যার মান স্থানগুণের উপর নিণীত হয়, রূপগুণ বা আকৃতিগুণের উপর নির্ভর করে না। দেখা গিয়েছে ১ থেকে ৯ সংখ্যাগুলির রূপগুণ আছে কিন্তু দশ বা ততোধিক সংখ্যাগুলি লিখতে গিয়ে স্থানগুণের উপর নির্ভর করতে হয়।

লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে কি সব্যক্রম লিপিক, কি অসব্যক্রম লিপিক বা কি উর্ধক্রম লিপিক সব জাতিই বড় স্থানের অঙ্কটিকে সর্বাগ্রে উল্লেখ করে এটিকে অপচীয়মান ক্রম বলা হয়। ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে অবশ্য মাঝে মাঝে ছোট সংখ্যা আগে লিখে তারপর বড় সংখ্যা লেখা হয়ে থাকে। এটিকে উপচীয়মান ক্রম বলে। বিখ্যাত ব্যাকরণবিদ পাণিনি এ সম্পর্কে বলেছেন ‘অল্পচ, তরম্’ অর্থাৎ দ্বন্দ সমাস অল্পতর স্বর নিষ্পন্ন শব্দ আগে বসবে।

তার উপর বার্তিকাকার বিশেষ সূত্র করলেন ‘সংখ্যায়া অল্লীয়স্যাঃ। উদাহরণস্বরূপ আমরা বলতে পারি পঞ্চদশ, চতুবিংশ ইত্যাদিংস ঋাসমূহকে। তবে কখনও কখনও দ্বিপদ সংখ্যার নামকরণে ছোট সংখ্যার উল্লেখ প্রথমে করা হয় তারপর বড় সংখ্যার। যেমন অষ্টাশতং শতানি – ১৮০, অষ্টাত্রিংশতং শতম্ – ১৩৮। এ সম্পর্কে পাণিনি বলেছেন-‘তদ্‌ অস্মিন্ন অধিকম্, ইতি দশান্তড়, ডঃ। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় শত সহস্রম্ ১১০০।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫৪)