১১:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জৈন্তাপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে টানা সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ২৫ ঘরোয়া ক্রিকেটে ম্যাচ ফি দ্বিগুণের বেশি, বছরে ৪০ লাখ টাকা আয়ের সুযোগ ফরিদপুরে মাদকবিরোধী বিক্ষোভের পর সন্দেহভাজন মাদক কারবারিদের বাড়িতে হামলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা উন্নয়ন থামিয়ে রাজনীতির মেরুকরণকে জায়গা দেওয়া যাবে না শার্পভিল হত্যাকাণ্ডের ক্ষতিপূরণ চেয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা সরকারের বিরুদ্ধে মামলা ভর্তুকির মূল্যযুদ্ধ পেরিয়ে নতুন যুগে চীনের অনলাইন কেনাকাটা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় কাজের গতি বাড়ছে, কিন্তু কমছে না চাপ—তরুণ কর্মীদের নতুন বাস্তবতা আমেরিকা আসলে কতটা সমাজতন্ত্র গ্রহণ করতে প্রস্তুত? নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৫)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৫
  • 89

প্রদীপ কুমার মজুমদার

অবশ্য হেমচন্দ্র, এই গাথাটি কোথা থেকে এসেছে সে কথা উল্লেখ করেন নি। সাধারণতঃ জৈন গণিতশাস্ত্রে বা আগমগ্রন্থে, অঙ্কপাত দক্ষিণাগতিতেই করা হয়ে থাকে। কিন্তু উক্ত শ্লোকটি যখন অঙ্কপাত করা হয় তখন দক্ষিণাগতি অনুসরণ না করে বামাগতি অনুসরণ করা হয়েছে।

অনেকে প্রশ্ন করে থাকেন যে বামাগতিতে অঙ্কপাত না দেখিয়ে দক্ষিণাগতিতে অঙ্কপাত এক্ষেত্রে করলে ক্ষতি কি ছিল? ক্ষতি নিশ্চয়ই ছিল। কারণ এক্ষেত্রে সরাসরি বামাগতিতে অঙ্কপাত করার কথা বলা হয়েছে। অন্ততঃপক্ষে ‘পরাহুত্তা’ শব্দটি সে জন্যেই ব্যবহার করা হয়েছে। পরাহত্তা ‘অর্থাৎ ‘বিপরীতমুখী’ অর্থাৎ সাধারণতঃ যেভাবে অঙ্কপাত করা হয়ে থাকে (জৈন গণিতশাস্ত্রে) তার বিপরীতমুখী। নামসংখ্যার ব্যবহার জৈন গণিতশাস্ত্রে আরও আছে।

যেমন:

“লক্খং কোড়াকোড়ি চট্টরাসীশং ভবে সহস্রাইং

চত্তারি অ সত্তট,ঠা ছংতি সয়া কোড়ী কোড়ীণং।

চউয়ালং লাইং কোড়ীণং সত্ত চেব য সহস্রা

তিন্নি চ সয়া চ সত্তরি কোড়ীণং হুংতি নায়ব্ব।।

পংচাণউই লক্থা এগাবরং ভবে সহস্রাইং

ছস্লোলসোত্তরসয়া এসো ছটে,ঠা হবই বৎগো।”

অর্থাৎ উদ্দিষ্ট সংখ্যাটি হচ্ছে-১৮, ৪৪৬, ৭৪৪, ০৭৩, ৭০৯, ৫৫১, ৬১৬। এখানে সংখ্যাটিতে ২০টি অঙ্কস্থান আছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৪)

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

জৈন্তাপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে টানা সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ২৫

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৫)

১০:০০:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

অবশ্য হেমচন্দ্র, এই গাথাটি কোথা থেকে এসেছে সে কথা উল্লেখ করেন নি। সাধারণতঃ জৈন গণিতশাস্ত্রে বা আগমগ্রন্থে, অঙ্কপাত দক্ষিণাগতিতেই করা হয়ে থাকে। কিন্তু উক্ত শ্লোকটি যখন অঙ্কপাত করা হয় তখন দক্ষিণাগতি অনুসরণ না করে বামাগতি অনুসরণ করা হয়েছে।

অনেকে প্রশ্ন করে থাকেন যে বামাগতিতে অঙ্কপাত না দেখিয়ে দক্ষিণাগতিতে অঙ্কপাত এক্ষেত্রে করলে ক্ষতি কি ছিল? ক্ষতি নিশ্চয়ই ছিল। কারণ এক্ষেত্রে সরাসরি বামাগতিতে অঙ্কপাত করার কথা বলা হয়েছে। অন্ততঃপক্ষে ‘পরাহুত্তা’ শব্দটি সে জন্যেই ব্যবহার করা হয়েছে। পরাহত্তা ‘অর্থাৎ ‘বিপরীতমুখী’ অর্থাৎ সাধারণতঃ যেভাবে অঙ্কপাত করা হয়ে থাকে (জৈন গণিতশাস্ত্রে) তার বিপরীতমুখী। নামসংখ্যার ব্যবহার জৈন গণিতশাস্ত্রে আরও আছে।

যেমন:

“লক্খং কোড়াকোড়ি চট্টরাসীশং ভবে সহস্রাইং

চত্তারি অ সত্তট,ঠা ছংতি সয়া কোড়ী কোড়ীণং।

চউয়ালং লাইং কোড়ীণং সত্ত চেব য সহস্রা

তিন্নি চ সয়া চ সত্তরি কোড়ীণং হুংতি নায়ব্ব।।

পংচাণউই লক্থা এগাবরং ভবে সহস্রাইং

ছস্লোলসোত্তরসয়া এসো ছটে,ঠা হবই বৎগো।”

অর্থাৎ উদ্দিষ্ট সংখ্যাটি হচ্ছে-১৮, ৪৪৬, ৭৪৪, ০৭৩, ৭০৯, ৫৫১, ৬১৬। এখানে সংখ্যাটিতে ২০টি অঙ্কস্থান আছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৭৪)