০৩:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর ইরান যুদ্ধের ধাক্কাতেও যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার শক্তিশালী, চাকরির শূন্যপদ ৭৪ লাখ

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৮)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৪
  • 103

প্রদীপ কুমার মজুমদার

ভারতীয় সমাজের মেরুদণ্ডস্বরূপ এক ধরণের সাহিত্য পরবর্তী কালে গড়ে উঠেছিল। এগুলি স্মৃতি নামেই অধিক পরিচিত। কেউ কেউ অবশ্য এই স্মৃতি সাহিত্যকে ধর্ম সংহিতা নামেও উল্লেখ করেছিল। স্মৃতি বা ধর্মসংহিতা মোটামুটি কুড়িটি ভাগে বিভক্ত। এগুলি হচ্ছে- (১) মনুসংহিতা, (২) অত্রি সংহিতা, (৩) বিষ্ণু সংহিতা, (৪) হারীত সংহিতা, (৫) যাজ্ঞবল্ক্য সংহিতা, (৬) উশনঃ সংহিতা, (৭) অঙ্গিরঃ সংহিতা, (৮) যম সংহিতা, (৯) আপস্তম্ব সংহিতা, (১০) সংবর্ত সংহিতা, (১১) কাত্যায়ন সংহিতা, (১২) বৃহস্পতি সংহিতা (১৩) পরাশর সংহিতা, (১৪) ব্যাস সংহিতা, (১৫) শঙ্খ সংহিতা, (১৬) লিখিত সংহিতা, (১৭) দক্ষ সংহিতা, (১৮) গৌতম সংহিতা, (১৯) শাতাতপ সংহিতা (২০). বশিষ্ঠ সংহিতা।

আবার অনেকে কশ্যপ সংহিতা, গর্গ সংহিতা, ও প্রচেতা সংহিতা প্রভৃতির নামও স্মৃতি বা ধর্মসংহিতার সঙ্গে যুক্ত করেন।

স্মৃতি বা ধর্মসংহিতা রচিত হবার পরই পুরাণ নামে এক ধরণের ইতিহাসাশ্রিত সাহিত্যের সৃষ্টি হয়। পুরাণ প্রধানতঃ দুই প্রকার-যথা (১) মহাপুরাণ ও (২) উপপুরাণ। মহাপুরাণ মোটামুটি আঠারোটি ভাগে বিভক্ত। এগুলি হচ্ছে যথা ব্রহ্মপুরাণ, (২) পদ্মপুরাণ (৩) বিষ্ণুপুরাণ, (৪) শিবপুরাণ, (৫) লিঙ্গ পুরাণ, (৬) গরুড়ু পুরাণ, (৭) নারদীয় পুরাণ, (৮) মৎসপুরাণ, (৯) ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ, (১০) মার্কণ্ডেয় পুরাণ, (১১)

শ্রীমদ্ভাগবত, (১২) অগ্নি পুরাণ, (১৩) স্কন্দপুরাণ, (১৪) ভবিষ্য পুরাণ, (১৫) বামন পুরাণ, (১৬) বরাহ পুরাণ, (১৭) কৃৰ্ম্মপুরাণ, (১৮) ব্রহ্মাণ্ডপুরাণ।

উপপুরাণ আবার আঠারোখানি। এগুলি হচ্ছে- (১) সনৎকুমারোক্ত আদ্য,(২) নারসিংহ, (৩) কুমারোক্ত স্কন্দ, (৪) নান্দীশভাষিত শিবধর্ম, (৫) দুর্ব্বাসা,(৬) নারদীয়, (৭) কাপিল, (৮) বামন, (৯) উশনা, (১০) ব্রহ্মাণ্ড, (১১) বারুণ, (১২) কালিকা, (১৩) মাহেশ্বর, (১৪) শাম্ব, (১৫) সৌর, (১৬) পরাশর, (১৭) মারীচ, (১৮) ভার্গব। এছাড়াও অনেকে বায়বীয়, নান্দিকেশ্বর, পাদ্ম, দেবী ও ভাস্কর নামে আরও পাঁচটি উপপুরাণের নাম উল্লেখ করে থাকেন।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৭)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৭)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব?

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৮)

১০:০০:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৪

প্রদীপ কুমার মজুমদার

ভারতীয় সমাজের মেরুদণ্ডস্বরূপ এক ধরণের সাহিত্য পরবর্তী কালে গড়ে উঠেছিল। এগুলি স্মৃতি নামেই অধিক পরিচিত। কেউ কেউ অবশ্য এই স্মৃতি সাহিত্যকে ধর্ম সংহিতা নামেও উল্লেখ করেছিল। স্মৃতি বা ধর্মসংহিতা মোটামুটি কুড়িটি ভাগে বিভক্ত। এগুলি হচ্ছে- (১) মনুসংহিতা, (২) অত্রি সংহিতা, (৩) বিষ্ণু সংহিতা, (৪) হারীত সংহিতা, (৫) যাজ্ঞবল্ক্য সংহিতা, (৬) উশনঃ সংহিতা, (৭) অঙ্গিরঃ সংহিতা, (৮) যম সংহিতা, (৯) আপস্তম্ব সংহিতা, (১০) সংবর্ত সংহিতা, (১১) কাত্যায়ন সংহিতা, (১২) বৃহস্পতি সংহিতা (১৩) পরাশর সংহিতা, (১৪) ব্যাস সংহিতা, (১৫) শঙ্খ সংহিতা, (১৬) লিখিত সংহিতা, (১৭) দক্ষ সংহিতা, (১৮) গৌতম সংহিতা, (১৯) শাতাতপ সংহিতা (২০). বশিষ্ঠ সংহিতা।

আবার অনেকে কশ্যপ সংহিতা, গর্গ সংহিতা, ও প্রচেতা সংহিতা প্রভৃতির নামও স্মৃতি বা ধর্মসংহিতার সঙ্গে যুক্ত করেন।

স্মৃতি বা ধর্মসংহিতা রচিত হবার পরই পুরাণ নামে এক ধরণের ইতিহাসাশ্রিত সাহিত্যের সৃষ্টি হয়। পুরাণ প্রধানতঃ দুই প্রকার-যথা (১) মহাপুরাণ ও (২) উপপুরাণ। মহাপুরাণ মোটামুটি আঠারোটি ভাগে বিভক্ত। এগুলি হচ্ছে যথা ব্রহ্মপুরাণ, (২) পদ্মপুরাণ (৩) বিষ্ণুপুরাণ, (৪) শিবপুরাণ, (৫) লিঙ্গ পুরাণ, (৬) গরুড়ু পুরাণ, (৭) নারদীয় পুরাণ, (৮) মৎসপুরাণ, (৯) ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ, (১০) মার্কণ্ডেয় পুরাণ, (১১)

শ্রীমদ্ভাগবত, (১২) অগ্নি পুরাণ, (১৩) স্কন্দপুরাণ, (১৪) ভবিষ্য পুরাণ, (১৫) বামন পুরাণ, (১৬) বরাহ পুরাণ, (১৭) কৃৰ্ম্মপুরাণ, (১৮) ব্রহ্মাণ্ডপুরাণ।

উপপুরাণ আবার আঠারোখানি। এগুলি হচ্ছে- (১) সনৎকুমারোক্ত আদ্য,(২) নারসিংহ, (৩) কুমারোক্ত স্কন্দ, (৪) নান্দীশভাষিত শিবধর্ম, (৫) দুর্ব্বাসা,(৬) নারদীয়, (৭) কাপিল, (৮) বামন, (৯) উশনা, (১০) ব্রহ্মাণ্ড, (১১) বারুণ, (১২) কালিকা, (১৩) মাহেশ্বর, (১৪) শাম্ব, (১৫) সৌর, (১৬) পরাশর, (১৭) মারীচ, (১৮) ভার্গব। এছাড়াও অনেকে বায়বীয়, নান্দিকেশ্বর, পাদ্ম, দেবী ও ভাস্কর নামে আরও পাঁচটি উপপুরাণের নাম উল্লেখ করে থাকেন।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৭)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৭)