০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

ফরিদপুরে সবজি ব্যবসায়ী হত্যা: ১৪ বছর পর তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

ফরিদপুরে ২০১২ সালে এক সবজি ব্যবসায়ীকে হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক মোহাম্মদ বদিউজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন ফরিদপুর জেলা শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকার আয়ুব আলী সরদারের ছেলে চান সরদার (৪২) ও তারা সরদার (৩৫), এবং জিয়াউল হক আকন্দের ছেলে বাবুল আকন্দ (৩৬)।

রায় ঘোষণার সময় বাবুল আকন্দ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অপর দুই দণ্ডপ্রাপ্ত চান সরদার ও তারা সরদার পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

হত্যাকাণ্ডের পটভূমি

মামলার তথ্য অনুযায়ী, পূর্বশত্রুতার জেরে ২০১২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নির্মাণাধীন ভবনের মধ্যে সবজি ব্যবসায়ী ফয়সাল শেখের ওপর হামলা চালানো হয়। তাকে মারধর ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়।

নিহত ফয়সাল শেখ আলীপুর এলাকার আকু শেখের ছেলে এবং পেশায় সবজি ব্যবসায়ী ছিলেন। ঘটনার পর তার মা ফিরোজা বেগম ফরিদপুর কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত ও বিচার

তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ৩১ জুলাই পুলিশ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। বিচার চলাকালে মামলার এক আসামি শাহীন সরদার মারা যাওয়ায় তার বিরুদ্ধে কার্যক্রম শেষ হয়ে যায়।

অবশিষ্ট তিন আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাদের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। একই সঙ্গে পলাতক দুই দণ্ডপ্রাপ্তকে গ্রেপ্তারের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

ফরিদপুরে ২০১২ সালের আলোচিত এই হত্যা মামলার রায়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের বিচারিক প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্বের সমাপ্তি হলো।

ফরিদপুরে সবজি ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড, ২০১২ সালের হত্যাকাণ্ডে দীর্ঘ বিচার শেষে আদালতের রায় ঘোষণা।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

ফরিদপুরে সবজি ব্যবসায়ী হত্যা: ১৪ বছর পর তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

০৫:৪০:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

ফরিদপুরে ২০১২ সালে এক সবজি ব্যবসায়ীকে হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক মোহাম্মদ বদিউজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন ফরিদপুর জেলা শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকার আয়ুব আলী সরদারের ছেলে চান সরদার (৪২) ও তারা সরদার (৩৫), এবং জিয়াউল হক আকন্দের ছেলে বাবুল আকন্দ (৩৬)।

রায় ঘোষণার সময় বাবুল আকন্দ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অপর দুই দণ্ডপ্রাপ্ত চান সরদার ও তারা সরদার পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

হত্যাকাণ্ডের পটভূমি

মামলার তথ্য অনুযায়ী, পূর্বশত্রুতার জেরে ২০১২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নির্মাণাধীন ভবনের মধ্যে সবজি ব্যবসায়ী ফয়সাল শেখের ওপর হামলা চালানো হয়। তাকে মারধর ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়।

নিহত ফয়সাল শেখ আলীপুর এলাকার আকু শেখের ছেলে এবং পেশায় সবজি ব্যবসায়ী ছিলেন। ঘটনার পর তার মা ফিরোজা বেগম ফরিদপুর কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত ও বিচার

তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ৩১ জুলাই পুলিশ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। বিচার চলাকালে মামলার এক আসামি শাহীন সরদার মারা যাওয়ায় তার বিরুদ্ধে কার্যক্রম শেষ হয়ে যায়।

অবশিষ্ট তিন আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাদের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। একই সঙ্গে পলাতক দুই দণ্ডপ্রাপ্তকে গ্রেপ্তারের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

ফরিদপুরে ২০১২ সালের আলোচিত এই হত্যা মামলার রায়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের বিচারিক প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্বের সমাপ্তি হলো।

ফরিদপুরে সবজি ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড, ২০১২ সালের হত্যাকাণ্ডে দীর্ঘ বিচার শেষে আদালতের রায় ঘোষণা।