০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

বনের গল্প

বন বড়ই চঞ্চলা
বৃষ্টি নামলে সে পাখিদের ডানাকে ঢেকে
রাখার জন্যে সব পাতা মেলে ধরে না।
অনেক পাখি ভিজে চুপসে যায়
আবার বৃষ্টিতে মাতোয়ারা হয় ঘাসের বুকে
পায়ে চলা, জলে সাঁতার কাটা পাখিরা।

বনে মাঝে মাঝে আগুন লাগে
সে কবে থেকে তার হিসেব নেই –
সেই দাবানলে ভালুক নিজের ছানা হারিয়ে ফেলে
বাঘের ছানা বুকে নিয়েই চমকে ওঠে।
তারপরে ভালুক কী করে – তা রুদ্রের ভয়ংকরে দেখা যায় না।
বাঘের ছানা কখনও কখনও বেঁচে যায়
ভালুকের বুকের সাহায্য পেয়ে।

আবার নিস্তরঙ্গ বনে বুনো ঝড় এলে
কখনও কখনও সিংহ, বাঘ অচ্যুত হয়ে ওঠে।
সিংহ গোপন পাহাড়ের চূড়ায় আশ্রয় নেয় –
বাঘেরা উঁচু কোন গাছের পাতার নিচে
চুপটি করে থাকে।
তখন বনের সকল দুর্বল প্রাণী খাবারের অধিকার
পায় হায়েনা ও শিয়ালেরা।
তারা একের পর এক মাংস জড়ো করে-
সিংহ দূর পাহাড় থেকে “সিংহনিরীক্ষণে” নিশ্চল
দৃষ্টি ফেলে আর দেখে –
বনে যতই রাত নামে ততই
হায়েনা আর শিয়ালেরা মাংস নিয়ে
অশ্লীল, কুৎসিত দাঁত বের করে
একে অপরকে ধাওয়া করতে থাকে।

বনের সাত রঙা পাখিটি ভোর হলে
ওদের রক্তাক্ত দাঁত আর লোভের চিৎকার
শুনে কেঁদে ওঠে –
বলে আহা, বনটা গেল –
সাত রঙা পাখি তার স্মৃতিতে ফিরে
যায় – মনে পড়ে সিংহের গর্জনে কেঁপে উঠত বন
অথচ কী নীরব ছিল তার প্রয়োজনীয় খাদ্যটুকু খাওয়া!

সকালের আলোগুলো আরও ম্লান হয় – হায়েনা
ও শিয়ালের চিৎকারে।
বুনো কুকুর আর শুয়োরেরা তখন মাংসের
প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ে।

সাত রঙা পাখি ভাবে –
আহা, আবার কবে শান্ত
আধারভাঙা বনে সে গাইবে গান!

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

বনের গল্প

০৭:১০:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫

বন বড়ই চঞ্চলা
বৃষ্টি নামলে সে পাখিদের ডানাকে ঢেকে
রাখার জন্যে সব পাতা মেলে ধরে না।
অনেক পাখি ভিজে চুপসে যায়
আবার বৃষ্টিতে মাতোয়ারা হয় ঘাসের বুকে
পায়ে চলা, জলে সাঁতার কাটা পাখিরা।

বনে মাঝে মাঝে আগুন লাগে
সে কবে থেকে তার হিসেব নেই –
সেই দাবানলে ভালুক নিজের ছানা হারিয়ে ফেলে
বাঘের ছানা বুকে নিয়েই চমকে ওঠে।
তারপরে ভালুক কী করে – তা রুদ্রের ভয়ংকরে দেখা যায় না।
বাঘের ছানা কখনও কখনও বেঁচে যায়
ভালুকের বুকের সাহায্য পেয়ে।

আবার নিস্তরঙ্গ বনে বুনো ঝড় এলে
কখনও কখনও সিংহ, বাঘ অচ্যুত হয়ে ওঠে।
সিংহ গোপন পাহাড়ের চূড়ায় আশ্রয় নেয় –
বাঘেরা উঁচু কোন গাছের পাতার নিচে
চুপটি করে থাকে।
তখন বনের সকল দুর্বল প্রাণী খাবারের অধিকার
পায় হায়েনা ও শিয়ালেরা।
তারা একের পর এক মাংস জড়ো করে-
সিংহ দূর পাহাড় থেকে “সিংহনিরীক্ষণে” নিশ্চল
দৃষ্টি ফেলে আর দেখে –
বনে যতই রাত নামে ততই
হায়েনা আর শিয়ালেরা মাংস নিয়ে
অশ্লীল, কুৎসিত দাঁত বের করে
একে অপরকে ধাওয়া করতে থাকে।

বনের সাত রঙা পাখিটি ভোর হলে
ওদের রক্তাক্ত দাঁত আর লোভের চিৎকার
শুনে কেঁদে ওঠে –
বলে আহা, বনটা গেল –
সাত রঙা পাখি তার স্মৃতিতে ফিরে
যায় – মনে পড়ে সিংহের গর্জনে কেঁপে উঠত বন
অথচ কী নীরব ছিল তার প্রয়োজনীয় খাদ্যটুকু খাওয়া!

সকালের আলোগুলো আরও ম্লান হয় – হায়েনা
ও শিয়ালের চিৎকারে।
বুনো কুকুর আর শুয়োরেরা তখন মাংসের
প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ে।

সাত রঙা পাখি ভাবে –
আহা, আবার কবে শান্ত
আধারভাঙা বনে সে গাইবে গান!