০৯:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

বরিশালে হেফাজতে মৃত্যুর গুজব, থানায় হামলা: আহত ১২

  • Sarakhon Report
  • ১০:০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
  • 72

বরিশালের আগৈলঝাড়া থানায় হেফাজতে থাকা এক ব্যক্তির মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর থানায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সংঘটিত এ ঘটনায় অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ছয়জন পুলিশ সদস্য এবং ছয়জন সাধারণ মানুষ রয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

গুজব ছড়ানোর পর উত্তেজনা

পুলিশ জানায়, আগৈলঝাড়া উপজেলার ফুলশ্রী গ্রামের ২৪ বছর বয়সী রিয়াজ ফকিরকে বুধবার সন্ধ্যায় একটি চুরির মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। হেফাজতে থাকার সময় তিনি বারবার নিজের মাথায় আঘাত করেন এবং পরে অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে পুলিশের দাবি।

রাত প্রায় ১১টার দিকে তাকে প্রথমে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রিয়াজের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে শতাধিক মানুষ মিছিল নিয়ে আগৈলঝাড়া থানায় এসে হামলা চালায় বলে জানায় পুলিশ।

আহত পুলিশ ও সাধারণ মানুষ

হামলায় সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিম গুরুতর আহত হন। তাকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এছাড়া কনস্টেবল লিমন মিয়া, ফারহাদ হোসেন, মনির হোসেন, আল আমিন হোসেন ও মেহেদী হাসান আহত হন।

সংঘর্ষে আহত সাধারণ মানুষের মধ্যে রয়েছেন রিয়াজের মা নাসরিন বেগম (৫০), বোন শারমিন আক্তার (২৮) এবং মমতাজ বেগম (৪৭)। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েকজন আহতকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে, অন্যরা বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিয়েছেন।

পুলিশ ও পরিবারের ভিন্ন দাবি

রিয়াজের পরিবারের অভিযোগ, গ্রেপ্তারের পর পুলিশ তাকে মারধর করেছে। তবে পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

পুলিশের দাবি, থানার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে রিয়াজ নিজেই লকআপের ভেতরে নিজের মাথায় আঘাত করেছিলেন।

আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি

আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান বলেন, থানায় হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

বরিশালের আগৈলঝাড়া থানায় হেফাজতে থাকা ব্যক্তির মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর হামলার ঘটনায় ১২ জন আহত হন। পুলিশ ও পরিবারের দাবিতে দেখা দিয়েছে ভিন্নতা।

#বরিশাল #আগৈলঝাড়া #থানায়_হামলা #পুলিশ #বাংলাদেশ #আইনশৃঙ্খলা #হেফাজত #UNB

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

বরিশালে হেফাজতে মৃত্যুর গুজব, থানায় হামলা: আহত ১২

১০:০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

বরিশালের আগৈলঝাড়া থানায় হেফাজতে থাকা এক ব্যক্তির মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর থানায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সংঘটিত এ ঘটনায় অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ছয়জন পুলিশ সদস্য এবং ছয়জন সাধারণ মানুষ রয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

গুজব ছড়ানোর পর উত্তেজনা

পুলিশ জানায়, আগৈলঝাড়া উপজেলার ফুলশ্রী গ্রামের ২৪ বছর বয়সী রিয়াজ ফকিরকে বুধবার সন্ধ্যায় একটি চুরির মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। হেফাজতে থাকার সময় তিনি বারবার নিজের মাথায় আঘাত করেন এবং পরে অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে পুলিশের দাবি।

রাত প্রায় ১১টার দিকে তাকে প্রথমে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রিয়াজের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে শতাধিক মানুষ মিছিল নিয়ে আগৈলঝাড়া থানায় এসে হামলা চালায় বলে জানায় পুলিশ।

আহত পুলিশ ও সাধারণ মানুষ

হামলায় সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিম গুরুতর আহত হন। তাকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এছাড়া কনস্টেবল লিমন মিয়া, ফারহাদ হোসেন, মনির হোসেন, আল আমিন হোসেন ও মেহেদী হাসান আহত হন।

সংঘর্ষে আহত সাধারণ মানুষের মধ্যে রয়েছেন রিয়াজের মা নাসরিন বেগম (৫০), বোন শারমিন আক্তার (২৮) এবং মমতাজ বেগম (৪৭)। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েকজন আহতকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে, অন্যরা বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিয়েছেন।

পুলিশ ও পরিবারের ভিন্ন দাবি

রিয়াজের পরিবারের অভিযোগ, গ্রেপ্তারের পর পুলিশ তাকে মারধর করেছে। তবে পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

পুলিশের দাবি, থানার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে রিয়াজ নিজেই লকআপের ভেতরে নিজের মাথায় আঘাত করেছিলেন।

আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি

আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান বলেন, থানায় হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

বরিশালের আগৈলঝাড়া থানায় হেফাজতে থাকা ব্যক্তির মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর হামলার ঘটনায় ১২ জন আহত হন। পুলিশ ও পরিবারের দাবিতে দেখা দিয়েছে ভিন্নতা।

#বরিশাল #আগৈলঝাড়া #থানায়_হামলা #পুলিশ #বাংলাদেশ #আইনশৃঙ্খলা #হেফাজত #UNB