১০:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আমেরিকা আসলে কতটা সমাজতন্ত্র গ্রহণ করতে প্রস্তুত? নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে হামাসের তৎপরতা নিয়ে নজরদারির দাবি ইসরায়েলের

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের কার্যক্রম বিস্তারের আশঙ্কা প্রকাশ করে দুই দেশের পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজরদারি চালানোর দাবি করেছে ইসরায়েল। দেশটির মতে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর থেকেই দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই দেশে সংগঠনটির সম্ভাব্য তৎপরতা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ দাবি করেন ভারতে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ওই সাক্ষাৎকারভিত্তিক প্রতিবেদনে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে হামাসের প্রভাব বিস্তার নিয়ে উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন।

হামাসের প্রভাব বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ

রিউভেন আজারের ভাষ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবরের হামলার পর থেকে ইসরায়েল বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে হামাস-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের ওপর বিশেষ নজর রাখছে। তিনি দাবি করেন, সংগঠনটির কিছু কর্মকাণ্ড সম্পর্কে প্রকাশ্য সূত্র থেকে তথ্য পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে এমন কিছু তৎপরতাও থাকতে পারে, যা এখনও জনসমক্ষে আসেনি।

তার মতে, হামাসের হামলার ধরন ও কৌশল অন্য উগ্রপন্থি বা সশস্ত্র সংগঠনগুলোর জন্য অনুকরণীয় মডেল হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এ কারণে বিষয়টি শুধু ইসরায়েলের জন্য নয়, সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের সরকারগুলোর কাছেও উদ্বেগের কারণ হওয়া উচিত।

বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্কে পালাবদল, কার লাভ কতটা - BBC News বাংলা

পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়েও সন্দেহ

সাক্ষাৎকারে আঞ্চলিক কূটনীতিতে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, পাকিস্তানের কূটনৈতিক অবস্থান সম্পর্কে ইসরায়েল সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং দেশটিকে পুরোপুরি বিশ্বাস করে না।

একই সঙ্গে কাতারের ভূমিকাও ইসরায়েলের কাছে প্রশ্নের মুখে রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি, তবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট ও কূটনৈতিক তৎপরতার প্রেক্ষাপটে এসব দেশের ভূমিকা নিয়ে ইসরায়েলের সংশয়ের ইঙ্গিত দেন।

নজরদারি অব্যাহত রাখার কথা

রিউভেন আজার বলেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে হামাসের সম্ভাব্য কার্যক্রম গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তার মতে, ৭ অক্টোবরের হামলার অভিজ্ঞতা অন্য গোষ্ঠীগুলোকেও অনুপ্রাণিত করতে পারে, যা বিভিন্ন অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতির জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

ইসরায়েলের এই মন্তব্য দক্ষিণ এশিয়ায় নিরাপত্তা, কূটনীতি ও আঞ্চলিক রাজনীতির আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তবে সাক্ষাৎকারে উত্থাপিত দাবিগুলোর পক্ষে কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ বা বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে হামাসের তৎপরতা নিয়ে নজরদারির দাবি করেছে ইসরায়েল। ৭ অক্টোবরের হামলার পর থেকে দুই দেশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের কথা জানিয়েছেন দেশটির রাষ্ট্রদূত।

জনপ্রিয় সংবাদ

আমেরিকা আসলে কতটা সমাজতন্ত্র গ্রহণ করতে প্রস্তুত?

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে হামাসের তৎপরতা নিয়ে নজরদারির দাবি ইসরায়েলের

০৮:৪৪:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের কার্যক্রম বিস্তারের আশঙ্কা প্রকাশ করে দুই দেশের পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজরদারি চালানোর দাবি করেছে ইসরায়েল। দেশটির মতে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর থেকেই দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই দেশে সংগঠনটির সম্ভাব্য তৎপরতা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ দাবি করেন ভারতে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ওই সাক্ষাৎকারভিত্তিক প্রতিবেদনে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে হামাসের প্রভাব বিস্তার নিয়ে উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন।

হামাসের প্রভাব বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ

রিউভেন আজারের ভাষ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবরের হামলার পর থেকে ইসরায়েল বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে হামাস-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের ওপর বিশেষ নজর রাখছে। তিনি দাবি করেন, সংগঠনটির কিছু কর্মকাণ্ড সম্পর্কে প্রকাশ্য সূত্র থেকে তথ্য পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে এমন কিছু তৎপরতাও থাকতে পারে, যা এখনও জনসমক্ষে আসেনি।

তার মতে, হামাসের হামলার ধরন ও কৌশল অন্য উগ্রপন্থি বা সশস্ত্র সংগঠনগুলোর জন্য অনুকরণীয় মডেল হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এ কারণে বিষয়টি শুধু ইসরায়েলের জন্য নয়, সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের সরকারগুলোর কাছেও উদ্বেগের কারণ হওয়া উচিত।

বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্কে পালাবদল, কার লাভ কতটা - BBC News বাংলা

পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়েও সন্দেহ

সাক্ষাৎকারে আঞ্চলিক কূটনীতিতে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, পাকিস্তানের কূটনৈতিক অবস্থান সম্পর্কে ইসরায়েল সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং দেশটিকে পুরোপুরি বিশ্বাস করে না।

একই সঙ্গে কাতারের ভূমিকাও ইসরায়েলের কাছে প্রশ্নের মুখে রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি, তবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট ও কূটনৈতিক তৎপরতার প্রেক্ষাপটে এসব দেশের ভূমিকা নিয়ে ইসরায়েলের সংশয়ের ইঙ্গিত দেন।

নজরদারি অব্যাহত রাখার কথা

রিউভেন আজার বলেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে হামাসের সম্ভাব্য কার্যক্রম গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তার মতে, ৭ অক্টোবরের হামলার অভিজ্ঞতা অন্য গোষ্ঠীগুলোকেও অনুপ্রাণিত করতে পারে, যা বিভিন্ন অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতির জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

ইসরায়েলের এই মন্তব্য দক্ষিণ এশিয়ায় নিরাপত্তা, কূটনীতি ও আঞ্চলিক রাজনীতির আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তবে সাক্ষাৎকারে উত্থাপিত দাবিগুলোর পক্ষে কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ বা বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে হামাসের তৎপরতা নিয়ে নজরদারির দাবি করেছে ইসরায়েল। ৭ অক্টোবরের হামলার পর থেকে দুই দেশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের কথা জানিয়েছেন দেশটির রাষ্ট্রদূত।