০১:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর ইরান যুদ্ধের ধাক্কাতেও যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার শক্তিশালী, চাকরির শূন্যপদ ৭৪ লাখ জাপান-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হস্তক্ষেপে ঘুরে দাঁড়াল ইয়েন, আরও পদক্ষেপের ইঙ্গিত সিন্ধু পানি চুক্তি: ছয় দশক পর বদলে যাওয়া বাস্তবতায় নতুন হিসাবের সময় ভাঁজযোগ্য আইফোনের উৎপাদন দিনে মাত্র কয়েকশ, বাজারে সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা ট্রাম্পের নতুন দাবি: ইউক্রেনকে দেওয়া শত শত বিলিয়ন ডলার ইউরোপের কাছ থেকে ফেরত চান রাশিয়ার নাশকতায় ইউরোপে বাড়ছে সংঘাতের ঝুঁকি, চাপে ন্যাটো ছয় মাসের যুদ্ধে আরও আত্মবিশ্বাসী ইরান, বাড়তে পারে সংঘাত পেন্টাগনে ফাঁস ঠেকাতে ৫০ কর্মকর্তার পলিগ্রাফ পরীক্ষা, ইরান যুদ্ধের তথ্য ঘিরে নজিরবিহীন তদন্ত যে ‘ইয়েনটাউন’ একদিন ছিল ভবিষ্যৎ, ৩০ বছর পর ৪কে-তে ফিরছে ‘Swallowtail Butterfly’

বাংলার শাক (পর্ব-১৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 191

কচু শাক
Colocasia esculenta (Araceae)

কচু সাধারণত জলের কিনারায় ও ভিজে জমিতে জন্মায় বা চাষ করা হয়। এটা গুল্ম জাতীয় গাছ। সবসময় পাওয়া যায়। চাষ করতে হলে বর্ষার শুরুতে এর কন্দ জলা জায়গায় বা সিঞ্চিত ডাঙা জমিতে লাগাতে হয়। ফসল তুলতে ৬-৭ মাস সময় লাগে।

সবুজ ও কালো রঙের ডাঁটাওয়ালা গাছ পাওয়া যায়। দুইটিই সমান উপকারি। এর পাতা ও ডাঁটা রান্না করে খাওয়া যায়, কিছু প্রজাতির কন্দও খাওয়া যায়। নানাভাবে রান্না করলে অতি মুখরোচক ও উপাদেয় পদ তৈরি হয়। বোলতা, বিছার কামড়ে পাতার রস লাগালে বিষের জ্বালা যন্ত্রণা ভালো হয়। পায়খানা পরিষ্কার করে। কানে পূজ ও বেদনা হলে এর রস ২-৪ ফোঁটা করে সারাদিন ২-৪ বার কানে দিলে ভালো হবে।

কচু কয়েক রকমের হয়। যেমন গেঁটে কচু, সারকচু, শোলাকচু, ভূঁইমান বা বিষমান কচু, মানকচু, দুধমানকচু।

(চলবে)

বাংলার শাক (পর্ব-১৭)

বাংলার শাক (পর্ব-১৭)

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর

বাংলার শাক (পর্ব-১৮)

০৯:০০:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪

কচু শাক
Colocasia esculenta (Araceae)

কচু সাধারণত জলের কিনারায় ও ভিজে জমিতে জন্মায় বা চাষ করা হয়। এটা গুল্ম জাতীয় গাছ। সবসময় পাওয়া যায়। চাষ করতে হলে বর্ষার শুরুতে এর কন্দ জলা জায়গায় বা সিঞ্চিত ডাঙা জমিতে লাগাতে হয়। ফসল তুলতে ৬-৭ মাস সময় লাগে।

সবুজ ও কালো রঙের ডাঁটাওয়ালা গাছ পাওয়া যায়। দুইটিই সমান উপকারি। এর পাতা ও ডাঁটা রান্না করে খাওয়া যায়, কিছু প্রজাতির কন্দও খাওয়া যায়। নানাভাবে রান্না করলে অতি মুখরোচক ও উপাদেয় পদ তৈরি হয়। বোলতা, বিছার কামড়ে পাতার রস লাগালে বিষের জ্বালা যন্ত্রণা ভালো হয়। পায়খানা পরিষ্কার করে। কানে পূজ ও বেদনা হলে এর রস ২-৪ ফোঁটা করে সারাদিন ২-৪ বার কানে দিলে ভালো হবে।

কচু কয়েক রকমের হয়। যেমন গেঁটে কচু, সারকচু, শোলাকচু, ভূঁইমান বা বিষমান কচু, মানকচু, দুধমানকচু।

(চলবে)

বাংলার শাক (পর্ব-১৭)

বাংলার শাক (পর্ব-১৭)