০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

বাগেরহাটে ঘরে মিলল দম্পতির মরদেহ, পাশে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার দেড় মাসের শিশু

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার একটি বাড়ি থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই কক্ষে তাদের দেড় মাসের শিশুকে জীবিত অবস্থায় পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতে লেখা চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে, যা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।

বৃহস্পতিবার শরণখোলা উপজেলার রাজৈর গ্রামের নিজ বাড়ির শোবার ঘর থেকে কবির হোসেন হাওলাদার (৩২) ও তার স্ত্রী হালিমা বেগমের (২৭) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কবির উপজেলার আবদুল মজিদ হাওলাদারের ছেলে।

দুই সন্তানের পরিবার

নিহত দম্পতির দুটি সন্তান রয়েছে। বড় সন্তানের বয়স পাঁচ বছর এবং ছোট সন্তানের বয়স মাত্র দেড় মাস। পুলিশ জানায়, ছোট শিশুটি মায়ের পাশে বিছানায় জীবিত অবস্থায় ছিল। অন্যদিকে বড় সন্তানটি আগের রাতেই তার দাদার সঙ্গে পাশের আরেকটি ঘরে ঘুমিয়েছিল।

ঘটনাস্থলে যা পেল পুলিশ

শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকেয়া খানম জানান, সকাল থেকে দম্পতির কোনো সাড়া না পাওয়ায় বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সকাল প্রায় ১১টার দিকে শোবার ঘর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।

তিনি বলেন, ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। রাতে ওই কক্ষে দম্পতি ও তাদের নবজাতক ছাড়া অন্য কেউ ছিল না বলেই প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

উদ্ধার হওয়া চিরকুটে উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী করা যাবে না। তবে চিরকুটটির সত্যতা যাচাই করতে সেটি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ময়নাতদন্তে মিলবে বিস্তারিত তথ্য

ওসি রোকেয়া খানম আরও জানান, মরদেহ দুটিতে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে হালিমা বেগমের বাম চোখে একটি কালো দাগ দেখা গেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণে মরদেহ দুটি বাগেরহাট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, দম্পতির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

বাগেরহাটের শরণখোলায় নিজ বাড়ি থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে জীবিত ছিল তাদের দেড় মাসের শিশু, উদ্ধার হয়েছে একটি চিরকুট।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

বাগেরহাটে ঘরে মিলল দম্পতির মরদেহ, পাশে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার দেড় মাসের শিশু

০৯:১৫:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার একটি বাড়ি থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই কক্ষে তাদের দেড় মাসের শিশুকে জীবিত অবস্থায় পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতে লেখা চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে, যা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।

বৃহস্পতিবার শরণখোলা উপজেলার রাজৈর গ্রামের নিজ বাড়ির শোবার ঘর থেকে কবির হোসেন হাওলাদার (৩২) ও তার স্ত্রী হালিমা বেগমের (২৭) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কবির উপজেলার আবদুল মজিদ হাওলাদারের ছেলে।

দুই সন্তানের পরিবার

নিহত দম্পতির দুটি সন্তান রয়েছে। বড় সন্তানের বয়স পাঁচ বছর এবং ছোট সন্তানের বয়স মাত্র দেড় মাস। পুলিশ জানায়, ছোট শিশুটি মায়ের পাশে বিছানায় জীবিত অবস্থায় ছিল। অন্যদিকে বড় সন্তানটি আগের রাতেই তার দাদার সঙ্গে পাশের আরেকটি ঘরে ঘুমিয়েছিল।

ঘটনাস্থলে যা পেল পুলিশ

শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকেয়া খানম জানান, সকাল থেকে দম্পতির কোনো সাড়া না পাওয়ায় বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সকাল প্রায় ১১টার দিকে শোবার ঘর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।

তিনি বলেন, ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। রাতে ওই কক্ষে দম্পতি ও তাদের নবজাতক ছাড়া অন্য কেউ ছিল না বলেই প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

উদ্ধার হওয়া চিরকুটে উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী করা যাবে না। তবে চিরকুটটির সত্যতা যাচাই করতে সেটি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ময়নাতদন্তে মিলবে বিস্তারিত তথ্য

ওসি রোকেয়া খানম আরও জানান, মরদেহ দুটিতে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে হালিমা বেগমের বাম চোখে একটি কালো দাগ দেখা গেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণে মরদেহ দুটি বাগেরহাট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, দম্পতির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

বাগেরহাটের শরণখোলায় নিজ বাড়ি থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে জীবিত ছিল তাদের দেড় মাসের শিশু, উদ্ধার হয়েছে একটি চিরকুট।