০৯:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

বিদ্যুৎকেন্দ্রের বকেয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা

ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কাছে সরকারের প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা বকেয়া থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশন।

বকেয়া পরিশোধ নিয়ে বৈঠক
ফার্নেস অয়েলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মালিকদের কাছে সরকারের বিপুল পরিমাণ বকেয়া জমে আছে। এই অর্থ পরিশোধ নিয়ে আলোচনা করতে বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশন বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসে। বৈঠকে মূল আলোচ্য ছিল বকেয়া অর্থ দ্রুত পরিশোধ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখা।

মার্চ পর্যন্ত ফার্নেস অয়েল মজুত, দেশে তেলের দাম নিয়ে যা জানা যাচ্ছে

গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগ
বৈঠকে বিদ্যুৎকেন্দ্র মালিকেরা জানান, সামনে গ্রীষ্মকাল হওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা বাড়বে। এই সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন চালু রাখতে হলে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। কিন্তু বকেয়া অর্থ না পেলে জ্বালানি কেনা কঠিন হয়ে পড়বে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

অন্তত ৬০ শতাংশ বকেয়া পরিশোধের দাবি
সংগঠনের সভাপতি ডেভিড হাসনাত বলেন, জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রাখতে দ্রুত অন্তত ৬০ শতাংশ বকেয়া পরিশোধ করা জরুরি। এতে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো নিয়মিতভাবে জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনও স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে।

 

মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট আশ্বাস নেই
তবে বৈঠকে বকেয়া পরিশোধের বিষয়ে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো স্পষ্ট আশ্বাস পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে আসন্ন গ্রীষ্ম মৌসুমে বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

বিদ্যুৎকেন্দ্রের বকেয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা

১২:৩২:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কাছে সরকারের প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা বকেয়া থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশন।

বকেয়া পরিশোধ নিয়ে বৈঠক
ফার্নেস অয়েলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মালিকদের কাছে সরকারের বিপুল পরিমাণ বকেয়া জমে আছে। এই অর্থ পরিশোধ নিয়ে আলোচনা করতে বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশন বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসে। বৈঠকে মূল আলোচ্য ছিল বকেয়া অর্থ দ্রুত পরিশোধ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখা।

মার্চ পর্যন্ত ফার্নেস অয়েল মজুত, দেশে তেলের দাম নিয়ে যা জানা যাচ্ছে

গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগ
বৈঠকে বিদ্যুৎকেন্দ্র মালিকেরা জানান, সামনে গ্রীষ্মকাল হওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা বাড়বে। এই সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন চালু রাখতে হলে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। কিন্তু বকেয়া অর্থ না পেলে জ্বালানি কেনা কঠিন হয়ে পড়বে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

অন্তত ৬০ শতাংশ বকেয়া পরিশোধের দাবি
সংগঠনের সভাপতি ডেভিড হাসনাত বলেন, জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রাখতে দ্রুত অন্তত ৬০ শতাংশ বকেয়া পরিশোধ করা জরুরি। এতে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো নিয়মিতভাবে জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনও স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে।

 

মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট আশ্বাস নেই
তবে বৈঠকে বকেয়া পরিশোধের বিষয়ে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো স্পষ্ট আশ্বাস পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে আসন্ন গ্রীষ্ম মৌসুমে বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে।