০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

বিশ্ববাজারের চাহিদায় চাঙা এশিয়ার কারখানা, রপ্তানিতে ফিরছে গতি

বিশ্ববাজারে স্থিতিশীল চাহিদার জোরে জানুয়ারিতে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের কারখানা কার্যক্রম বেড়েছে। বেসরকারি খাতের জরিপে দেখা যাচ্ছে, রপ্তানি আদেশ বাড়ায় উৎপাদনে গতি ফিরেছে, যা নীতিনির্ধারকদের জন্য কিছুটা স্বস্তির বার্তা দিচ্ছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ শুল্কের প্রভাব আপাতত কমে আসছে বলে ইঙ্গিত মিলছে।

জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় গতি
জানুয়ারিতে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার উৎপাদন খাত বহু বছরের মধ্যে দ্রুততম হারে বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ বড় বাজারগুলোতে চাহিদা বজায় থাকায় এই দুই দেশের রপ্তানিনির্ভর শিল্পের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়েছে। জাপানে উৎপাদন সূচক বেড়ে দাঁড়িয়েছে এমন স্তরে, যা ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ। এতে বোঝা যায়, দীর্ঘ সময়ের মন্দার পর দেশটির শিল্প খাত আবার সম্প্রসারণের পথে ফিরেছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনীতি - উইকিপিডিয়া

চীনে রপ্তানি আদেশে পুনরুদ্ধার
চীনের ক্ষেত্রেও জানুয়ারিতে উৎপাদন কার্যক্রম আগের মাসের তুলনায় দ্রুত বেড়েছে। বেসরকারি জরিপ অনুযায়ী, রপ্তানি আদেশে পুনরুদ্ধার এই প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি। যদিও এর আগে সরকারি প্রতিবেদনে শিল্পখাতে কিছুটা শ্লথতার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল, নতুন তথ্য সেই চিত্রকে আংশিকভাবে বদলে দিয়েছে। দুর্বল অভ্যন্তরীণ ভোগের ঘাটতি পুষিয়ে নিতে চীন যে রপ্তানি জোরদার করছে, সেটিই এই উন্নতির পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে।

চীনের সেপ্টেম্বর রপ্তানি–আমদানি প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গেল

বিশ্লেষকদের মূল্যায়ন
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে অধিকাংশ দেশের রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে স্বল্পমেয়াদে এশিয়ার রপ্তানিমুখী উৎপাদন খাতের ভবিষ্যৎ ইতিবাচকই থাকছে। আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা শক্ত থাকলে এই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে।

অন্যান্য এশীয় দেশের চিত্র
বিশ্বব্যাপী চাহিদা বাড়ার প্রভাবে তাইওয়ান ও ইন্দোনেশিয়াতেও জানুয়ারিতে উৎপাদন সূচক উন্নত হয়েছে। একই সময়ে মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন ও ভিয়েতনামের কারখানা কার্যক্রমও সম্প্রসারণের পথে ছিল। তবে ভারতের ক্ষেত্রে জানুয়ারিতে উৎপাদন সামান্য বেড়েছে মাত্র। চাহিদা কিছুটা উন্নত হলেও তা ব্যবসায়ীদের আস্থা বা কর্মসংস্থান বাড়ানোর মতো শক্তিশালী ছিল না।

তাইওয়ান: সমৃদ্ধির আড়ালে অস্থিরতা | প্রথম আলো

বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল সম্প্রতি ২০২৬ সালের বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কজনিত ঝুঁকি কমে আসা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বিনিয়োগের জোয়ার সম্পদমূল্য ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির প্রত্যাশা তৈরি করায় বৈশ্বিক অর্থনীতির চিত্র কিছুটা উজ্জ্বল হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটেই এশিয়ার কারখানা কার্যক্রমে সম্প্রসারণের ধারা আরও শক্ত হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

বিশ্ববাজারের চাহিদায় চাঙা এশিয়ার কারখানা, রপ্তানিতে ফিরছে গতি

০৩:১২:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিশ্ববাজারে স্থিতিশীল চাহিদার জোরে জানুয়ারিতে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের কারখানা কার্যক্রম বেড়েছে। বেসরকারি খাতের জরিপে দেখা যাচ্ছে, রপ্তানি আদেশ বাড়ায় উৎপাদনে গতি ফিরেছে, যা নীতিনির্ধারকদের জন্য কিছুটা স্বস্তির বার্তা দিচ্ছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ শুল্কের প্রভাব আপাতত কমে আসছে বলে ইঙ্গিত মিলছে।

জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় গতি
জানুয়ারিতে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার উৎপাদন খাত বহু বছরের মধ্যে দ্রুততম হারে বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ বড় বাজারগুলোতে চাহিদা বজায় থাকায় এই দুই দেশের রপ্তানিনির্ভর শিল্পের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়েছে। জাপানে উৎপাদন সূচক বেড়ে দাঁড়িয়েছে এমন স্তরে, যা ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ। এতে বোঝা যায়, দীর্ঘ সময়ের মন্দার পর দেশটির শিল্প খাত আবার সম্প্রসারণের পথে ফিরেছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনীতি - উইকিপিডিয়া

চীনে রপ্তানি আদেশে পুনরুদ্ধার
চীনের ক্ষেত্রেও জানুয়ারিতে উৎপাদন কার্যক্রম আগের মাসের তুলনায় দ্রুত বেড়েছে। বেসরকারি জরিপ অনুযায়ী, রপ্তানি আদেশে পুনরুদ্ধার এই প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি। যদিও এর আগে সরকারি প্রতিবেদনে শিল্পখাতে কিছুটা শ্লথতার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল, নতুন তথ্য সেই চিত্রকে আংশিকভাবে বদলে দিয়েছে। দুর্বল অভ্যন্তরীণ ভোগের ঘাটতি পুষিয়ে নিতে চীন যে রপ্তানি জোরদার করছে, সেটিই এই উন্নতির পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে।

চীনের সেপ্টেম্বর রপ্তানি–আমদানি প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গেল

বিশ্লেষকদের মূল্যায়ন
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে অধিকাংশ দেশের রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে স্বল্পমেয়াদে এশিয়ার রপ্তানিমুখী উৎপাদন খাতের ভবিষ্যৎ ইতিবাচকই থাকছে। আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা শক্ত থাকলে এই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে।

অন্যান্য এশীয় দেশের চিত্র
বিশ্বব্যাপী চাহিদা বাড়ার প্রভাবে তাইওয়ান ও ইন্দোনেশিয়াতেও জানুয়ারিতে উৎপাদন সূচক উন্নত হয়েছে। একই সময়ে মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন ও ভিয়েতনামের কারখানা কার্যক্রমও সম্প্রসারণের পথে ছিল। তবে ভারতের ক্ষেত্রে জানুয়ারিতে উৎপাদন সামান্য বেড়েছে মাত্র। চাহিদা কিছুটা উন্নত হলেও তা ব্যবসায়ীদের আস্থা বা কর্মসংস্থান বাড়ানোর মতো শক্তিশালী ছিল না।

তাইওয়ান: সমৃদ্ধির আড়ালে অস্থিরতা | প্রথম আলো

বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল সম্প্রতি ২০২৬ সালের বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কজনিত ঝুঁকি কমে আসা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বিনিয়োগের জোয়ার সম্পদমূল্য ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির প্রত্যাশা তৈরি করায় বৈশ্বিক অর্থনীতির চিত্র কিছুটা উজ্জ্বল হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটেই এশিয়ার কারখানা কার্যক্রমে সম্প্রসারণের ধারা আরও শক্ত হচ্ছে।