১১:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম কোলম্বোতে ভারত‑পাক ম্যাচে উপস্থিত থাকছেন না

আজ কোলম্বোতে অনুষ্ঠিতব্য টি২০ বিশ্বকাপের ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের মুখোমুখি ম্যাচে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল উপস্থিত থাকবেন না। বাংলাদেশ দলের টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ না করার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, আমিনুল ইসলাম সম্প্রতি কুয়েতে অনুষ্ঠিত এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভা শেষে গতকাল সকালে ঢাকায় ফিরে আসেন এবং দেশের ভেতরে অবস্থান করার সিদ্ধান্ত নেন। তাকে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি তার সফরের পরিকল্পনা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

অংশগ্রহণ না করার পেছনের কারণ
বিসিবি সভাপতির এই সিদ্ধান্ত মূলত বাংলাদেশের দলের অনুপস্থিতির কারণে নেওয়া হয়েছে। যদিও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) পাঁচটি এশীয় টেস্ট খেলা দেশের বোর্ড সভাপতিদের একত্রিত করে ম্যাচটি দেখতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল, সেই আমন্ত্রণ পাওয়ার পরও তিনি নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে দেশে থাকাই সমীচীন মনে করেছেন। তার মতে, যখন বাংলাদেশের দলই খেলায় নেই, তখন দর্শক হিসেবে উপস্থিত হওয়া যৌক্তিক নয়।

দূতস্ত কূটনৈতিক ভূমিকা এবং লাহোর আলোচনার স্মৃতি
সম্প্রতি আমিনুল ইসলাম লাহোরে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ও আইসিসির সঙ্গে বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছিলেন। সেই বৈঠকে তিনি পাকিস্তানকে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে অংশগ্রহণ করতে উৎসাহিত করেছিলেন। পাকিস্তান তখন বাংলাদেশের বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার প্রতি প্রতিক্রিয়াস্বরূপ খেলায় অংশগ্রহণ না করার হুমকি দিয়েছিল। এই আলোচনায় তিনি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কূটনৈতিকভাবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের সেতুবন্ধন গড়ার চেষ্টা করেছিলেন।

মাঠের উত্তেজনা ও আন্তর্জাতিক মনোভাব
ভারত এবং পাকিস্তানের ক্রিকেট দ্বৈরথ সবসময়ই উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু। আজকের ম্যাচে দর্শকরা যেমন উত্তেজনার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন, তেমনি মাঠের বাইরেও কূটনৈতিক এবং ক্রীড়া সম্পর্কের দিকগুলো চোখে পড়ার মতো। বাংলাদেশ দলের অনুপস্থিতি এবং বিসিবি সভাপতির অনুপস্থিতি এই ম্যাচকে আরও আলোচিত করেছে। ক্রিকেটের মাঠে উত্তেজনা থাকলেও প্রশাসনিক এবং কূটনৈতিক দিক থেকেও এই ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম কোলম্বোতে ভারত‑পাক ম্যাচে উপস্থিত থাকছেন না

০৫:৪৫:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আজ কোলম্বোতে অনুষ্ঠিতব্য টি২০ বিশ্বকাপের ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের মুখোমুখি ম্যাচে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল উপস্থিত থাকবেন না। বাংলাদেশ দলের টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ না করার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, আমিনুল ইসলাম সম্প্রতি কুয়েতে অনুষ্ঠিত এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভা শেষে গতকাল সকালে ঢাকায় ফিরে আসেন এবং দেশের ভেতরে অবস্থান করার সিদ্ধান্ত নেন। তাকে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি তার সফরের পরিকল্পনা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

অংশগ্রহণ না করার পেছনের কারণ
বিসিবি সভাপতির এই সিদ্ধান্ত মূলত বাংলাদেশের দলের অনুপস্থিতির কারণে নেওয়া হয়েছে। যদিও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) পাঁচটি এশীয় টেস্ট খেলা দেশের বোর্ড সভাপতিদের একত্রিত করে ম্যাচটি দেখতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল, সেই আমন্ত্রণ পাওয়ার পরও তিনি নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে দেশে থাকাই সমীচীন মনে করেছেন। তার মতে, যখন বাংলাদেশের দলই খেলায় নেই, তখন দর্শক হিসেবে উপস্থিত হওয়া যৌক্তিক নয়।

দূতস্ত কূটনৈতিক ভূমিকা এবং লাহোর আলোচনার স্মৃতি
সম্প্রতি আমিনুল ইসলাম লাহোরে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ও আইসিসির সঙ্গে বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছিলেন। সেই বৈঠকে তিনি পাকিস্তানকে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে অংশগ্রহণ করতে উৎসাহিত করেছিলেন। পাকিস্তান তখন বাংলাদেশের বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার প্রতি প্রতিক্রিয়াস্বরূপ খেলায় অংশগ্রহণ না করার হুমকি দিয়েছিল। এই আলোচনায় তিনি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কূটনৈতিকভাবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের সেতুবন্ধন গড়ার চেষ্টা করেছিলেন।

মাঠের উত্তেজনা ও আন্তর্জাতিক মনোভাব
ভারত এবং পাকিস্তানের ক্রিকেট দ্বৈরথ সবসময়ই উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু। আজকের ম্যাচে দর্শকরা যেমন উত্তেজনার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন, তেমনি মাঠের বাইরেও কূটনৈতিক এবং ক্রীড়া সম্পর্কের দিকগুলো চোখে পড়ার মতো। বাংলাদেশ দলের অনুপস্থিতি এবং বিসিবি সভাপতির অনুপস্থিতি এই ম্যাচকে আরও আলোচিত করেছে। ক্রিকেটের মাঠে উত্তেজনা থাকলেও প্রশাসনিক এবং কূটনৈতিক দিক থেকেও এই ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।