০৩:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

বুসানে ট্রাম্প–শি বৈঠকে সাময়িক বিরতি, বড় সমাধান নয়

দ্বিপক্ষীয় “পজ বোতাম”—বাণিজ্য ও ফেন্টানিল ইস্যু
দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে এপেক সম্মেলনের ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আলোচনার পর সহযোগিতার কয়েকটি ইঙ্গিত দিলেও প্রকৃত বিরোধে অগ্রগতি সীমিত। ট্রাম্প বৈঠককে “অ্যামেজিং” বললেও, বাস্তবে ফোকাস ছিল ফেন্টানিল প্রিকার্সরের প্রবাহ রোধে সমন্বয়, কৃষিপণ্য কেনা এবং জ্বালানির মতো কম-সংবেদনশীল খাতে। যুক্তরাষ্ট্র ফেন্টানিল-সংশ্লিষ্ট এক শুল্ক ১০ শতাংশে নামানোর কথা বলেছে; চীন ২০২৬ সালে ট্রাম্পের বেইজিং সফর নিশ্চিত করেছে। বাজারে এটি স্বস্তির সিগন্যাল, সমাধান নয়—কারণ রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ, ভর্তুকি-নির্ভর শিল্পনীতি ও নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি নিয়ে মূল মতভেদ অটুট।

প্রযুক্তি-সংবেদনশীল খাত এড়িয়ে যাওয়া
এনভিডিয়ার ব্ল্যাকওয়েল চিপসহ উচ্চপ্রযুক্তির প্রসঙ্গ প্রকাশ্যে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে—যা কোর ইমপাস দেখায়: ওয়াশিংটনের কাটগার্ড বনাম বেইজিংয়ের স্বনির্ভরতার পথ। বিশ্লেষকেরা বলছেন, পণ্যবাজারে সীমিত ইতিবাচক ইফেক্ট মিলতে পারে, কিন্তু রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ, ডেটা-নীতিমালা ও স্যাংশন ঝুঁকি বহাল থাকবে। নভেম্বরজুড়ে “ফ্রেমওয়ার্ক” ও পাইলট ওয়ার্কিং গ্রুপের ব্যস্ততা থাকবে—কিন্তু সুনির্দিষ্ট আলোচনায় পুরোনো লালরেখাই সামনে আসবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

বুসানে ট্রাম্প–শি বৈঠকে সাময়িক বিরতি, বড় সমাধান নয়

০৩:৪৮:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

দ্বিপক্ষীয় “পজ বোতাম”—বাণিজ্য ও ফেন্টানিল ইস্যু
দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে এপেক সম্মেলনের ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আলোচনার পর সহযোগিতার কয়েকটি ইঙ্গিত দিলেও প্রকৃত বিরোধে অগ্রগতি সীমিত। ট্রাম্প বৈঠককে “অ্যামেজিং” বললেও, বাস্তবে ফোকাস ছিল ফেন্টানিল প্রিকার্সরের প্রবাহ রোধে সমন্বয়, কৃষিপণ্য কেনা এবং জ্বালানির মতো কম-সংবেদনশীল খাতে। যুক্তরাষ্ট্র ফেন্টানিল-সংশ্লিষ্ট এক শুল্ক ১০ শতাংশে নামানোর কথা বলেছে; চীন ২০২৬ সালে ট্রাম্পের বেইজিং সফর নিশ্চিত করেছে। বাজারে এটি স্বস্তির সিগন্যাল, সমাধান নয়—কারণ রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ, ভর্তুকি-নির্ভর শিল্পনীতি ও নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি নিয়ে মূল মতভেদ অটুট।

প্রযুক্তি-সংবেদনশীল খাত এড়িয়ে যাওয়া
এনভিডিয়ার ব্ল্যাকওয়েল চিপসহ উচ্চপ্রযুক্তির প্রসঙ্গ প্রকাশ্যে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে—যা কোর ইমপাস দেখায়: ওয়াশিংটনের কাটগার্ড বনাম বেইজিংয়ের স্বনির্ভরতার পথ। বিশ্লেষকেরা বলছেন, পণ্যবাজারে সীমিত ইতিবাচক ইফেক্ট মিলতে পারে, কিন্তু রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ, ডেটা-নীতিমালা ও স্যাংশন ঝুঁকি বহাল থাকবে। নভেম্বরজুড়ে “ফ্রেমওয়ার্ক” ও পাইলট ওয়ার্কিং গ্রুপের ব্যস্ততা থাকবে—কিন্তু সুনির্দিষ্ট আলোচনায় পুরোনো লালরেখাই সামনে আসবে।