১২:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

বেসরকারি খাতই প্রবৃদ্ধির মূল চালিকা শক্তি, বিনিয়োগে সর্বোচ্চ গুরুত্ব সরকারের

দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রধান শক্তি হিসেবে বেসরকারি খাতকে উল্লেখ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, বাণিজ্য, শিল্প ও বিনিয়োগকে এগিয়ে নিতে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং এ লক্ষ্যে নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

রোববার সচিবালয়ে নিজের কার্যালয়ে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি তাসকীন আহমেদের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।

বেসরকারি খাতকে ঘিরে সরকারের অগ্রাধিকার

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী ও টেকসই করতে বেসরকারি খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করা, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং শিল্পখাতকে গতিশীল করার দিকেই সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি জানান, পুঁজিবাজারকে আরও প্রাণবন্ত করা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংককে বেসরকারি খাতবান্ধব করে গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে।

ঋণপ্রবাহ বাড়াতে উদ্যোগ

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বিনিয়োগ বাড়াতে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বৃদ্ধি এবং ঋণ পাওয়ার শর্ত সহজ করার বিষয়টিও সরকারের অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে। এর মাধ্যমে উদ্যোক্তারা আরও সহজে অর্থায়ন পাবে এবং নতুন বিনিয়োগ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানোর প্রস্তাব

বৈঠকে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে আর্থিক খাতকে আরও শক্তিশালী করা জরুরি। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন।

তিনি নীতিগত সুদের হার ধীরে ধীরে কমানোর প্রস্তাব দেন, যাতে ঋণের সুদের হার কমে এবং বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ে।

ঋণখেলাপিদের বিষয়ে পুনর্বিবেচনার আহ্বান

তাসকীন বলেন, প্রকৃত বা অনিচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের ক্ষেত্রে ঋণ পুনঃতফসিল সুবিধা নতুনভাবে বিবেচনা করা যেতে পারে। ঋণ শ্রেণিকরণের সময়সীমা বাড়ালে অনেক উদ্যোক্তা নতুন করে ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, আর্থিক নীতি, রাজস্ব নীতি ও কাঠামোগত সংস্কার সমন্বয়ের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা, আর্থিক স্থিতিশীলতা শক্তিশালী করা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভব।

বৈঠকে ঢাকা চেম্বারের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি রাজীব এইচ চৌধুরী ও সহসভাপতি মোহাম্মদ সালেম সোলাইমান উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

বেসরকারি খাতই প্রবৃদ্ধির মূল চালিকা শক্তি, বিনিয়োগে সর্বোচ্চ গুরুত্ব সরকারের

১১:২৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রধান শক্তি হিসেবে বেসরকারি খাতকে উল্লেখ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, বাণিজ্য, শিল্প ও বিনিয়োগকে এগিয়ে নিতে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং এ লক্ষ্যে নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

রোববার সচিবালয়ে নিজের কার্যালয়ে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি তাসকীন আহমেদের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।

বেসরকারি খাতকে ঘিরে সরকারের অগ্রাধিকার

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী ও টেকসই করতে বেসরকারি খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করা, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং শিল্পখাতকে গতিশীল করার দিকেই সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি জানান, পুঁজিবাজারকে আরও প্রাণবন্ত করা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংককে বেসরকারি খাতবান্ধব করে গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে।

ঋণপ্রবাহ বাড়াতে উদ্যোগ

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বিনিয়োগ বাড়াতে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বৃদ্ধি এবং ঋণ পাওয়ার শর্ত সহজ করার বিষয়টিও সরকারের অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে। এর মাধ্যমে উদ্যোক্তারা আরও সহজে অর্থায়ন পাবে এবং নতুন বিনিয়োগ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানোর প্রস্তাব

বৈঠকে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে আর্থিক খাতকে আরও শক্তিশালী করা জরুরি। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন।

তিনি নীতিগত সুদের হার ধীরে ধীরে কমানোর প্রস্তাব দেন, যাতে ঋণের সুদের হার কমে এবং বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ে।

ঋণখেলাপিদের বিষয়ে পুনর্বিবেচনার আহ্বান

তাসকীন বলেন, প্রকৃত বা অনিচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের ক্ষেত্রে ঋণ পুনঃতফসিল সুবিধা নতুনভাবে বিবেচনা করা যেতে পারে। ঋণ শ্রেণিকরণের সময়সীমা বাড়ালে অনেক উদ্যোক্তা নতুন করে ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, আর্থিক নীতি, রাজস্ব নীতি ও কাঠামোগত সংস্কার সমন্বয়ের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা, আর্থিক স্থিতিশীলতা শক্তিশালী করা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভব।

বৈঠকে ঢাকা চেম্বারের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি রাজীব এইচ চৌধুরী ও সহসভাপতি মোহাম্মদ সালেম সোলাইমান উপস্থিত ছিলেন।