০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ওষুধ ব্যবসায়ীদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট

কলেজ মার্কেট থেকে দোকান উচ্ছেদের প্রতিবাদে আন্দোলন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরে সোমবার সকাল থেকে ফার্মেসি মালিকরা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেছেন। তারা অভিযোগ করছেন, জেলা সরকারি মহিলা কলেজ মার্কেট থেকে বরাদ্দকৃত দোকানগুলোকে অবৈধ ঘোষণা করে জোরপূর্বক উচ্ছেদের চেষ্টা চলছে।

এই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, যার কারণে শহরের ফার্মেসি বন্ধ থাকায় রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।


বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি

সোমবার সকালে সংগঠনের নেতারা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে বিক্ষোভ মিছিল শেষে কলেজ মার্কেটের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. শানুল হক ভূঁইয়া, পৌর ইউনিট সভাপতি নূর আলম সিদ্দিকী, ব্যবসায়ী নেতা মো. জিয়াউল হক ও খোকন খান।


১৯৮৩ সাল থেকে ভাড়ায় ফার্মেসি, হঠাৎ অবৈধ ঘোষণা

বক্তারা জানান, ১৯৮৩ সাল থেকে কলেজ মার্কেটে ১৪টি ফার্মেসি বরাদ্দ পেয়ে মাসিক ২৮ হাজার টাকা ভাড়ায় দোকান পরিচালনা করে আসছেন এবং নিয়মিত ভাড়া পরিশোধ করছেন।
কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে কর্তৃপক্ষ এই দোকানগুলোকে “অবৈধ” বলে ঘোষণা দিয়ে উচ্ছেদের চেষ্টা শুরু করেছে।


ব্যবসায়ীদের দাবি ও সময়ের আবেদন

অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা এই উচ্ছেদ অভিযানে মানবিকতা ও আইনবিরোধিতা দেখিয়ে বলেন, তারা অন্তত ছয় মাস সময় চেয়েছিলেন যাতে বিদ্যমান চুক্তির আওতায় দোকান স্থানান্তর করা যায়। কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের অনুরোধ উপেক্ষা করেছে।

তারা অবিলম্বে উচ্ছেদ কার্যক্রম বন্ধ ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের জন্য ন্যায্য সমাধানের দাবি জানান। অন্যথায় ধর্মঘট অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।


কলেজ শিক্ষার্থীদের পৃথক আন্দোলন

এদিকে, কলেজ শিক্ষার্থীরাও নিজ প্রতিষ্ঠানের সামনে বিক্ষোভ করছেন। তাদের দাবি, কলেজের নতুন গেট নির্মাণের জন্য মার্কেটের দোকানগুলো উচ্ছেদ করতে হবে।


এই পরিস্থিতির মধ্যে ময়মনসিংহ বিভাগেও দ্বিতীয় দিনের মতো বাস ধর্মঘট চলছে, যা আঞ্চলিক পরিবহন ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যাত্রায় আরও জটিলতা তৈরি করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ওষুধ ব্যবসায়ীদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট

০৫:১৬:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

কলেজ মার্কেট থেকে দোকান উচ্ছেদের প্রতিবাদে আন্দোলন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরে সোমবার সকাল থেকে ফার্মেসি মালিকরা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেছেন। তারা অভিযোগ করছেন, জেলা সরকারি মহিলা কলেজ মার্কেট থেকে বরাদ্দকৃত দোকানগুলোকে অবৈধ ঘোষণা করে জোরপূর্বক উচ্ছেদের চেষ্টা চলছে।

এই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, যার কারণে শহরের ফার্মেসি বন্ধ থাকায় রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।


বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি

সোমবার সকালে সংগঠনের নেতারা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে বিক্ষোভ মিছিল শেষে কলেজ মার্কেটের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. শানুল হক ভূঁইয়া, পৌর ইউনিট সভাপতি নূর আলম সিদ্দিকী, ব্যবসায়ী নেতা মো. জিয়াউল হক ও খোকন খান।


১৯৮৩ সাল থেকে ভাড়ায় ফার্মেসি, হঠাৎ অবৈধ ঘোষণা

বক্তারা জানান, ১৯৮৩ সাল থেকে কলেজ মার্কেটে ১৪টি ফার্মেসি বরাদ্দ পেয়ে মাসিক ২৮ হাজার টাকা ভাড়ায় দোকান পরিচালনা করে আসছেন এবং নিয়মিত ভাড়া পরিশোধ করছেন।
কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে কর্তৃপক্ষ এই দোকানগুলোকে “অবৈধ” বলে ঘোষণা দিয়ে উচ্ছেদের চেষ্টা শুরু করেছে।


ব্যবসায়ীদের দাবি ও সময়ের আবেদন

অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা এই উচ্ছেদ অভিযানে মানবিকতা ও আইনবিরোধিতা দেখিয়ে বলেন, তারা অন্তত ছয় মাস সময় চেয়েছিলেন যাতে বিদ্যমান চুক্তির আওতায় দোকান স্থানান্তর করা যায়। কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের অনুরোধ উপেক্ষা করেছে।

তারা অবিলম্বে উচ্ছেদ কার্যক্রম বন্ধ ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের জন্য ন্যায্য সমাধানের দাবি জানান। অন্যথায় ধর্মঘট অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।


কলেজ শিক্ষার্থীদের পৃথক আন্দোলন

এদিকে, কলেজ শিক্ষার্থীরাও নিজ প্রতিষ্ঠানের সামনে বিক্ষোভ করছেন। তাদের দাবি, কলেজের নতুন গেট নির্মাণের জন্য মার্কেটের দোকানগুলো উচ্ছেদ করতে হবে।


এই পরিস্থিতির মধ্যে ময়মনসিংহ বিভাগেও দ্বিতীয় দিনের মতো বাস ধর্মঘট চলছে, যা আঞ্চলিক পরিবহন ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যাত্রায় আরও জটিলতা তৈরি করেছে।