০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন শ্রেণি বিভাজন: মূলধারার দল ছেড়ে জনতার ঝোঁক নতুন শক্তির দিকে

দীর্ঘদিন ধরে দুই প্রধান দলের দখলে থাকা ব্রিটেনের রাজনীতি এখন বড় ধরনের পরিবর্তনের মুখে দাঁড়িয়ে। অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশা—এই সব কারণ মিলিয়ে বহু ভোটার মূলধারার রাজনীতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। এর ফলে নতুন ধরনের রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হচ্ছে, যেখানে নতুন দলগুলো ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে উঠছে এবং প্রচলিত দলগুলোর ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ছে।

প্রতিবাদ থেকে স্পষ্ট নতুন বাস্তবতা

ইংল্যান্ডের দক্ষিণ-পশ্চিমের একটি শহরে সম্প্রতি এক ডানপন্থী সংগঠন মিছিল করে। তারা নিজেদের দেশপ্রেমিক বলে দাবি করলেও সরকারের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান স্পষ্ট। এর পাল্টা হিসেবে বামপন্থী গোষ্ঠীগুলোও প্রতিবাদে নামে।

এই ঘটনায় একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে ওঠে—রাজনীতির ডান ও বাম শিবির অনেক বিষয়ে একমত না হলেও মূলধারার রাজনীতির প্রতি অসন্তোষ দুই দিকেই বাড়ছে। অভিবাসন, লিঙ্গ পরিচয় বা পরিবেশ নীতির মতো সাংস্কৃতিক ইস্যুতে বিভক্তি থাকলেও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা মানুষকে নতুন রাজনৈতিক বিকল্পের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

দুই প্রধান দলের প্রভাব কমছে

দীর্ঘ সময় ধরে ব্রিটেনে শ্রমজীবী মানুষের সমর্থন ছিল একদিকে, আর মধ্যবিত্ত ও ধনীদের সমর্থন ছিল অন্যদিকে। কিন্তু গত দশকে সেই ঐতিহ্যগত সমীকরণ ভেঙে গেছে।

একটি বড় জনমত জরিপ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এখন রাজনীতির বিভাজন কেবল শ্রেণি নয়, বয়স ও শিক্ষার ভিত্তিতেও তৈরি হচ্ছে। তরুণ, উচ্চশিক্ষিত মানুষ এবং বিভিন্ন সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর ভোটাররা সাধারণত বামপন্থী দলগুলোর দিকে ঝুঁকছেন। অন্যদিকে বয়স্ক ও কম শিক্ষিত ভোটারদের বড় অংশ ডানপন্থী রাজনীতিকে সমর্থন করছেন।

তবে এই দুই শিবিরের মধ্যেও একটি বড় বিভাজন দেখা যাচ্ছে—অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা। যারা তুলনামূলকভাবে স্বচ্ছল, তারা এখনও পুরনো দলগুলোর প্রতি অনুগত। কিন্তু যেসব মানুষ নিয়মিত আর্থিক সংকটে ভোগেন, তাদের বড় অংশ নতুন রাজনৈতিক শক্তির দিকে ঝুঁকছেন।

অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা বাড়াচ্ছে রাজনৈতিক ক্ষোভ

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, যেসব মানুষের নিজের বাড়ি নেই বা ভাড়া বাসায় থাকেন, তাদের মধ্যে মূলধারার দলগুলোর প্রতি সমর্থন দ্রুত কমছে। অনেকেই মনে করছেন প্রচলিত রাজনীতি তাদের সমস্যার সমাধান দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

অনেক ভোটার এখন এমন ধারণায় বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন যে সমাজে একজনের উন্নতি মানেই অন্য কারও ক্ষতি। এই মানসিকতা রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আস্থাহীনতার প্রতিফলন।

নির্বাচনে নতুন শক্তির উত্থান

সম্প্রতি এক উপনির্বাচনে এই পরিবর্তনের স্পষ্ট প্রতিফলন দেখা গেছে। আগে যেখানে একটি প্রধান দল নিরাপদ অবস্থানে ছিল, সেখানে এবার নতুন একটি দল নাটকীয়ভাবে ভোট বাড়িয়ে জয় পেয়েছে।

স্থানীয় অনেক ভোটার জানান, জীবনযাত্রার খরচ এত বেড়েছে যে কখনও কখনও খাবার কেনাও কঠিন হয়ে পড়ে। তাদের অনেকেই মনে করেন নতুন রাজনৈতিক শক্তি হয়তো অন্তত পরিবর্তনের চেষ্টা করবে।

অর্থনৈতিক বাস্তবতা বদলে দিয়েছে ভোটের ধারা

গত দুই দশকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধীর হয়ে পড়ায় মানুষের মধ্যে হতাশা বেড়েছে। অনেক তরুণ মনে করছেন কঠোর পরিশ্রম করেও তারা আগের প্রজন্মের মতো জীবনমান অর্জন করতে পারছেন না।

বিশেষ করে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের অনেকেই দেখছেন, পড়াশোনা শেষ করার পরও প্রত্যাশিত আয় বা স্থায়ী চাকরি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে বাড়ির দাম বাড়তে থাকায় বাড়ির মালিক হওয়ার স্বপ্নও অনেকের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।

তরুণদের মধ্যে বাড়ছে অনিশ্চয়তা

তরুণদের বেকারত্বের হারও কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিস্তার ভবিষ্যতের চাকরি নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করছে।

এই পরিস্থিতিতে বহু তরুণ ভোটার মনে করছেন, প্রচলিত রাজনৈতিক কাঠামো তাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে পারছে না।

কেন সমাধান খুঁজে পাওয়া কঠিন

কিছু বিশ্লেষকের মতে ধনীদের ওপর বেশি কর আরোপ করে দরিদ্রদের সহায়তা বাড়ানো একটি সম্ভাব্য সমাধান হতে পারে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, এমন পদক্ষেপও অনেক ভোটারের অসন্তোষ কমাতে পারছে না।

কারণ অনেকেই মনে করেন, শুধু নীতিগত পরিবর্তন নয়, তাদের প্রতিনিধিত্ব করার ক্ষেত্রে মূলধারার দলগুলো ব্যর্থ হয়েছে। ফলে তারা নতুন রাজনৈতিক শক্তির দিকে ঝুঁকছেন।

প্রবৃদ্ধির অভিজ্ঞতা বদলে দেয় রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি

অর্থনীতিবিদদের মতে জীবনের বিভিন্ন সময়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অভিজ্ঞতা মানুষের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রভাবিত করে। যারা দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নতির সময়ে বড় হয়েছেন, তারা সাধারণত সরকারের ওপর বেশি আস্থা রাখেন।

কিন্তু বর্তমান প্রজন্মের বড় অংশ এমন সময়ে বড় হয়েছে যখন প্রবৃদ্ধি ছিল তুলনামূলকভাবে ধীর। ফলে তাদের কাছে অর্থনৈতিক উন্নতি অনেকটা দূরের ধারণার মতো মনে হয়।

এই বাস্তবতাই এখন ব্রিটিশ রাজনীতিকে নতুন পথে নিয়ে যাচ্ছে, যেখানে প্রচলিত দলগুলোর জায়গা ক্রমে সংকুচিত হচ্ছে এবং নতুন রাজনৈতিক শক্তিগুলো দ্রুত উঠে আসছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন শ্রেণি বিভাজন: মূলধারার দল ছেড়ে জনতার ঝোঁক নতুন শক্তির দিকে

১১:০০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

দীর্ঘদিন ধরে দুই প্রধান দলের দখলে থাকা ব্রিটেনের রাজনীতি এখন বড় ধরনের পরিবর্তনের মুখে দাঁড়িয়ে। অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশা—এই সব কারণ মিলিয়ে বহু ভোটার মূলধারার রাজনীতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। এর ফলে নতুন ধরনের রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হচ্ছে, যেখানে নতুন দলগুলো ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে উঠছে এবং প্রচলিত দলগুলোর ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ছে।

প্রতিবাদ থেকে স্পষ্ট নতুন বাস্তবতা

ইংল্যান্ডের দক্ষিণ-পশ্চিমের একটি শহরে সম্প্রতি এক ডানপন্থী সংগঠন মিছিল করে। তারা নিজেদের দেশপ্রেমিক বলে দাবি করলেও সরকারের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান স্পষ্ট। এর পাল্টা হিসেবে বামপন্থী গোষ্ঠীগুলোও প্রতিবাদে নামে।

এই ঘটনায় একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে ওঠে—রাজনীতির ডান ও বাম শিবির অনেক বিষয়ে একমত না হলেও মূলধারার রাজনীতির প্রতি অসন্তোষ দুই দিকেই বাড়ছে। অভিবাসন, লিঙ্গ পরিচয় বা পরিবেশ নীতির মতো সাংস্কৃতিক ইস্যুতে বিভক্তি থাকলেও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা মানুষকে নতুন রাজনৈতিক বিকল্পের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

দুই প্রধান দলের প্রভাব কমছে

দীর্ঘ সময় ধরে ব্রিটেনে শ্রমজীবী মানুষের সমর্থন ছিল একদিকে, আর মধ্যবিত্ত ও ধনীদের সমর্থন ছিল অন্যদিকে। কিন্তু গত দশকে সেই ঐতিহ্যগত সমীকরণ ভেঙে গেছে।

একটি বড় জনমত জরিপ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এখন রাজনীতির বিভাজন কেবল শ্রেণি নয়, বয়স ও শিক্ষার ভিত্তিতেও তৈরি হচ্ছে। তরুণ, উচ্চশিক্ষিত মানুষ এবং বিভিন্ন সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর ভোটাররা সাধারণত বামপন্থী দলগুলোর দিকে ঝুঁকছেন। অন্যদিকে বয়স্ক ও কম শিক্ষিত ভোটারদের বড় অংশ ডানপন্থী রাজনীতিকে সমর্থন করছেন।

তবে এই দুই শিবিরের মধ্যেও একটি বড় বিভাজন দেখা যাচ্ছে—অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা। যারা তুলনামূলকভাবে স্বচ্ছল, তারা এখনও পুরনো দলগুলোর প্রতি অনুগত। কিন্তু যেসব মানুষ নিয়মিত আর্থিক সংকটে ভোগেন, তাদের বড় অংশ নতুন রাজনৈতিক শক্তির দিকে ঝুঁকছেন।

অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা বাড়াচ্ছে রাজনৈতিক ক্ষোভ

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, যেসব মানুষের নিজের বাড়ি নেই বা ভাড়া বাসায় থাকেন, তাদের মধ্যে মূলধারার দলগুলোর প্রতি সমর্থন দ্রুত কমছে। অনেকেই মনে করছেন প্রচলিত রাজনীতি তাদের সমস্যার সমাধান দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

অনেক ভোটার এখন এমন ধারণায় বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন যে সমাজে একজনের উন্নতি মানেই অন্য কারও ক্ষতি। এই মানসিকতা রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আস্থাহীনতার প্রতিফলন।

নির্বাচনে নতুন শক্তির উত্থান

সম্প্রতি এক উপনির্বাচনে এই পরিবর্তনের স্পষ্ট প্রতিফলন দেখা গেছে। আগে যেখানে একটি প্রধান দল নিরাপদ অবস্থানে ছিল, সেখানে এবার নতুন একটি দল নাটকীয়ভাবে ভোট বাড়িয়ে জয় পেয়েছে।

স্থানীয় অনেক ভোটার জানান, জীবনযাত্রার খরচ এত বেড়েছে যে কখনও কখনও খাবার কেনাও কঠিন হয়ে পড়ে। তাদের অনেকেই মনে করেন নতুন রাজনৈতিক শক্তি হয়তো অন্তত পরিবর্তনের চেষ্টা করবে।

অর্থনৈতিক বাস্তবতা বদলে দিয়েছে ভোটের ধারা

গত দুই দশকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধীর হয়ে পড়ায় মানুষের মধ্যে হতাশা বেড়েছে। অনেক তরুণ মনে করছেন কঠোর পরিশ্রম করেও তারা আগের প্রজন্মের মতো জীবনমান অর্জন করতে পারছেন না।

বিশেষ করে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের অনেকেই দেখছেন, পড়াশোনা শেষ করার পরও প্রত্যাশিত আয় বা স্থায়ী চাকরি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে বাড়ির দাম বাড়তে থাকায় বাড়ির মালিক হওয়ার স্বপ্নও অনেকের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।

তরুণদের মধ্যে বাড়ছে অনিশ্চয়তা

তরুণদের বেকারত্বের হারও কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিস্তার ভবিষ্যতের চাকরি নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করছে।

এই পরিস্থিতিতে বহু তরুণ ভোটার মনে করছেন, প্রচলিত রাজনৈতিক কাঠামো তাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে পারছে না।

কেন সমাধান খুঁজে পাওয়া কঠিন

কিছু বিশ্লেষকের মতে ধনীদের ওপর বেশি কর আরোপ করে দরিদ্রদের সহায়তা বাড়ানো একটি সম্ভাব্য সমাধান হতে পারে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, এমন পদক্ষেপও অনেক ভোটারের অসন্তোষ কমাতে পারছে না।

কারণ অনেকেই মনে করেন, শুধু নীতিগত পরিবর্তন নয়, তাদের প্রতিনিধিত্ব করার ক্ষেত্রে মূলধারার দলগুলো ব্যর্থ হয়েছে। ফলে তারা নতুন রাজনৈতিক শক্তির দিকে ঝুঁকছেন।

প্রবৃদ্ধির অভিজ্ঞতা বদলে দেয় রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি

অর্থনীতিবিদদের মতে জীবনের বিভিন্ন সময়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অভিজ্ঞতা মানুষের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রভাবিত করে। যারা দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নতির সময়ে বড় হয়েছেন, তারা সাধারণত সরকারের ওপর বেশি আস্থা রাখেন।

কিন্তু বর্তমান প্রজন্মের বড় অংশ এমন সময়ে বড় হয়েছে যখন প্রবৃদ্ধি ছিল তুলনামূলকভাবে ধীর। ফলে তাদের কাছে অর্থনৈতিক উন্নতি অনেকটা দূরের ধারণার মতো মনে হয়।

এই বাস্তবতাই এখন ব্রিটিশ রাজনীতিকে নতুন পথে নিয়ে যাচ্ছে, যেখানে প্রচলিত দলগুলোর জায়গা ক্রমে সংকুচিত হচ্ছে এবং নতুন রাজনৈতিক শক্তিগুলো দ্রুত উঠে আসছে।