১০:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

ভারতে ধরা পড়ল হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম

রাজনৈতিক কর্মী শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগীকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির বিশেষ পুলিশ দল। সীমান্ত পেরিয়ে পালিয়ে যাওয়ার পর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয় বলে জানা গেছে।

পশ্চিমবঙ্গে অভিযান, দুই বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেন নামে দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ফয়সাল করিম মাসুদ পটুয়াখালীর বাসিন্দা এবং আলমগীর হোসেন ঢাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

ভারতের বিশেষ পুলিশ দল জানায়, গুরুতর অপরাধে জড়িত দুই বাংলাদেশি সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধভাবে ভারতে ঢুকেছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। রোববার ভোরে তাদের আটক করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে হত্যার তথ্য

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, ফয়সাল করিম মাসুদ, যিনি রাহুল নামেও পরিচিত, তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে নিয়ে রাজনৈতিক কর্মী শরীফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যা করেন। ঘটনার পর তারা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যায়।

তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান পরিবর্তন করে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় পৌঁছায়। পরে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলেও জানানো হয়েছে।

ভারতে মামলা, পুলিশের হেফাজতে আসামি

এই ঘটনায় ভারতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার গ্রেপ্তার দুইজনকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ ঘটনায় আরও তদন্ত চলছে।

ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে পরে মৃত্যু

গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পল্টন মডেল থানার বক্স কালভার্ট সড়কে শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান।

ঘটনার পর ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। পরে তা হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

ভারতে ধরা পড়ল হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম

১০:৪৯:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

রাজনৈতিক কর্মী শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগীকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির বিশেষ পুলিশ দল। সীমান্ত পেরিয়ে পালিয়ে যাওয়ার পর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয় বলে জানা গেছে।

পশ্চিমবঙ্গে অভিযান, দুই বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেন নামে দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ফয়সাল করিম মাসুদ পটুয়াখালীর বাসিন্দা এবং আলমগীর হোসেন ঢাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

ভারতের বিশেষ পুলিশ দল জানায়, গুরুতর অপরাধে জড়িত দুই বাংলাদেশি সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধভাবে ভারতে ঢুকেছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। রোববার ভোরে তাদের আটক করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে হত্যার তথ্য

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, ফয়সাল করিম মাসুদ, যিনি রাহুল নামেও পরিচিত, তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে নিয়ে রাজনৈতিক কর্মী শরীফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যা করেন। ঘটনার পর তারা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যায়।

তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান পরিবর্তন করে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় পৌঁছায়। পরে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলেও জানানো হয়েছে।

ভারতে মামলা, পুলিশের হেফাজতে আসামি

এই ঘটনায় ভারতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার গ্রেপ্তার দুইজনকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ ঘটনায় আরও তদন্ত চলছে।

ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে পরে মৃত্যু

গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পল্টন মডেল থানার বক্স কালভার্ট সড়কে শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান।

ঘটনার পর ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। পরে তা হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়।