০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

ভূতের দুঃস্বপ্ন

আজ রাতে একটা ভূত এসে বড় নিঃশব্দে
শিয়রে বসলো আমার-
তখন আমিও ছিলাম গভীর ঘুমে
যেমন অমাবস্যার রাতে ঘুমিয়ে থাকে বিস্তীর্ণ পদ্মা ও মেঘনার মোহনা।

ভূতকে বার বার বলি –
ভেঙো না আমার গভীর ঘুম।

তবু বলে-
সে তো আর নেই-
তবুও কেন এত দুঃস্বপ্ন
তাকে জড়িয়ে ধরছে।
কেন সে তার চারপাশে কেবলই শুনতে পাচ্ছে
স্প্লিন্টারে জর্জরিত কিছু নারীর সারারাতের আর্তনাদ।
কেন সে বার বার দেখতে পাচ্ছে
রক্তে ভেসে যাওয়া রাস্তা-
কেন অর্ধেক দেহের একটি অনিন্দ্য সুন্দরী নারী মুখ
তার দিকে শুধু নিথর হয়ে যাওয়া চোখে তাকাচ্ছে।
আমি চিৎকার করে বলি
তুমি আর এইসব দুঃস্বপ্ন আমাকে শুনিও না-
তবু সে বলে –
সে এখন কেঁপে ওঠে
যখনই বার বার একের পর এক কিশোরীর মাতৃজনন অঙ্গ
রক্তে ভেসে যায়- অচেতন হয় তাদের শরীর
পালাক্রম ধর্ষকের অত্যাচারে-
আমি দু হাতে তাকে দূরে ঠেলে দিতে যাই-
বলতে চাই, কী পেয়েছো তুমি আমাকে –
আমাকে ঘুমাতে দাও-
আমার কণ্ঠ দিয়ে কোন শব্দ বের হয় না।
শব্দেরা কি এমনি কখনও কখনও মৃত থাকে?

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

ভূতের দুঃস্বপ্ন

১০:০২:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

আজ রাতে একটা ভূত এসে বড় নিঃশব্দে
শিয়রে বসলো আমার-
তখন আমিও ছিলাম গভীর ঘুমে
যেমন অমাবস্যার রাতে ঘুমিয়ে থাকে বিস্তীর্ণ পদ্মা ও মেঘনার মোহনা।

ভূতকে বার বার বলি –
ভেঙো না আমার গভীর ঘুম।

তবু বলে-
সে তো আর নেই-
তবুও কেন এত দুঃস্বপ্ন
তাকে জড়িয়ে ধরছে।
কেন সে তার চারপাশে কেবলই শুনতে পাচ্ছে
স্প্লিন্টারে জর্জরিত কিছু নারীর সারারাতের আর্তনাদ।
কেন সে বার বার দেখতে পাচ্ছে
রক্তে ভেসে যাওয়া রাস্তা-
কেন অর্ধেক দেহের একটি অনিন্দ্য সুন্দরী নারী মুখ
তার দিকে শুধু নিথর হয়ে যাওয়া চোখে তাকাচ্ছে।
আমি চিৎকার করে বলি
তুমি আর এইসব দুঃস্বপ্ন আমাকে শুনিও না-
তবু সে বলে –
সে এখন কেঁপে ওঠে
যখনই বার বার একের পর এক কিশোরীর মাতৃজনন অঙ্গ
রক্তে ভেসে যায়- অচেতন হয় তাদের শরীর
পালাক্রম ধর্ষকের অত্যাচারে-
আমি দু হাতে তাকে দূরে ঠেলে দিতে যাই-
বলতে চাই, কী পেয়েছো তুমি আমাকে –
আমাকে ঘুমাতে দাও-
আমার কণ্ঠ দিয়ে কোন শব্দ বের হয় না।
শব্দেরা কি এমনি কখনও কখনও মৃত থাকে?