০৩:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

ভোপালে বিদ্যালয় একীভূতকরণের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা, আন্দোলন জোরদারের হুঁশিয়ারি

ভোপালে প্রস্তাবিত বিদ্যালয় একীভূতকরণের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শহরের আঞ্চলিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোকে কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় ব্যবস্থার সঙ্গে একীভূত করার প্রস্তাবের বিরোধিতা করে বিক্ষোভ করেছে। শিক্ষার্থীদের আশঙ্কা, এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে পরীক্ষামূলক ও উদ্ভাবনী শিক্ষাব্যবস্থার স্বাতন্ত্র্য নষ্ট হতে পারে।

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

মঙ্গলবার বিদ্যালয়ের বাইরে জড়ো হয়ে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেয়। তারা প্রস্তাবিত একীভূতকরণ বাতিলের দাবি জানায় এবং বিদ্যালয়ের বর্তমান কাঠামো ও স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখার আহ্বান জানায়।

পরে শিক্ষার্থীরা আঞ্চলিক কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এস কে গুপ্তের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেয়। এতে একীভূতকরণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা এবং পরীক্ষামূলক বিদ্যালয়গুলোর বর্তমান ব্যবস্থা বজায় রাখার দাবি জানানো হয়।

পরীক্ষামূলক শিক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠা

এই বহুমুখী প্রদর্শনী বিদ্যালয়গুলো ১৯৬৫ সালের ডিসেম্বর থেকে জাতীয় শিক্ষাগবেষণা ও প্রশিক্ষণ পরিষদের অধীনে পরিচালিত হয়ে আসছে। ভোপাল, আজমের, মহীশূর ও ভুবনেশ্বরে এ ধরনের চারটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।

নতুন ও উদ্ভাবনী শিক্ষাপদ্ধতি প্রয়োগ, শিক্ষাদানের বিকল্প পদ্ধতি পরীক্ষা এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে গবেষণাকে এগিয়ে নেওয়াই ছিল এসব প্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।

শিক্ষার্থীদের বক্তব্য, অন্য প্রশাসনিক কাঠামোর অধীনে বিদ্যালয়গুলোকে নিয়ে গেলে তাদের নিজস্ব পরিচয় ও দীর্ঘদিনের পরীক্ষামূলক শিক্ষাব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

আন্দোলন বাড়ানোর হুঁশিয়ারি

প্রতিবাদকারীরা জানিয়েছে, তাদের দাবি দ্রুত বিবেচনা করা না হলে ধাপে ধাপে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বিভাগগুলোর কাছে নিজেদের দাবি তুলে ধরবে বলেও জানিয়েছে।

শিক্ষার্থীদের দাবি, এসব বিদ্যালয়কে অন্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একীভূত না করে বরং শিক্ষাক্ষেত্রে উদ্ভাবন, গবেষণা ও নতুন পদ্ধতি পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে আরও শক্তিশালী করা উচিত।

ভোপালে এই প্রতিবাদ প্রস্তাবিত একীভূতকরণের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের প্রকাশ্য অবস্থানের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট করে দিয়েছে, পরীক্ষামূলক শিক্ষার যে মূল লক্ষ্য নিয়ে এসব প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছিল, তা কোনোভাবেই দুর্বল হতে দেওয়া হবে না।

ভোপালের এই আন্দোলন এখন কোন দিকে যায়, তা নির্ভর করছে কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের আপত্তি ও দাবিগুলো কতটা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে তার ওপর।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

ভোপালে বিদ্যালয় একীভূতকরণের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা, আন্দোলন জোরদারের হুঁশিয়ারি

০৩:৩৪:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

ভোপালে প্রস্তাবিত বিদ্যালয় একীভূতকরণের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শহরের আঞ্চলিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোকে কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় ব্যবস্থার সঙ্গে একীভূত করার প্রস্তাবের বিরোধিতা করে বিক্ষোভ করেছে। শিক্ষার্থীদের আশঙ্কা, এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে পরীক্ষামূলক ও উদ্ভাবনী শিক্ষাব্যবস্থার স্বাতন্ত্র্য নষ্ট হতে পারে।

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

মঙ্গলবার বিদ্যালয়ের বাইরে জড়ো হয়ে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেয়। তারা প্রস্তাবিত একীভূতকরণ বাতিলের দাবি জানায় এবং বিদ্যালয়ের বর্তমান কাঠামো ও স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখার আহ্বান জানায়।

পরে শিক্ষার্থীরা আঞ্চলিক কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এস কে গুপ্তের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেয়। এতে একীভূতকরণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা এবং পরীক্ষামূলক বিদ্যালয়গুলোর বর্তমান ব্যবস্থা বজায় রাখার দাবি জানানো হয়।

পরীক্ষামূলক শিক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠা

এই বহুমুখী প্রদর্শনী বিদ্যালয়গুলো ১৯৬৫ সালের ডিসেম্বর থেকে জাতীয় শিক্ষাগবেষণা ও প্রশিক্ষণ পরিষদের অধীনে পরিচালিত হয়ে আসছে। ভোপাল, আজমের, মহীশূর ও ভুবনেশ্বরে এ ধরনের চারটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।

নতুন ও উদ্ভাবনী শিক্ষাপদ্ধতি প্রয়োগ, শিক্ষাদানের বিকল্প পদ্ধতি পরীক্ষা এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে গবেষণাকে এগিয়ে নেওয়াই ছিল এসব প্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।

শিক্ষার্থীদের বক্তব্য, অন্য প্রশাসনিক কাঠামোর অধীনে বিদ্যালয়গুলোকে নিয়ে গেলে তাদের নিজস্ব পরিচয় ও দীর্ঘদিনের পরীক্ষামূলক শিক্ষাব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

আন্দোলন বাড়ানোর হুঁশিয়ারি

প্রতিবাদকারীরা জানিয়েছে, তাদের দাবি দ্রুত বিবেচনা করা না হলে ধাপে ধাপে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বিভাগগুলোর কাছে নিজেদের দাবি তুলে ধরবে বলেও জানিয়েছে।

শিক্ষার্থীদের দাবি, এসব বিদ্যালয়কে অন্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একীভূত না করে বরং শিক্ষাক্ষেত্রে উদ্ভাবন, গবেষণা ও নতুন পদ্ধতি পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে আরও শক্তিশালী করা উচিত।

ভোপালে এই প্রতিবাদ প্রস্তাবিত একীভূতকরণের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের প্রকাশ্য অবস্থানের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট করে দিয়েছে, পরীক্ষামূলক শিক্ষার যে মূল লক্ষ্য নিয়ে এসব প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছিল, তা কোনোভাবেই দুর্বল হতে দেওয়া হবে না।

ভোপালের এই আন্দোলন এখন কোন দিকে যায়, তা নির্ভর করছে কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের আপত্তি ও দাবিগুলো কতটা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে তার ওপর।