০৭:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে জেদ্দায় আটকা মুশফিকুর, হাজারো যাত্রীর সঙ্গে অনিশ্চয়তায় ফেরা

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে সৌদি আরবের জেদ্দায় আটকা পড়েছেন বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম। ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফেরার পথে হঠাৎই ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় হাজারো যাত্রীর সঙ্গে তিনিও এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে অপেক্ষা করছেন।

জেদ্দা বিমানবন্দরে উদ্বেগ আর অপেক্ষা

ওমরাহ পালনের জন্য কয়েক দিন আগে মক্কায় গিয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে নির্ধারিত সময়েই দেশে ফেরার প্রস্তুতি নেন তিনি। জেদ্দা থেকে দুবাই হয়ে ঢাকায় ফেরার কথা ছিল তার। কিন্তু মাঝ আকাশ থেকেই ফ্লাইট ঘুরে আবার জেদ্দায় ফিরে আসে। নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির কারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এমন সিদ্ধান্ত নেয় বলে জানা গেছে।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মুশফিকুর লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ ওমরাহ সম্পন্ন করে আজ দেশে ফেরার কথা ছিল। সকালে জেদ্দা থেকে দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু হলেও যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সব ফ্লাইট আবার জেদ্দায় ফিরে আসে।

তিনি জানান, বর্তমানে হাজারো বাংলাদেশি ও বিভিন্ন দেশের যাত্রীর সঙ্গে জেদ্দা বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছেন তিনি। কবে এবং কীভাবে ঢাকায় ফেরা সম্ভব হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না। সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার।

মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা সংকট, স্থগিত বহু ফ্লাইট

সাম্প্রতিক ইসরায়েলি হামলার পর ইরানকে কেন্দ্র করে পুরো অঞ্চলে নিরাপত্তা সংকট তৈরি হয়েছে। সম্ভাব্য পাল্টা হামলার আশঙ্কায় আকাশপথে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে। বিভিন্ন দেশ ও এয়ারলাইনস মধ্যপ্রাচ্যমুখী ফ্লাইট সাময়িকভাবে বাতিল বা রুট পরিবর্তন করেছে।

এই অস্থিরতার মাঝেই আটকে পড়েছেন মুশফিকুর রহিম। দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা তার দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের জন্য উদ্বেগে আছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে জেদ্দায় আটকা মুশফিকুর, হাজারো যাত্রীর সঙ্গে অনিশ্চয়তায় ফেরা

০৫:১৬:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে সৌদি আরবের জেদ্দায় আটকা পড়েছেন বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম। ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফেরার পথে হঠাৎই ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় হাজারো যাত্রীর সঙ্গে তিনিও এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে অপেক্ষা করছেন।

জেদ্দা বিমানবন্দরে উদ্বেগ আর অপেক্ষা

ওমরাহ পালনের জন্য কয়েক দিন আগে মক্কায় গিয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে নির্ধারিত সময়েই দেশে ফেরার প্রস্তুতি নেন তিনি। জেদ্দা থেকে দুবাই হয়ে ঢাকায় ফেরার কথা ছিল তার। কিন্তু মাঝ আকাশ থেকেই ফ্লাইট ঘুরে আবার জেদ্দায় ফিরে আসে। নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির কারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এমন সিদ্ধান্ত নেয় বলে জানা গেছে।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মুশফিকুর লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ ওমরাহ সম্পন্ন করে আজ দেশে ফেরার কথা ছিল। সকালে জেদ্দা থেকে দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু হলেও যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সব ফ্লাইট আবার জেদ্দায় ফিরে আসে।

তিনি জানান, বর্তমানে হাজারো বাংলাদেশি ও বিভিন্ন দেশের যাত্রীর সঙ্গে জেদ্দা বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছেন তিনি। কবে এবং কীভাবে ঢাকায় ফেরা সম্ভব হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না। সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার।

মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা সংকট, স্থগিত বহু ফ্লাইট

সাম্প্রতিক ইসরায়েলি হামলার পর ইরানকে কেন্দ্র করে পুরো অঞ্চলে নিরাপত্তা সংকট তৈরি হয়েছে। সম্ভাব্য পাল্টা হামলার আশঙ্কায় আকাশপথে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে। বিভিন্ন দেশ ও এয়ারলাইনস মধ্যপ্রাচ্যমুখী ফ্লাইট সাময়িকভাবে বাতিল বা রুট পরিবর্তন করেছে।

এই অস্থিরতার মাঝেই আটকে পড়েছেন মুশফিকুর রহিম। দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা তার দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের জন্য উদ্বেগে আছেন।