১২:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

মস্কোর বৈঠক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের তথ্য পেয়েছে কিয়েভ, রাশিয়াকে ঘিরে বাড়ছে উদ্বেগ

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোয় সাম্প্রতিক কয়েক দিনে অনুষ্ঠিত একাধিক বৈঠক সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে তথ্য পেয়েছে ইউক্রেন। শুক্রবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এ তথ্য জানিয়েছেন। তবে এসব বৈঠকে কারা অংশ নিয়েছেন বা কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের তথ্যের জন্য কৃতজ্ঞতা জেলেনস্কির

টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় জেলেনস্কি বলেন, মস্কোয় সাম্প্রতিক সময়ে অনুষ্ঠিত কয়েকটি বৈঠক সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে তথ্য দিয়েছে। তিনি বলেন, এসব তথ্য পাওয়ার পাশাপাশি রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অবস্থান ও সুর বজায় রাখার জন্যও তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কৃতজ্ঞ।

তবে জেলেনস্কির বক্তব্যে বৈঠকগুলোর প্রকৃতি বা সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য উঠে আসেনি।

মস্কো সফর নিয়ে নতুন করে আলোচনা

Zelenskyy on energy truce - Russia either has four days per week or chooses  war | RBC-Ukraine

জেলেনস্কির মন্তব্যের আগে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান জন র‌্যাটক্লিফের মস্কো সফর নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, র‌্যাটক্লিফ মস্কো গিয়ে রাশিয়াকে ন্যাটোর কোনো সদস্য দেশের বিরুদ্ধে হামলা না চালানোর বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন।

রাশিয়ার পক্ষ থেকে ওই প্রতিবেদন নাকচ করা হয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ন্যাটোর কোনো দেশে হামলা চালাবেন না বলে মন্তব্য করে র‌্যাটক্লিফের সফর নিয়ে প্রকাশিত খবরের গুরুত্ব কিছুটা কমিয়ে দেখান।

তবে বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত দুটি সূত্র জানিয়েছে, মস্কোর বৈঠকে ন্যাটোর কোনো সদস্য দেশের বিরুদ্ধে রাশিয়ার সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের বিষয়টি উত্থাপিত হয়েছিল। যদিও সেটিই সফরের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়। আলোচনায় ইরানের প্রতি রাশিয়ার সমর্থনের বিষয়টিও উঠে আসে বলে জানা গেছে।

পোল্যান্ডও ছিল যোগাযোগের মধ্যে

Donald Tusk | The Guardian

র‌্যাটক্লিফের মস্কো সফর নিয়ে পোল্যান্ডও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড তুস্ক। শুক্রবার এক যুব সম্মেলনে তিনি বলেন, পোল্যান্ডের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা নেতৃত্বের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। ফলে র‌্যাটক্লিফের সফর সম্পর্কে পাওয়া তথ্য দেশটির কাছে বিস্ময়ের ছিল না।

তুস্ক আরও জানান, এ বিষয়ে পোল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ে জরুরি আলোচনার প্রয়োজনীয়তার কথাও পোল্যান্ডকে জানানো হয়েছিল।

সামনে গুরুত্বপূর্ণ সময়

তুস্কের মতে, রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধ এবং পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে—এমন বেশ কিছু ইঙ্গিত ইতোমধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে। তাঁর ভাষায়, আসন্ন শরৎ ও শীত রাশিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময় হয়ে উঠতে পারে।

মস্কোর বৈঠক, ন্যাটোকে ঘিরে সম্ভাব্য রুশ পদক্ষেপ এবং ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ গতিপথ—সব মিলিয়ে ইউরোপে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

মস্কোর বৈঠক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের তথ্য পেয়েছে কিয়েভ, রাশিয়াকে ঘিরে বাড়ছে উদ্বেগ

১১:০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোয় সাম্প্রতিক কয়েক দিনে অনুষ্ঠিত একাধিক বৈঠক সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে তথ্য পেয়েছে ইউক্রেন। শুক্রবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এ তথ্য জানিয়েছেন। তবে এসব বৈঠকে কারা অংশ নিয়েছেন বা কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের তথ্যের জন্য কৃতজ্ঞতা জেলেনস্কির

টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় জেলেনস্কি বলেন, মস্কোয় সাম্প্রতিক সময়ে অনুষ্ঠিত কয়েকটি বৈঠক সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে তথ্য দিয়েছে। তিনি বলেন, এসব তথ্য পাওয়ার পাশাপাশি রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অবস্থান ও সুর বজায় রাখার জন্যও তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কৃতজ্ঞ।

তবে জেলেনস্কির বক্তব্যে বৈঠকগুলোর প্রকৃতি বা সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য উঠে আসেনি।

মস্কো সফর নিয়ে নতুন করে আলোচনা

Zelenskyy on energy truce - Russia either has four days per week or chooses  war | RBC-Ukraine

জেলেনস্কির মন্তব্যের আগে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান জন র‌্যাটক্লিফের মস্কো সফর নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, র‌্যাটক্লিফ মস্কো গিয়ে রাশিয়াকে ন্যাটোর কোনো সদস্য দেশের বিরুদ্ধে হামলা না চালানোর বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন।

রাশিয়ার পক্ষ থেকে ওই প্রতিবেদন নাকচ করা হয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ন্যাটোর কোনো দেশে হামলা চালাবেন না বলে মন্তব্য করে র‌্যাটক্লিফের সফর নিয়ে প্রকাশিত খবরের গুরুত্ব কিছুটা কমিয়ে দেখান।

তবে বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত দুটি সূত্র জানিয়েছে, মস্কোর বৈঠকে ন্যাটোর কোনো সদস্য দেশের বিরুদ্ধে রাশিয়ার সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের বিষয়টি উত্থাপিত হয়েছিল। যদিও সেটিই সফরের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়। আলোচনায় ইরানের প্রতি রাশিয়ার সমর্থনের বিষয়টিও উঠে আসে বলে জানা গেছে।

পোল্যান্ডও ছিল যোগাযোগের মধ্যে

Donald Tusk | The Guardian

র‌্যাটক্লিফের মস্কো সফর নিয়ে পোল্যান্ডও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড তুস্ক। শুক্রবার এক যুব সম্মেলনে তিনি বলেন, পোল্যান্ডের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা নেতৃত্বের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। ফলে র‌্যাটক্লিফের সফর সম্পর্কে পাওয়া তথ্য দেশটির কাছে বিস্ময়ের ছিল না।

তুস্ক আরও জানান, এ বিষয়ে পোল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ে জরুরি আলোচনার প্রয়োজনীয়তার কথাও পোল্যান্ডকে জানানো হয়েছিল।

সামনে গুরুত্বপূর্ণ সময়

তুস্কের মতে, রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধ এবং পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে—এমন বেশ কিছু ইঙ্গিত ইতোমধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে। তাঁর ভাষায়, আসন্ন শরৎ ও শীত রাশিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময় হয়ে উঠতে পারে।

মস্কোর বৈঠক, ন্যাটোকে ঘিরে সম্ভাব্য রুশ পদক্ষেপ এবং ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ গতিপথ—সব মিলিয়ে ইউরোপে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।