০১:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

মাগুরার শিশু আসিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় ৩১ আগস্ট

মাগুরার আলোচিত শিশু আসিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হিতু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় ঘোষণা পিছিয়ে আগামী ৩১ আগস্ট নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্ত্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, মামলাটিতে রাষ্ট্রের পক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল শুনানি করেছেন। তিনি বর্তমানে দেশের বাইরে থাকায় রায় ঘোষণার জন্য আরও সময় প্রয়োজন। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে আগামী সোমবার রায়ের দিন ধার্য করেন।

এর আগে সোমবার রায় ঘোষণার জন্য মঙ্গলবার দিন নির্ধারণ করেছিলেন হাইকোর্ট। গত ১১ আগস্ট থেকে হিতু শেখের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য পাঠানো ডেথ রেফারেন্স ও তার করা আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়।

শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় ৩১ আগস্ট

যে মামলায় মৃত্যুদণ্ড হিতু শেখের

মামলার প্রধান আসামি হিতু শেখ ছিলেন শিশু আসিয়ার বোনের শ্বশুর। ২০২৫ সালের ১৭ মে মাগুরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাহিদ হাসান তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

একই রায়ে আসিয়ার বোনের স্বামী সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।

ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য মামলার নথিপত্র ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনন্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে আট বছর বয়সী আসিয়া ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের শিকার হয়।

আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলা: হাইকোর্টের রায় আজ, মাগুরার চাঞ্চল্যকর ঘটনা

গুরুতর অবস্থায় প্রথমে তাকে মাগুরার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুরে নেওয়া হয়। অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে ঢাকার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ ২০২৫ তার মৃত্যু হয়।

দ্রুত বিচার নিষ্পত্তিতে বিশেষ বেঞ্চ

নারী ও শিশুদের ওপর একের পর এক নৃশংস সহিংসতার ঘটনার পর মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন ও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের হওয়া মামলার আপিল দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এর অংশ হিসেবে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ২০২৬ সালের ১০ জুন বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করেন। এই বেঞ্চের অন্যতম লক্ষ্য হলো দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষমাণ মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট আপিল দ্রুত নিষ্পত্তি করা।

মাগুরার শিশু আসিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় আগামী ৩১ আগস্ট ঘোষণা হওয়ার কথা রয়েছে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

মাগুরার শিশু আসিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় ৩১ আগস্ট

০৩:০১:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

মাগুরার আলোচিত শিশু আসিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হিতু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায় ঘোষণা পিছিয়ে আগামী ৩১ আগস্ট নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্ত্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, মামলাটিতে রাষ্ট্রের পক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল শুনানি করেছেন। তিনি বর্তমানে দেশের বাইরে থাকায় রায় ঘোষণার জন্য আরও সময় প্রয়োজন। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে আগামী সোমবার রায়ের দিন ধার্য করেন।

এর আগে সোমবার রায় ঘোষণার জন্য মঙ্গলবার দিন নির্ধারণ করেছিলেন হাইকোর্ট। গত ১১ আগস্ট থেকে হিতু শেখের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য পাঠানো ডেথ রেফারেন্স ও তার করা আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়।

শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় ৩১ আগস্ট

যে মামলায় মৃত্যুদণ্ড হিতু শেখের

মামলার প্রধান আসামি হিতু শেখ ছিলেন শিশু আসিয়ার বোনের শ্বশুর। ২০২৫ সালের ১৭ মে মাগুরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাহিদ হাসান তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

একই রায়ে আসিয়ার বোনের স্বামী সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।

ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য মামলার নথিপত্র ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্চের শুরুতে মাগুরার নিজনন্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে আট বছর বয়সী আসিয়া ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের শিকার হয়।

আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলা: হাইকোর্টের রায় আজ, মাগুরার চাঞ্চল্যকর ঘটনা

গুরুতর অবস্থায় প্রথমে তাকে মাগুরার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুরে নেওয়া হয়। অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে ঢাকার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ ২০২৫ তার মৃত্যু হয়।

দ্রুত বিচার নিষ্পত্তিতে বিশেষ বেঞ্চ

নারী ও শিশুদের ওপর একের পর এক নৃশংস সহিংসতার ঘটনার পর মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন ও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের হওয়া মামলার আপিল দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এর অংশ হিসেবে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ২০২৬ সালের ১০ জুন বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করেন। এই বেঞ্চের অন্যতম লক্ষ্য হলো দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষমাণ মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট আপিল দ্রুত নিষ্পত্তি করা।

মাগুরার শিশু আসিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় আগামী ৩১ আগস্ট ঘোষণা হওয়ার কথা রয়েছে।