০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৭)

  • Sarakhon Report
  • ০৬:০০:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ নভেম্বর ২০২৪
  • 150

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

মায়ারা সাধারণত ধাতুর তৈরি কোনো যন্ত্র দিয়ে জমি চাষ করত না। সেক্ষেত্রে যতটা সম্ভব হাত এবং নিজস্ব কায়দায় তৈরি যন্ত্র ব্যবহার করতে পছন্দ করত। অনেক সময় হাত দিয়ে চাষ করতে প্রায় সাত বছর সময় লাগত। চাষের এই বিশেষ পদ্ধতি গ্রহণ করার জন্য জমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হত। একসঙ্গে অনেক পরিমাণ ফসল ঘরে তোলাও সম্ভব হত না।

পুরাতাত্ত্বিকদের অভিমত অনুসরণ করে বলা যায় একটি পরিবারের সারা বছরের ফসল তুলতে অনেক বেশি জমির প্রয়োজন হত। একটি হিসেব থেকে জানা যায় প্রতি পাঁচ জনের পরিবারের জন্য কমবেশি সত্তর একর জমির প্রয়োজন হত। পোড়ানো পদ্ধতিতে কৃষিকাজকে মায়া-ভাষায় বলা হত মিলপা (Milpa) এবং মিলগা চাষের কাজে বেশি সংখ্যক কৃষি-শ্রমিকের দরকার হত।

গুয়াতেমালার বিভিন্ন অঞ্চলে আমেরিকান মানুষ এই ধরনের কৃষিকাজ করেন। এবং বছরে প্রায় ১৯০ দিন এই কৃষিকাজ চলে। এছাড়া বছরের প্রায় ১৭০ দিন তারা অন্যান্য পেশায় নিযুক্ত থাকে। এই বাকি ১৭০ দিনের নানাবিধ কাজের মধ্যে আছে শহর বা ছোট নগরাঞ্চলে ছোট ছোট শ্রমের কাজ। নগরে নানা ধরনের মেরামতি, গৃহ সম্প্রসারণ, গৃহ নির্মাণ ইত্যাদি দিন মজুরের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করত গ্রাম থেকে আসা সাধারণ মানুষ।

এই পেশা-জীবিকার বৈচিত্র্য গড়ে উঠত নানা ধরনের হাতের কাজ, চারুকলা, হস্তশিল্প দিয়ে। এছাড়া নগর এবং ছোট শহরাঞ্চলে পুরোহিত সম্প্রদায়ের নানাবিধ কাজে সাহায্য করার জন্য থাকত কৃষি-শ্রমিক সম্প্রদায়ের মানুষ।

(চলবে)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৬)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৬)

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৭)

০৬:০০:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ নভেম্বর ২০২৪

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

মায়ারা সাধারণত ধাতুর তৈরি কোনো যন্ত্র দিয়ে জমি চাষ করত না। সেক্ষেত্রে যতটা সম্ভব হাত এবং নিজস্ব কায়দায় তৈরি যন্ত্র ব্যবহার করতে পছন্দ করত। অনেক সময় হাত দিয়ে চাষ করতে প্রায় সাত বছর সময় লাগত। চাষের এই বিশেষ পদ্ধতি গ্রহণ করার জন্য জমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হত। একসঙ্গে অনেক পরিমাণ ফসল ঘরে তোলাও সম্ভব হত না।

পুরাতাত্ত্বিকদের অভিমত অনুসরণ করে বলা যায় একটি পরিবারের সারা বছরের ফসল তুলতে অনেক বেশি জমির প্রয়োজন হত। একটি হিসেব থেকে জানা যায় প্রতি পাঁচ জনের পরিবারের জন্য কমবেশি সত্তর একর জমির প্রয়োজন হত। পোড়ানো পদ্ধতিতে কৃষিকাজকে মায়া-ভাষায় বলা হত মিলপা (Milpa) এবং মিলগা চাষের কাজে বেশি সংখ্যক কৃষি-শ্রমিকের দরকার হত।

গুয়াতেমালার বিভিন্ন অঞ্চলে আমেরিকান মানুষ এই ধরনের কৃষিকাজ করেন। এবং বছরে প্রায় ১৯০ দিন এই কৃষিকাজ চলে। এছাড়া বছরের প্রায় ১৭০ দিন তারা অন্যান্য পেশায় নিযুক্ত থাকে। এই বাকি ১৭০ দিনের নানাবিধ কাজের মধ্যে আছে শহর বা ছোট নগরাঞ্চলে ছোট ছোট শ্রমের কাজ। নগরে নানা ধরনের মেরামতি, গৃহ সম্প্রসারণ, গৃহ নির্মাণ ইত্যাদি দিন মজুরের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করত গ্রাম থেকে আসা সাধারণ মানুষ।

এই পেশা-জীবিকার বৈচিত্র্য গড়ে উঠত নানা ধরনের হাতের কাজ, চারুকলা, হস্তশিল্প দিয়ে। এছাড়া নগর এবং ছোট শহরাঞ্চলে পুরোহিত সম্প্রদায়ের নানাবিধ কাজে সাহায্য করার জন্য থাকত কৃষি-শ্রমিক সম্প্রদায়ের মানুষ।

(চলবে)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৬)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৬)