১১:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

মিয়ানমারে সংঘাত : আবারও বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে ২৯ সীমান্তরক্ষী

  • Sarakhon Report
  • ০৫:২৭:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মার্চ ২০২৪
  • 195

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া বিজিপি সদস্যরা ও তাদের অস্ত্র। ছবি: সংগৃহীত

জাফর আলম, কক্সবাজার : মিয়ানমারে  চলা সংঘাতের কারণে আবারও দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিপি) ২৯ জন পালিয়ে  বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।  বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) হেফাজতে তাদেরকে নেওয়া হয়েছে। সোমবার  দুপুর ১২টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ির সীমান্তের জামছড়ির ৪৫-৪৬ নম্বর সীমান্ত পিলারের মাঝামাঝি এলাকা দিয়ে তারা বাংলাদেশ সীমান্তে প্রবেশ করে। বিজিবির সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ১১ বিজিবির নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ জামছড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা দিয়ে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর অংথাপায়া ক্যাম্প থেকে এসব বিজিপি সদস্য বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের কাছ থেকে অস্ত্র জমা নিয়ে বিজিবি তাদের হেফাজতে রেখেছে। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকারিয়া ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন।  তিনি বলেন, সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় গত এক সপ্তাহ ধরে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়নি।
সীমান্তের লোকজন জানিয়েছেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে দূরের এলাকায় আরাকান আর্মির তাড়া খেয়ে এই ২৯ জন পালিয়ে এসেছে। এর আগে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘাতের জেরে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা মিয়ানমারের সেনাসহ ৩৩০ জনকে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ফেরত পাঠানো হয়।
গত ২ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তের ওপারে আরাকান আর্মির সঙ্গে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির সংঘর্ষ শুরু হয়। এর জের ধরে ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন বিজিপিসহ ৩৩০ জন। যার মধ্যে ৩০২ জন বিজিপি সদস্য, ৪ জন বিজিপি পরিবারের সদস্য, ২ জন সেনাসদস্য, ১৮ জন ইমিগ্রেশন সদস্য ও ৪ জন বেসামরিক নাগরিক ছিলেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

মিয়ানমারে সংঘাত : আবারও বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে ২৯ সীমান্তরক্ষী

০৫:২৭:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মার্চ ২০২৪
জাফর আলম, কক্সবাজার : মিয়ানমারে  চলা সংঘাতের কারণে আবারও দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিপি) ২৯ জন পালিয়ে  বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।  বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) হেফাজতে তাদেরকে নেওয়া হয়েছে। সোমবার  দুপুর ১২টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ির সীমান্তের জামছড়ির ৪৫-৪৬ নম্বর সীমান্ত পিলারের মাঝামাঝি এলাকা দিয়ে তারা বাংলাদেশ সীমান্তে প্রবেশ করে। বিজিবির সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ১১ বিজিবির নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ জামছড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা দিয়ে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর অংথাপায়া ক্যাম্প থেকে এসব বিজিপি সদস্য বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের কাছ থেকে অস্ত্র জমা নিয়ে বিজিবি তাদের হেফাজতে রেখেছে। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকারিয়া ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন।  তিনি বলেন, সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় গত এক সপ্তাহ ধরে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়নি।
সীমান্তের লোকজন জানিয়েছেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে দূরের এলাকায় আরাকান আর্মির তাড়া খেয়ে এই ২৯ জন পালিয়ে এসেছে। এর আগে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘাতের জেরে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা মিয়ানমারের সেনাসহ ৩৩০ জনকে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ফেরত পাঠানো হয়।
গত ২ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তের ওপারে আরাকান আর্মির সঙ্গে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির সংঘর্ষ শুরু হয়। এর জের ধরে ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন বিজিপিসহ ৩৩০ জন। যার মধ্যে ৩০২ জন বিজিপি সদস্য, ৪ জন বিজিপি পরিবারের সদস্য, ২ জন সেনাসদস্য, ১৮ জন ইমিগ্রেশন সদস্য ও ৪ জন বেসামরিক নাগরিক ছিলেন।