০১:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

মুগদা হাসপাতালের সামনে অপহরণ, গাইবান্ধা থেকে উদ্ধার তিন বছরের শিশু

রাজধানীর মুগদা হাসপাতালের গেইটের সামনে থেকে অপহৃত তিন বছরের শিশুটিকে গাইবান্ধা জেলা থেকে উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। শিশুটিকে সুস্থ অবস্থায় পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিতকরণ
বৃহস্পতিবার রাতে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার বদরুল আলম মোল্লা জানান, অপহরণের শিকার শিশুটিকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে সে শারীরিকভাবে ভালো আছে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।

মুগদা থেকে অপহৃত শিশুটি গাইবান্ধায় উদ্ধার

যেভাবে অপহরণ ঘটে
এর আগে বুধবার দুপুর একটার দিকে মুগদা হাসপাতালের গেইটের বাইরে থেকে শিশুটিকে নিয়ে পালিয়ে যায় এক ব্যাটারিচালিত রিকশাচালক। ঘটনার পরপরই শিশুটির মা মুগদা থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরিবারের পটভূমি
শিশুটির বাবা পেশাগত কারণে সুইজারল্যান্ডে বসবাস করেন। পরিবারসহ তারা সেখানেই থাকতেন। তবে প্রায় এক বছর আগে শিশুটির মা ও ছেলে দেশে ফিরে ঢাকার সবুজবাগ এলাকায় বসবাস শুরু করেন।

পুলিশের বর্ণনায় ঘটনার বিবরণ
মুগদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, শিশুটির মা চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে মুগদা হাসপাতালে যান। হাসপাতালের সামনে একটি অটোরিকশা ভাড়া করে শিশুটিকে রিকশায় বসিয়ে রেখে তিনি কাছের দোকান থেকে পানি কিনতে যান। সেই সুযোগে রিকশাচালক শিশুটিকে নিয়ে দ্রুত সরে পড়ে।

মুগদা থেকে অপহৃত শিশুটি গাইবান্ধায় উদ্ধার - Jathasomoy.com || যথাসময় ডটকম

মায়ের চোখে বিভীষিকাময় মুহূর্ত
শিশুটির মা, ফিজিওথেরাপিস্ট সুমাইয়া আক্তার মিলি বলেন, তিনি রিকশা থেকে নেমে পানি কিনছিলেন। তার ছেলে তখন রিকশার ভেতর দাঁড়িয়ে খেলছিল। নামাতে চাইলে শিশু রাজি হয়নি। রিকশাচালকও তাকে আশ্বস্ত করে বিল মিটিয়ে আসতে বলেন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই তিনি ফিরে তাকিয়ে দেখেন, রিকশা ও শিশুটি আর সেখানে নেই। সঙ্গে সঙ্গে তিনি দৌড়াতে শুরু করেন এবং আশপাশের সবাইকে জিজ্ঞেস করেন, কিন্তু তখন শিশুটির কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। পরে বিভিন্ন জেলার পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বিত অভিযানে শেষ পর্যন্ত গাইবান্ধা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

মুগদা হাসপাতালের সামনে অপহরণ, গাইবান্ধা থেকে উদ্ধার তিন বছরের শিশু

০৩:২২:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর মুগদা হাসপাতালের গেইটের সামনে থেকে অপহৃত তিন বছরের শিশুটিকে গাইবান্ধা জেলা থেকে উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। শিশুটিকে সুস্থ অবস্থায় পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিতকরণ
বৃহস্পতিবার রাতে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার বদরুল আলম মোল্লা জানান, অপহরণের শিকার শিশুটিকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে সে শারীরিকভাবে ভালো আছে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।

মুগদা থেকে অপহৃত শিশুটি গাইবান্ধায় উদ্ধার

যেভাবে অপহরণ ঘটে
এর আগে বুধবার দুপুর একটার দিকে মুগদা হাসপাতালের গেইটের বাইরে থেকে শিশুটিকে নিয়ে পালিয়ে যায় এক ব্যাটারিচালিত রিকশাচালক। ঘটনার পরপরই শিশুটির মা মুগদা থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরিবারের পটভূমি
শিশুটির বাবা পেশাগত কারণে সুইজারল্যান্ডে বসবাস করেন। পরিবারসহ তারা সেখানেই থাকতেন। তবে প্রায় এক বছর আগে শিশুটির মা ও ছেলে দেশে ফিরে ঢাকার সবুজবাগ এলাকায় বসবাস শুরু করেন।

পুলিশের বর্ণনায় ঘটনার বিবরণ
মুগদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, শিশুটির মা চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে মুগদা হাসপাতালে যান। হাসপাতালের সামনে একটি অটোরিকশা ভাড়া করে শিশুটিকে রিকশায় বসিয়ে রেখে তিনি কাছের দোকান থেকে পানি কিনতে যান। সেই সুযোগে রিকশাচালক শিশুটিকে নিয়ে দ্রুত সরে পড়ে।

মুগদা থেকে অপহৃত শিশুটি গাইবান্ধায় উদ্ধার - Jathasomoy.com || যথাসময় ডটকম

মায়ের চোখে বিভীষিকাময় মুহূর্ত
শিশুটির মা, ফিজিওথেরাপিস্ট সুমাইয়া আক্তার মিলি বলেন, তিনি রিকশা থেকে নেমে পানি কিনছিলেন। তার ছেলে তখন রিকশার ভেতর দাঁড়িয়ে খেলছিল। নামাতে চাইলে শিশু রাজি হয়নি। রিকশাচালকও তাকে আশ্বস্ত করে বিল মিটিয়ে আসতে বলেন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই তিনি ফিরে তাকিয়ে দেখেন, রিকশা ও শিশুটি আর সেখানে নেই। সঙ্গে সঙ্গে তিনি দৌড়াতে শুরু করেন এবং আশপাশের সবাইকে জিজ্ঞেস করেন, কিন্তু তখন শিশুটির কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। পরে বিভিন্ন জেলার পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বিত অভিযানে শেষ পর্যন্ত গাইবান্ধা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।