০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

মুন্সিগঞ্জে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিতে নিহত ১, আহত ২

সহিংসতায় ফের রক্তাক্ত মোল্লাকান্দি

মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে স্থানীয় বিএনপির দুই প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত ও দুইজন আহত হয়েছেন। সোমবার (১০ নভেম্বর ২০২৫) ভোরে এ ঘটনা ঘটে। এর মাত্র আট দিন আগে একই এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আরেক কর্মী নিহত হয়েছিলেন।

নিহত ও আহতদের পরিচয়

নিহত আরিফ মির (৩৫) মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের চরদুমুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় বিএনপির সক্রিয় কর্মী ছিলেন। আহতদের মধ্যে আরিফের চাচাতো ভাই ইমরান গুলিবিদ্ধ হন। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অপর আহত ব্যক্তি মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

দীর্ঘদিনের বিরোধের জের

স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, সাবেক ইউনিয়ন বিএনপি সহসভাপতি আওলাদ হোসেনের অনুসারী আরিফ মির ও জেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতীক মালিক ও বর্তমান ইউনিয়ন সভাপতি ওহিদ মোল্লার অনুসারী শাহ কামালের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক বিরোধ চলে আসছিল।

এর আগে ২ নভেম্বর একই দুই পক্ষের সংঘর্ষে কামালপন্থী কর্মী তুহিন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। ওই ঘটনার পর কামালপন্থীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। সোমবার সকালে তারা এলাকায় ফিরে আসার চেষ্টা করলে আবারও সংঘর্ষ বাঁধে।

সংঘর্ষ ও উদ্ধার অভিযান

সকাল ৬টার দিকে গুলির শব্দে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আরিফ মিরকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতাল ও পুলিশের বক্তব্য

মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রুহুল আমিন জানান, আরিফকে মৃত অবস্থায় আনা হয় এবং এক আহত ব্যক্তিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ওসি এম সাইফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ

২ নভেম্বরের তুহিন হত্যাকাণ্ডের পর থেকে এলাকাজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সোমবারের এ সংঘর্ষে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

#মুন্সিগঞ্জ #বিএনপি #সংঘর্ষ #রাজনীতি #গুলিবর্ষণ #বাংলাদেশ #মোল্লাকান্দি

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

মুন্সিগঞ্জে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিতে নিহত ১, আহত ২

০১:২০:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

সহিংসতায় ফের রক্তাক্ত মোল্লাকান্দি

মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে স্থানীয় বিএনপির দুই প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত ও দুইজন আহত হয়েছেন। সোমবার (১০ নভেম্বর ২০২৫) ভোরে এ ঘটনা ঘটে। এর মাত্র আট দিন আগে একই এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আরেক কর্মী নিহত হয়েছিলেন।

নিহত ও আহতদের পরিচয়

নিহত আরিফ মির (৩৫) মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের চরদুমুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় বিএনপির সক্রিয় কর্মী ছিলেন। আহতদের মধ্যে আরিফের চাচাতো ভাই ইমরান গুলিবিদ্ধ হন। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অপর আহত ব্যক্তি মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

দীর্ঘদিনের বিরোধের জের

স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, সাবেক ইউনিয়ন বিএনপি সহসভাপতি আওলাদ হোসেনের অনুসারী আরিফ মির ও জেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতীক মালিক ও বর্তমান ইউনিয়ন সভাপতি ওহিদ মোল্লার অনুসারী শাহ কামালের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক বিরোধ চলে আসছিল।

এর আগে ২ নভেম্বর একই দুই পক্ষের সংঘর্ষে কামালপন্থী কর্মী তুহিন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। ওই ঘটনার পর কামালপন্থীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। সোমবার সকালে তারা এলাকায় ফিরে আসার চেষ্টা করলে আবারও সংঘর্ষ বাঁধে।

সংঘর্ষ ও উদ্ধার অভিযান

সকাল ৬টার দিকে গুলির শব্দে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আরিফ মিরকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতাল ও পুলিশের বক্তব্য

মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রুহুল আমিন জানান, আরিফকে মৃত অবস্থায় আনা হয় এবং এক আহত ব্যক্তিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ওসি এম সাইফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ

২ নভেম্বরের তুহিন হত্যাকাণ্ডের পর থেকে এলাকাজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সোমবারের এ সংঘর্ষে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

#মুন্সিগঞ্জ #বিএনপি #সংঘর্ষ #রাজনীতি #গুলিবর্ষণ #বাংলাদেশ #মোল্লাকান্দি